টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফের জাদীমুরায় বৃটিশ সলিমের নেতৃত্বে…

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ জুলাই, ২০১৩
  • ১১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

জসিম উদ্দিন টিপু, টেকনাফ।

উপজেলার জাদীমুরা সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে দেশে আসছে মরণ নেশা ইয়াবা ও মাদক। বিনিময়ে মিয়ানমারে যাচ্ছে জ্বালানী তেল, সার, মোটর সাইকেল, মেশিনারী পার্টস, সিমেন্ট, সুখি ভরি, ডিপো ইনজেকশন, মেডিসিন, এ্যালমুনিয়াম, কসমেটিকস, মোবাইল সেট, সিম, ইংরেজি দৈনিক পত্রিকার বান্ডিল সহ নানান ধরণের পণ্য। এসব পাচার কাজে নেতৃত্বে রয়েছে স্থানীয় জনৈক পিতা-পুত্র। জানাগেছে, জাদীমুরা লম্বা ব্রীজের দক্ষিণ পার্শ্বস্থ জাদীর খাল দিয়ে নিয়মিত এসব অবৈধ মালামাল পাচার হয়ে থাকে। কতিপয় স্থানীয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় এক শ্রেনীর  প্রশাসনের দুর্নীতি পরায়ণ কর্মীদের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সহযোগীতায় দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। বর্তমানে তাদের অবৈধ ব্যবসা এতই বিস্তৃত হতে চলেছে। উঠতি যুব সমাজ দিন দিন ধ্বংসের খাদে পড়তে যাচ্ছে। এতে ধবংস হচ্ছে যুব সমাজ ক্ষতির মাশুল গুনতে হচ্ছে এখানকার মানুষকে। প্রশাসনের কোন প্রকার যুগান্তকারী পদক্ষেপ না হওয়ায় দিনের পর দিন এ সিন্ডিকেট বেপরোয়া হয়ে উঠছে। অনুসন্ধানে আরো জানাযায়, সিন্ডিকেটটি মিয়ানমার হতে অবিবাহিত রুপসী নারীদের দেশে-বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে জাদীমুরায় এনে বৃটিশ পাড়ায় স্টক করে রাখে। পরে সুবিধামত সুযোগ বুঝে এসব মেয়েদের সৌদি আরব, দুবাই, মালয়েশিয়া সহ বিভিন্ন আরব কান্ট্রিতে পাঠিয়ে দেয়। এসব যুবতীদের সে সব দেশে অবস্থানরত মিয়ানমারের বিত্তবান নাগরিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের বিনিময়ে আদান-প্রদান করেন। এসব অপকর্মের মূল হোতা জাদীমুরা এলাকার বৃটিশ পাড়ার মৃত আব্দুস শুক্কুরের পুত্র সলিম (৪৫) ও তাঁর পুত্র সিরাজ (২৫) এবং মিয়ানমারে তাদের সিন্ডিকেটের সহায়তাকারী পেরাংপ্রুু গ্রামের বড় আলী ও ছোট আলী।  উক্ত পিতা-পুত্র সিন্ডিকেট বছরের পর বছর এভাবে অপকর্ম চালিয়ে জিরো থেকে হিরো বনে গেছে। আগে যেখানে তাদের পরিবারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। সেখানে বর্তমানে এই ইয়াবা পরিবার গাড়ি ও বাড়ির মালিক। জাদীর খালের তীরবর্তী হওয়ার সুবাধে দিবানিশি প্রকাশ্যে মালামাল লোড-আনলোড করে যাচ্ছে। নিজস্ব পরিবহনে দিন দুপুরে হরদম দেশের বিভিন্ন জায়গায় সহজে ইয়াবা ও মাদকের চালান পাচার করে থাকে। সুত্রে জানাগেছে, গত কিছু দিন আগে মিয়ানমারে পাচারকালে সিন্ডিকেটটির বিশাল মালের চালান দমদমিয়া বিজিবি জব্দ করেন। কিন্তু রহস্যজনক কারণে মালের মালিক সলিম ও সিরাজকে বাদ দিয়ে বার্মায়া সাদেক নামের নিরীহ ১ শ্রমিককে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। সচেতন মহল মনে করছেন তারা এভাবে লাগামহীন হয়ে গেলে হ্নীলার মাদক ও আইনশৃংঙলা অবনমন কিছুতেই ঠেকানো যাবে না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি অভিযোগ করেন, এলাকার আইন শৃংঙলা উন্নতির স্বার্থে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, অপরাধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে হলে জাদীমুরা জাদীর খালের ব্রীজ সংলগ্ন রাস্তার পূর্ব পার্শ্বের পাচারকারী সিন্ডিকেট সমূলে উচ্ছেদ করতে হবে। এব্যাপারে দমদমিয়া বিজিবির কোম্পানী কমান্ডারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সীমান্ত এলাকা হিসেবে বিজিবির সদস্য প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতূল। তবে এ ব্যাপারে সুর্নিদিষ্ট ইনফরমেশন পেলে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বিজিবি সদা প্রস্তুত। এলাকার সর্বসাধরণকে ইয়াবা ও মানব পাচারে তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগীতায় এগিয়ে আসার আহবান জানান।
##########

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT