টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফ সমিতি ইউএই’র নতুন কমিটি গঠিতঃ ড. সালাম সভাপতি -শাহ জাহান সম্পাদক বৌ পেটানো ঠিক মনে করেন এখানকার ৮৩ শতাংশ নারী ইউপি চেয়ারম্যান হলেন তৃতীয় লিঙ্গের ঋতু টেকনাফে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৭ পরিবারের আর্তনাদ: সওতুলহেরা সোসাইটির ত্রান বিতরণ করোনা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কঠোর বিধি, জনসমাবেশ সীমিত করার সুপারিশ হেফাজত মহাসচিব লাইফ সাপোর্টে জাদিমোরার রফিক ৫ কোটি টাকার আইসসহ গ্রেপ্তার মিয়ানমার থেকে দীর্ঘদিন ধরে গবাদিপশু আমদানি বন্ধ: বিপাকে করিডোর ব্যবসায়ীরা টেকনাফ পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন যাঁরা বাহারছরা ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন যাঁরা

টেকনাফের হোয়াইক্যংএ পাহাড় কাটা বন্ধ করবে কে ?

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২১
  • ৮৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ::টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের নয়াপাড়া পশ্চিম বটতলীতে নির্বিচারে পাহাড় কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। এ ঘটনায় বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংগঠকদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।
জানা গেছে, উল্লেখিত নয়াপাড়া বটতলী এলাকা ও একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের তেচ্ছিব্রীজ বাঘগুনা নামক এলাকার পশ্চিম পাড়ায় রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে প্রতিনিয়ত পাহাড় কাটছে। পাহাড় কর্তনে ব্যবহার করছে ডাম্পার,ঠেলাগাড়ি,ট্রলি । পাশাপাশি পাহাড়ী মাটি বিক্রি করছে দেদারসে। দিনরাত ট্রাকভর্তি করে চলছে হরদম মাঠি বিক্রি। দিনরাত রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে পাহাড় কর্তন, চললেও কারো কোন খবর বা নজর নেই! অথচ পাহাড় কাটার পয়েন্ট থেকে ১কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে বনবিট ও রেইন্জ অফিস।ফলে বিষয়টি সর্বমহলে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এলাকার একটি চিহ্নিত মাদককারবারী এবং প্রভাবশালী একটি পরিবার এসব পরিবেশ ধ্বংস করে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করছে। পাহাড় কর্তন ও ইয়াবা বাণিজ্য ছাড়াও নানা অনিয়ম-অপরাধ করে হোয়াইক্যং নয়াপাড়ার উক্ত পরিবারটি এলাকায় সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
অভিযোগ আছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পাহাড় কর্তন ও মাদককারবারে জড়িত থাকলে ও নিরব ভূমিকা পালন করছে প্রশাসন। কোথায় বন বিভাগ, কোথায় পরিবেশ অধিদপ্তর কারো কোন খবর নেই?
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-২০১০ অনুযায়ী, পাহাড় কাটা আমলযোগ্য অপরাধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ছাড়া কোনও সরকারি, আধা-সরকারি, সায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তি পাহাড় কাটতে বা নিশ্চিহ্ন করতে পারবে না। যদি কেউ এটি অমান্য করে, তবে তাকে অথবা ওই প্রতিষ্ঠানকে দুই বছর কারাদণ্ড অথবা ২ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। ফের একই অপরাধ করলে, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১০ বছর কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ জরিমানা গুণতে হবে। কিন্তু পাহাড়খেকুরা এই আইনের প্রতি তোয়াক্কাই করছে না।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন কক্সবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক জানান, এলাকার পরিবেশ ধ্বংসে এসব লোকরা যথেষ্ট। এবিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা
সিএমসির (কো ম্যানেজমেন্ট কমিটি) সভাপতি
আলমগীর চৌধুরী জানান, রোহিঙ্গা নিয়ে আমরা নানামুখি সংকটে। তার উপর পাহাড় কর্তনে আমরা মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনছি। পাহাড়খেকোদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর হস্তে দমন করা প্রয়োজন। আমি এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।#

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT