টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গুলিতে সিএনজি চালক খুন তালিকা দিন, আমি তাঁদের নিয়ে জেলে চলে যাব: একজন পুলিশও পাঠাতে হবে না: বাবুনগরী টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে মানসিক রোগিদের মধ্যে খাবার বিতরণ বাংলাদেশে নারীর গড় আয়ু ৭৫, পুরুষের ৭১: ইউএনএফপিএ ফেনসিডিল বিক্রির অভিযোগে ৩ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার দেশের ৮০ ভাগ পুরুষ স্ত্রীর নির্যাতনের শিকার’ এ বছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৩১০ হেফাজতের বর্তমান কমিটি ভেঙে দিতে পারে: মামলায় গ্রেফতার ৪৭০ জন মৃত্যু রহস্য : তিমি দুটি স্বামী – স্ত্রী : শোকে স্ত্রী তিমির আত্মহত্যাঃ ধারণা বিজ্ঞানীর দেশে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ মানুষ

টেকনাফে ওসিসি’র যাত্রা শুরু

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ জুন, ২০১৩
  • ১৫০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

teknaf pic 20-06-2013 হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম,টেকনাফ                           =নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের সহায়তা দিতে টেকনাফে “নারী নির্যাতন  প্রতিরোধকল্পে  মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম” চালু হয়েছে। এ জন্যে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার / ওয়ান স্টপ  ক্রাইসিস  সেল সংক্ষেপে ওসিসি কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে টেকনাফ উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে। বাংলাদেশ সরকার ও ডেনমার্ক সরকারের যৌথ উদ্যোগে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশব্যাপী নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের সেবাপ্রাপ্তির সুবিধার্থে প্রকল্পের ৩য় পর্যায়ের (২০১১-২০১৬) সারাদেশের ৪০টি জেলা এবং ২০টি উপজেলাসহ মোট ৬০টি ওসিসি চালু করা হয়েছে। তম্মধ্যে টেকনাফ উপজেলা অন্যতম। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত টেকনাফ উপজেলায় বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহের প্রচলন আধিক্যের কারণে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা খুবই বেশী। সেদিক বিবেচনায় টেকনাফ উপজেলায় ওসিসি  স্থাপন অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণ । তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে- গতবছর শেষের দিকে টেকনাফ উপজেলা ৫০ শয্যা হাসপাতালের একটি  কক্ষে  ওসিসির  সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছিল । অফিস চালুর কয়েকমাস পর আসবাবপত্র সরবরাহ এবং গত কয়েকমাস আগে একজন কর্মকর্তা পোস্টিং দেয়া হয়েছে। বর্তমানে কর্মরত আছেন মোঃ শফিউল আলম নামে একজন মাত্র কর্মকর্তা । অন্য কোন কর্মচারী পোস্টিং এখনও দেওয়া হয়নি। শফিউল আলম বলেন- সর্বমহলের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া সরকারী এই মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা গেছে- আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ,সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই ১০টি মন্ত্রণালয়ের অংশগ্রহণে বহুমূখী ব্যবস্থাপনা কাঠামোতে সম্পূর্ণ অনন্য আঙ্গিকে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের পাইলট পর্ব ছিল মে ২০০০থেকে ডিসেম্বর ২০০৩ পর্যন্ত, প্রথম পর্ব ছিল জানুয়ারী ২০০৪ থেকে জুন ২০০৮ পর্যন্ত, দ্বিতীয় পর্ব ছিল জুলাই ২০০৮ থেকে জুন ২০১১ পর্যন্ত। জুলাই ২০১১ থেকে বর্তমানে ৩য় পর্ব চলছে। যার মেয়াদ জুন ২০১৬ সনে সমাপ্ত হবে। প্রকল্পটি  বাংলাদেশ সরকারের দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং জাতিসংঘের নারীর বিরুদ্ধে সকল ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ ও ডানিডার জেন্ডার সাম্য কৌশলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ । এই প্রকল্পের চারটি সুনিদিষ্ট উদ্দেশ্যে রয়েছে । এছাড়া দেশের ৮টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওসিসি এবং ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাব ও ডিএনএ প্রটোকল স্থাপন করা হয়েছে। তা হচ্ছে Ñঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, রংপুর, ফরিদপুর ও রাজশাহী । ৪০টি জেলা সদর হাসপাতালের ওসিসি হচ্ছে- মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা, টাঙ্গাইল, শেরপুর, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, নারায়ণগঞ্জ, চাপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, বগুড়া, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, ঝালকাঠি, ফিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, চাঁদপুর, লক্ষীপুর, ফেনী, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও  কক্সবাজার । ২০টি উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স হচ্ছে- শেরপুরের ঝিনাইগাতি, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ার চর, রাজবাড়ীর পাংশা, মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, কুমিল্লার বরুড়া, লক্ষীপুরের রামগতি, কক্সবাজারের টেকনাফ, রাঙামাটির লংগদু, সুনামগঞ্জের ছাতক, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়া, দিনাজপুরের পাবর্তীপুর, কুড়িগ্রামের চিলমারি, বগুড়ার নন্দীগ্রাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা, যশোরের ঝিকরগাছা, সাতক্ষীরার শ্যামনগর, পটুয়াখালীর কলাপাড়া। উপজেলা পর্যায়ে প্রতিটি ওসিসিতে একজন প্রোগ্রাম অফিসার, একজন কম্পিউটার অপারেটর ও একজন ম্যাসেঞ্জার কাম ক্লিনার পোস্টিং থাকার কথা থাকলেও টেকনাফ উপজেলায় এখনও মাত্র একজন প্রোগ্রাম অফিসার কর্মরত রয়েছেন। টেকনাফ ওসিসির প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শফিউল আলম জানান- গতমাসে নির্যাতনের শিকার ৩ জনকে সেবা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন- নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার বা সংশ্লিস্ট যে কেউ যে কোন মোবাইল এবং টিএন্ডটি থেকে হেল্প লাইন ১০৯২১ নম্বরে যোগাযোগ করে সহযোগিতা নিতে পারেন। রাতদিন ২৪ ঘন্টা উক্ত হেল্পলাইন নম্বরটি সেবা দিতে সার্বক্ষনিক খোলা থাকে। ###########

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT