টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফ সমিতি ইউএই’র নতুন কমিটি গঠিতঃ ড. সালাম সভাপতি -শাহ জাহান সম্পাদক বৌ পেটানো ঠিক মনে করেন এখানকার ৮৩ শতাংশ নারী ইউপি চেয়ারম্যান হলেন তৃতীয় লিঙ্গের ঋতু টেকনাফে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৭ পরিবারের আর্তনাদ: সওতুলহেরা সোসাইটির ত্রান বিতরণ করোনা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কঠোর বিধি, জনসমাবেশ সীমিত করার সুপারিশ হেফাজত মহাসচিব লাইফ সাপোর্টে জাদিমোরার রফিক ৫ কোটি টাকার আইসসহ গ্রেপ্তার মিয়ানমার থেকে দীর্ঘদিন ধরে গবাদিপশু আমদানি বন্ধ: বিপাকে করিডোর ব্যবসায়ীরা টেকনাফ পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন যাঁরা বাহারছরা ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন যাঁরা

টেকনাফে রোহিঙ্গা অপহরণকারী চক্রকে মুক্তিপণ দিয়ে’ ৩ দিন পর বাড়িতে ফিরলেন অপহৃত ব্যবসায়ী

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এম আমান উল্লাহ আমান:: টেকনাফে এক রেস্তোঁরার মালিককে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা অপহরণ করেছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপহরণের তিন দিন পর ‘মুক্তিপণের বিনিময়ে’ ওই ব্যবসায়ী ছাড়া পেয়েছেন বলে জানিয়েছে পরিবার।

অপহৃত ছৈয়দ আলম (৫০) টেকনাফ পৌরসভার মধ্যম জালিয়াপাড়ার মৃত আমির আহম্মদের ছেলে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া নেচারপার্ক এলাকায় ছৈয়দ আলমকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান তাঁর স্ত্রী হালিমা

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাতে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটের টেকনাফের দমদমিয়া জেটি ঘাট থেকে ইজিবাইকে বাড়িতে ফিরছিলেন ছৈয়দ আলম। পথে স্থলবন্দরসংলগ্ন ১৪ নম্বর সেতু এলাকায় মুখোশধারী একদল দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে তাঁকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। মুক্তিপণ হিসেবে ১২ লাখ টাকা দাবি করেছিল। স্বজনেরা ওই দিন রাতেই টেকনাফ থানা–পুলিশকে বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করেন।

ছৈয়দ আলমের স্ত্রী হালিমা বেগম বলেন, অপহরণের পর তাঁর স্বামীকে দমদমিয়া এলাকার গহিন পাহাড়ে জিম্মি করে রাখা হয়। তারা মোবাইলে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। না দিলে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়। পরে টাকার লেনদেন নিয়ে অপহরণকারীদের সঙ্গে মুঠোফোনে অসংখ্যবার যোগাযোগ হয়। একপর্যায়ে তারা আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে ছৈয়দ আলমকে ছেড়ে দিতে রাজি হয়।

স্ত্রী হালিমা বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে অপহরণকারীদের কাছে দাবি করা টাকা পৌঁছাতে একটি গাড়িযোগে তাঁদের বড় ছেলে মো. রাসেল টেকনাফের দমদমিয়া এলাকায় যান। টাকাগুলো নিতে অপহরণকারীরা কয়েকবার স্থান পরিবর্তন করে। একপর্যায়ে সকাল নয়টার দিকে দমদমিয়া নেচার পার্কের ভেতরে যেতে বলা হয়। পরে নগদ আড়াই লাখ টাকা নিয়ে অবস্থান করার একপর্যায়ে মুখোশ পরিহিত অস্ত্রধারী দুই যুবক সেখানে উপস্থিত হয়। টাকাগুলো তাদের হাতে তুলে দেওয়ার কিছুক্ষণ পর স্বামী ছৈয়দ আলমকে ছে
হালিমা বলেন, তাঁর স্বামীকে অপহরণকারীরা নির্যাতন করেছে। ছাড়িয়ে আনার পর তাঁকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে টেকনাফ থানায় হাজির হয়ে মুক্তিপণের বিনিময়ে ছাড়িয়ে আনার ব্যাপারে জানানো হয়েছে।

ছৈয়দ আলমের ছেলে মোহাম্মদ রাসেল অভিযোগ করেন, সোমবার রাতে ঘটনার খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ পুলিশকে বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ পরে তাদের সঙ্গে আর কোনো ধরনের যোগাযোগ করেনি।

ছৈয়দ আলম বলেন, মুখোশ পরিহিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা রোহিঙ্গা। তাদের ভাষাও রোহিঙ্গাদের মতো। তাদের কাছে ভারী আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। গহিন পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানায় জিম্মি করে মুক্তিপণের জন্য তাঁর ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে। ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। গত তিন দিনে শুধু একবেলা ভাত খেতে দিয়েছিল। তবে ছেড়ে দেওয়ার সময় এসব বিষয় নিয়ে র‌্যাব বা পুলিশের কাছে না যাওয়ার জন্য হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমানের সরকারি মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি।

এর আগে গত মঙ্গলবার ওসি হাফিজুর রহমান বলেছিলেন, তাঁরা বিষয়টি শুনেছেন। ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT