টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফ পৌরশহরে আতংক..এমপি ও আলী আ. চেয়ারম্যানের মধ্যে সংঘর্ষ . শতাধিক গুলি বর্ষন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • ১৬৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এটিএন ফায়সাল…সীমান্ত জনপদ টেকনাফে সরকার দলীয় এমপি আবদুর রহমান বদি ও টেকনাফ সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহর পিতা আলী আহমদ চেয়ারম্যানের সাথে কথা কাটাকাটির জের ধরে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাবেক চেয়ারম্যানকে থানায় আটক করে নেয়। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে আবদুল্লাহর অনুসারী, দলীয় সমর্থক ও নেতা-কর্মীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে থানা ঘেরাও করে হামলা চালায়। এ খবর পেয়ে আবদুর রহমান বদি এমপির কর্মী ও সমর্থকরাও রাস্তায় বেরিয়ে আসে। উক্ত ঘটনায় পুলিশসহ কমপক্ষে উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়।
সূত্রে জানা যায়- ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে স্থানীয় এমপি আবদুর রহমান বদি ও সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আহমদ উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয় থেকে নাফ কুইন হোটেলে গিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহর পিতা আলী আহমদ চেয়ারম্যানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে এমপির বিরুদ্ধে কেন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানতে চাই। এতে দু’জনের মধ্যে বাক বিতন্ডা ও কথাকাটাকাটি হয়। টেকনাফ থানা পুলিশ বিভিন্ন অভিযোগের ব্যাপারে আলী আহমদ চেয়ারম্যানকে থানায় নিয়ে যায়। এ খবর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও আবদুল্লাহর অনুসারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ক্ষুদ্ধ নেতা-কর্মী ও অনুসারীরা লাঠি-সোটা ও অবৈধ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে থানা ঘেরা করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভাংচুর চালায়। এ খবর পেয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরাও স্বশস্ত্র অবস্থান নিলে টেকনাফ পৌরশহর আতংক নগরীতে পরিণত হয়। পুলিশ আত্মরক্ষা ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ছুড়ে। এতে টেকনাফ থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) স্বপন কুমার মজুমদার, এস.আই রাজিব ও ২ কনস্টেবলসহ পৃথক পৃথকভাবে উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আলী আহমদ চেয়ারম্যান কে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আলমের জিম্মায় টেকনাফ থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হলেও তার ভাতিজা আলমগীর আটক রয়েছে। এ ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন- ক্ষমতাসীন দলের এমপি আবদুর রহমান বদি, জাফর চেয়ারম্যান ও জাফর আলম চৌধুরী প্রভাব খাটিয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে হামলা ও ভাংচুর করে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমার বৃদ্ধ পিতাকে থানা পুলিশ দিয়ে আটক করে নিয়ে যায়। এতে জনসাধারণ ক্ষুদ্ধ হয়ে থানা ঘেরাও করলে পুলিশ ব্যাপক হামলা চালায়। এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হারুন অর রশিদ সিকদার বলেন- আবদুল্লাহর অভিযোগ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবী করে বলেন এম পি বদি রাত ৮টা পর্যন্ত আমাদের সমাবেশে ছিল। জাফর চেয়ারম্যান সারাদিন আমাদের সাথে ছিল না। বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে আলী আহমদ চেয়ারম্যানকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেলে আবদুল্লাহ বাহিনী টেকনাফ শহরে অস্ত্রের মহড়া দেখিয়ে শান্তি প্রিয় জনসাধারণকে আতংকিত করে তুলে।
তবে এ ঘটনায় টেকনাফ শহরের দোকানপাট দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। লোকজন প্রাণ রক্ষার্থে পালিয়ে যায়। টেকনাফ আতংকের নগরীতে পরিণত হয়। এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।####

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

৩ responses to “টেকনাফ পৌরশহরে আতংক..এমপি ও আলী আ. চেয়ারম্যানের মধ্যে সংঘর্ষ . শতাধিক গুলি বর্ষন”

  1. badiul azam says:

    This is distorted report and yellow journalism. Truth is hidden here. we condemn this type of reporting!

  2. ayrin says:

    পিতার পরিবর্তে তাঁর সন্তানকে হত্যা খুনিদের এক জগন্যতম আবিষ্কার। আব্দুলøাহর রাজনৈতিক ইমেজ ও জনপ্রিয়তা টেকাতে না পেরে তাঁর ষাঠোর্ধ বৃদ্ধ পিতা সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহমদকে থানায় ধরে নিয়ে বর্বর নির্যাতন করে। এটিই এমপি বদির ভন্ডামী রাজনীতির নমুনা।

  3. karbi pal says:

    ভন্ড এমপি বদির ভন্ড সাংবাদিক
    আমরা নিউজ পড়লেই বুঝতে পারি কত টাকায় বিক্রি হয়েছ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT