টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টানা বর্ষণ আর পূর্ণিমার জোয়ার টেকনাফের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ মে, ২০১৩
  • ১৪৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

জেড করিম জিয়া,টেকনাফ= zkarim zia 26,05,13প্রতিমাসে পূর্ণিমা ও অমাবস্যার জোয়ারের  পানিতে নিমজ্জিত থাকে টেকনাফের নিম্নাঞ্চল, তার উপর যোগ হয়েছে টানা বর্ষণ! এতে নিম্নাঞ্চল এলাকা প্লাবিত হয়ে পানি বন্দী হয়ে আছে লক্ষাদীক মানুষ।
সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, গত ২ দিন ধরে টানাবর্ষণ ও পূর্ণিমার জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে টেকনাফ উপজেলার পৌরসভার, সদর, সাবরাং ইউনিয়নের নাফনদী বাঁধের ভাঙ্গন এলাকা দিয়ে পানি প্রবেশ করে নিম্নাঞ্চলের ঘর-বাড়ি, চিংড়ী ঘের ও ফসলী জমি শিক্ষা প্রতিষ্টান, তলিয়ে গেছে। ভাঙ্গা বাঁধে দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে টেকনাফ পৌরসভার সাইড পাড়া, চৌধুরী পাড়া, উত্তর-মধ্যম ও দক্ষিণ জালিয়া পাড়া, খানকার পাড়া, সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া, মৌলভী পাড়া, সাবরাং ইউনিয়নের মগপাড়া, লেজির পাড়া, আছারবনিয়া, নয়াপাড়া, শাহপরীর দ্বীপ জালিয়া পাড়া, দক্ষিণ পাড়া, পশ্চিম পাড়া। জোয়ারের পানির ফলে সংশি¬ষ্ট বাঁধের স্থানে নতুন করে ভাঙ্গন ধরেছে। বেড়ীবাঁধের কাছে পৌরসভার জালিয়া পাড় বিদ্যালয় হওয়ায় জোয়ারের সময় সহজে পানি প্রবেশ করছে। টানা বর্ষণ পূর্ণিমার জোয়ারের কারনে লেখাপড়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টির  পাশাপাশি এলাকাবাসীর দূর্ভোগ চরমে পৌছে।
প্রতিবছর বর্ষা শুরুর পূর্বে বেড়িবাধ সংস্কারের প্রকল্প গ্রহণ করা হয় কিন্তু বাঁধ সংস্কার করা হয় না। এসব মানুষ জীবন যাত্রা শুরু করে জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভর করে। যখন জোয়ার হয় তখন বাড়ীঘর ছেড়ে উচু জায়গায় গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। অপেক্ষায় থাকতে হয় কখন ভাটা হবে। এ এলাকার গৃহিনীরা সবচেয়ে দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে তাদের রান্নার চুলা দীর্ঘদিন থেকে পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দূরে কোথাও উচু জায়গায় গিয়ে বৃষ্টিকে উপেক্ষা প্রতিদিনের রান্না প্রস্তুত করতে হয়। তারা  জানান,আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না আমাদের এ র্দূদশা কথা । এ পানির কারণে প্রতিদিন ঘর-বাড়ী সেরে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হচেছ। “আমরা কিছুই চাই না দূর্ভোগ থেকে বাঁচার জন্য টেক সই বেড়ীবাঁধ চাই”। এমনিতে নিম্নাঞ্চলের মানুষকে আর কত দিন এভাবে জীবন যাপন করতে হবে এ প্রশ্ন সবার? সরকার দলীয় স্থানীয় এমপি থাকার পরও ভাঙ্গা বাঁধ মেরামতে কত বছর লাগবে এ প্রশ্ন পানি বন্দী মানুুুষের?
জানা যায়, প্লাবিত এলাকা  নাফনদী ভাঙ্গা বাঁেধর অংশটি মেরামতে প্রতি বছর এ বাঁধ রর্ক্ষাথে সরকার কোটি টাকা খরচ করলেও এর সুফল পাচেছনা জনগন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দূর্ভোগ লাঘবে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এক টানা বৃষ্টিতে জোয়ারের পানিতে ভাসছে টেকনাফের নিম্নাঞ্চলের এলাকা। শাহপরীরদ্বীপ ও নাফনদীস্থ বেড়িবাধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় দীর্ঘদিন ধরে নিম্নাঞ্চল পানিতে নিমজ্জিত হয়ে আছে। ফলে প্লাবিত এলাকায় এ মৌসুমে চাষ করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টানা বর্ষন ও পূর্ণিমার জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে টেকনাফ উপজেলার পৌরসভার, সদর, সাবরাং, হ্নীলা, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নাফনদী ও বঙ্গোপসাগর বেড়ীবাঁধের ভাঙ্গন অংশদিয়ে পানি প্রবেশ করে উপক’লীয় নিম্নাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্টান, ঘর-বাড়ি, চিংড়ী ঘের ও ফসলী জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। উক্ত ভাঙ্গা বাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করছে। জোয়ারের পানির ফলে সংশি¬ষ্ট বাঁধে নতুন  করে ভাঙ্গন ধরেছে এতে হাজারো পরিবার অনাহারে অর্ধহারে দিন কাটাচেছ।
এব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শফিক মিয়া জানান, নাফনদী ভাঙ্গা বাঁধ সংস্কারের চেষ্টা করা হযেছিল। টানা বর্ষণ শুরু হওয়ার ফলে ভাঙ্গা বাঁধটির সংস্কার কাজ সম্পূন্ন করা হয়নি। বর্ষার শেষে এ বাঁধটি নির্মাণ কাজ করা হবে বলে তিনি জানান।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT