টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফে ‘আলোক ফাঁদ’ বসিয়ে পোকার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ১২০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ = কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় টেকনাফ উপজেলায় আলোক ফাঁদ বসিয়ে পোকার উপস্থিতি পর্যবেক্ষন শুরু হয়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় টেকনাফ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের পরামর্শ অনুসারে টেকনাফ পৌরসভা ব্লকের নাইট্যংপাড়া এলাকায় আলোক ফাঁদ বসিয়ে পোকার উপস্থিতি পর্যবেক্ষন করা হয়। উক্ত এলাকার কৃষক নুর বশর, নুর মোহাম্মদ, শামসুল আলম, মোঃ রফিক ছাড়াও উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা শফিউল আলম কুতুবী, সরওয়ার কাদের, মোহাম্মদ জাকারিয়া এসময় উপস্থিত ছিলেন। আলোক ফাঁদ পর্যবেক্ষণকালে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি না থাকায় কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
জানা যায়, রাতের বেলায় বৈদ্যুুতিক আলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে জড়ো হয় পোকা-মাকড়। সেই পোকা মাকড়ের দল বৈদ্যুতিক ভাল্বের নিচে রাখা গামলা ভর্তি সাবান মাখা পানিতে পড়ে আকটা পড়ে যায়। তখনই কৃষি সম্প্রসারণ অধিফতরের কর্মীরা পোকা সনাক্ত করে কৃষকদের ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেন। এভাবে কক্সবাজার জেলায় আমন ধানক্ষেতে ‘আলোর ফাঁদ’ বসিয়ে পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি জরিপের কাজ শুরু করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মীরা পোকা-মাকড় সনাক্তকরণ কর্মসুচি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কৃষকদের সহযোতিায় ‘আলোর ফাঁদ’ বসিয়ে ।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, মিয়ানমার সীমান্তবর্তী উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় বাদামী গাছ ফড়িংয়ের উৎপাত বেশী হয়। ধারণা করা হচ্ছে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী ঘন বনাঞ্চল থেকেই এসব পোকার ব্যাপক আগমণ ঘটে। একারনেই সমন্বিত বালাই ব্যবস্থা প্রকল্পের আওতায় এবং কৃষক উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে ‘আলোর ফাঁদ’ গুলো স্থাপন করা হচ্ছে। বাদামী গাছ ফড়িং ধানের একটি অন্যতম ক্ষতিকর পোকা। এ পোকার আক্রমণে ফসলের ২০% থেকে ১০০% পর্যন্ত ক্ষতি হয়। পূর্ব থেকে যাচাইয়ের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কোন ক্ষতি করতে পারে না। পোকা-মাকড়ের আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষার জন্য কৃষকরা সন্দেহজনক ভাবে ক্ষেতে এমনিতেই পোকা দমনের বিষ ষ্প্রে করে থাকেন। অথচ কৃষকরা বিষ ষ্প্র্রে করেন ক্ষেতে আদৌ পোকার আক্রমণ হয়েছে কিনা সেটা নিশ্চিত না হয়েই। আর এতে করে ক্ষেতে কৃষকের ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এ কারনেই ফসলের শত্রু ক্ষতিকর পোকা-মাকড়ের সনাক্তকরণ কর্মসুচি জোরদার করা হয়েছে।
কক্সবাজারের ৮ উপজেলায় সোমবার পর্যন্ত ৭৬ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। ফসলের ক্ষতিকর পোকা- মাকড়ের উপস্থিতি জরিপ করার জন্য জেলায় ১৩৮ টি আলোর ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। এ এলাকা বাদামী গাছ ফড়িং আক্রান্ত প্রবণ এলাকা তাই পূর্ব প্রস্তুতি হিসাবে আলোর ফাঁদ স্থাপনের মাধ্যমে পোকার উপস্থিতি যাচাই করা হচ্ছে। ##

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT