টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টাকার কাছে হারছে মেধা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৬
  • ১২০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
টেকনাফ নিউজ ডেস্ক **

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টাকা ছাড়া নিয়োগ হয় না Åশিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে সিন্ডিকেট Åনিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ মানতে রাজী নন সংশ্লিষ্টরা

দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার চেয়ে টাকার প্রতিযোগিতাই হয় বেশি। বলা যায় টাকার কাছে হেরে যাচ্ছে মেধা। বলতে গেলে টাকা ছাড়া কোনো নিয়োগই হয় না এসব প্রতিষ্ঠানে। স্কুলের পরিচালনা কমিটি থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রভাবশালী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা কর্মকর্তা প্রত্যেককেই নির্দিষ্ট অঙ্কের ঘুষ দিতে হয়। নিয়োগের পর এমপিভুক্ত হতেও থানা, জেলা শিক্ষা অফিস থেকে শুরু করে আঞ্চলিক কার্যালয় পর্যন্ত পদে পদে দিতে হয় টাকা। স্কুলে নিয়োগ থেকে এমপিওভুক্ত হতে ৪ থেকে ১০ লাখ টাকা অনৈতিক পথে খরচ করতে হয়েছে মহান পেশায় নিয়োজিত শিক্ষকদের। আর এই নিয়োগ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে উপজেলা পর্যায়ে গড়ে উঠেছে সিন্ডিকেট।
ইত্তেফাকের উপজেলা প্রতিনিধিদের অনুসন্ধানে সারাদেশে শিক্ষক নিয়োগের এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। তারা জানিয়েছেন, ঘুষ ও নিয়োগ এখন সমার্থক হয়ে গেছে। ভুক্তভোগীরা বলেছেন, ‘টাকা ছাড়া নিয়োগ এটা এখন একেবারেই অসম্ভব। চাকরি প্রার্থীরা জমি-জমা, স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি এবং ঋণ করে টাকা হাতে নিয়ে বসে থাকেন। এ নিয়ে তাদেরও চলে নানা ধরনের তত্পরতা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে  যে, টাকা ছাড়া নিয়োগের আশা এখন আর কেউ করেন না।’
এ কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়োগ পদ্ধতি পরিবর্তনের চিন্তা করছে বলে জানা গেছে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানিয়েছেন, দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি বন্ধে আমরা শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনছি। এখন শিক্ষক নিয়োগ পুরোপুরি কমিটির হাতে নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু শূন্য আসনের তালিকা পাঠাবে। মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন এজেন্সি (এনটিআরসিএ) মেধা তালিকা তৈরি করবে। তবে মন্ত্রী বলেন, এ মেধা তালিকা শুধু এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী লাইব্রেরিয়ান এবং কর্মচারীদের নিয়োগ এখনও স্কুল ম্যানেজিং কমিটি এবং স্থানীয় শিক্ষা প্রশাসনের কাছেই রয়েছে। এ কারণে এ সব পদে ঘুষের পরিমাণও বেড়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মো. এলিয়াছ হোসেন বলেন, অনেকগুলো পদের নিয়োগ স্কুল পরিচালনা কমিটির হাতে রয়েছে। ওই পদগুলো স্কুল ম্যানেজিং কমিটির হাত থেকে সরাতে হবে। এ কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংশোধনী আনা হবে।
প্রসঙ্গত, দেশে ১৯ হাজার ৪৯৩টি বেসরকারি স্কুল রয়েছে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত স্কুলই রয়েছে ১৫ হাজার ৯৮৪টি। প্রতিটি স্কুলেই প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী লাইব্রেরিয়ান, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মচারী ও গার্ড রয়েছে। অবসরে যাওয়ার পর বা নানা কারণে চাকরিচ্যুত হবার পর এসব পদ শূন্য হয় । তখনই এ সকল পদে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া শূন্য পদের বাইরেও শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে থাকে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি।
দেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুলে শিক্ষক রয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪৭ জন। মাধ্যমিক ও শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রতিমাসে গড়ে স্কুল ও কলেজের কমবেশি ১ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হন। গতমাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষক -কর্মচারীর সংখ্যা ১ হাজার ১৩১ জন। স্কুলের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হবার পরই একজন শিক্ষক এমপিওভুক্তির যোগ্য হন। তবে এমপিওভুক্ত হবার আগেই টাকা দিতে হয় নিয়োগ কমিটিকে।
শিক্ষকরা বলছেন, সরকারি স্কুলের পাশাপাশি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বেড়েছে। এ কারণে ঘুষ লেনদের পরিমাণও বেড়েছে। প্রধান শিক্ষক পদে ১০ লাখ, সহকারী শিক্ষক পদে ৮ লাখ, ভোকেশনাল শিক্ষক পদে ৭ লাখ ও মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ পেতে হলে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়া এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। মাধ্যমিক স্তরে শুধু শিক্ষক পদে নয়, এমএলএসএস ও নৈশপ্রহরী পদেও লাখ লাখ টাকার অনৈতিক লেনদেন হচ্ছে। এ কারণে মেধার প্রতিযোগিতা নয়, হয় টাকার প্রতিযোগিতা। যে বেশি টাকা দেবে তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে এমন একটি ঘোষণাও দেয় স্কুল কমিটি। আর এই অনৈতিক সুবিধা নিয়ে থাকে স্থানীয় শিক্ষা প্রশাসনও।
সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি নিয়োগ কমিটি রয়েছে। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদাধিকার বলে নিয়োগ কমিটির সভাপতি হন। প্রধান শিক্ষক সদস্য সচিব, মাউশির প্রতিনিধি (সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা) সদস্য হিসাবে থাকেন। এছাড়া বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের মধ্যে থেকে একজন প্রতিনিধি কমিটিতে থাকার সুযোগ আছে। এরা প্রত্যেকেই শিক্ষক নিয়োগের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
চলতি বছর রাজধানীর মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছিল। প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও তার আশপাশের ঘনিষ্ঠজনদের একটি চক্র এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী। একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটির অনিয়ম-দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিল।
কয়েকটি জেলা-উপজেলার খণ্ড চিত্র
মির্জাপুর:টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ৭টি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৫০টি, নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় ৪টি, টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ ৪টি ও ১৪টি মাদ্রাসা রয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদ পূরণের জন্য বিভিন্ন সময় শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। আর এই নিয়োগের সময় মোটা অঙ্কের নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। আবার কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদ না থাকলেও বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়ে টাকা আয়ের একটি পথ তৈরি করে কমিটি।
জানা গেছে, মির্জাপুর এস কে পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে শূন্যপদ রয়েছে এমন তথ্য দিয়ে ইংরেজি বিষয়ে ১ জন, সামাজিক বিজ্ঞানে দুই জন ও গণিতে ১ জনসহ মোট চারজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয় ২০১২ সালে। কিন্তু শূন্যপদ সমস্যাসহ নানা জটিলতার কারণে এই চার শিক্ষক দীর্ঘদিনেও এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। একইভাবে তরফপুর মাদ্রাসায় সামাজিক বিজ্ঞানের শিক্ষক নিয়োগে হয় অনিয়ম। মাদ্রাসার সুপার ও ম্যানেজিং কমিটি মিলে এক শিক্ষিকাকে শূন্যপদ দেখিয়ে তিন বছর পূর্বে নিয়োগ দেন। তার কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। উপজেলার অন্যান্য স্কুলেও রয়েছে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে এ ধরনের জটিলতা।
জীবননগর : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা দিয়ে নেওয়া হচ্ছে টাকা। আর এই নিয়োগ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে এখানে গড়ে উঠেছে সিন্ডিকেট। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে ওই এলাকার এক প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি প্রভাব বিস্তার করে থাকেন। তার অনুগত ছাড়া পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে নিয়োগ মেলে না। আর ওই সভাপতিরা ওই জনপ্রতিনিধির পক্ষে নিয়োগ বাণিজ্যের অর্থ সংগ্রহ করেন। একটি পদের জন্য একাধিক লোকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। যাদের নিয়োগ হয় না তারা টাকা ফেরত পেতেও ভোগান্তিতে পড়েন। এরকমই এক ঘটনায় আন্দুলবাড়িয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে জেল পর্যন্ত খাটতে হয়েছে।
উপজেলার ‘ম’ আদ্যক্ষরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪ জন সহকারী শিক্ষক ও ভোকেশনাল শাখায় ৩ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। জনশ্রুতি আছে এইসব পদের বিপরীতে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৬২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ‘ক’ আদ্যক্ষরের দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি থেকে ২ জন শিক্ষক নিয়োগে ১৬ লাখ টাকা, অপরটি থেকে ৪ জন শিক্ষক নিয়োগে ৩২ লাখ টাকা, ‘আ’ আদ্যক্ষরের একটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ১ জন শিক্ষক নিয়োগে ৮ লাখ টাকা, ‘ম’ আদ্যক্ষরের একটি দাখিল মাদ্রাসায় ২ জন শিক্ষক নিয়োগে ১০ লাখ টাকা, ‘র’ আদ্যক্ষরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ৮ লাখ টাকা নিয়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ওই উপজেলায় কয়েকটি স্কুলে এমএলএসএস ও নৈশপ্রহরী পদের জন্য ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়েছে।
কমলগঞ্জ: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ২৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৬টি মাদ্রাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পতনউষার উচ্চ বিদ্যালয়, কালেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, চিতলীয় উচ্চ বিদ্যালয়, ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় ও দয়াময় সিংহ উচ্চ বিদ্যালয়ে শূন্য পদসমূহে বিভিন্ন সময়ে ২ জন লাইব্রেরিয়ান, একজন প্রধান শিক্ষক, একজন সহকারী প্রধান শিক্ষক ও ৪ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়োগে ব্যাপক ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। গত ২৫ ডিসেম্বর চিতলীয় জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বড় ধরনের উেকাচ ও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কালেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুই জনকে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও লাইব্রেরিয়ান হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেখানেও ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনা ঘটেছে বলে একজন শিক্ষক অভিযোগ করেছেন।
মহম্মদপুর : সম্প্রতি মাগুরার মহম্মদপুরের পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের বনগ্রাম কিষাণ মজদুর সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে স্কুল ঘেরাও করে। ২৪ লাখ টাকা নিয়ে চার শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয় বলে জনতার অভিযোগ। উপজেলায় বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ পেতে হলে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। স্কুল সরকারি হয়ে যাবে এরকম প্রলোভন দেখিয়েও টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।দিনাজপুর: জেলায় বেসরকারি কলেজ, উচ্চ বিদ্যালয় এবং রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং এবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৭ লাখ ও সর্বোচ্চ ১২ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এসব নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে সরাসরি জড়িত থাকেন গভর্নিং বডির সদস্যসহ নিয়োগ কমিটির কর্মকর্তারা। তবে এটাকে কোনো অবস্থাতেই নিয়োগ বাণিজ্য হিসাবে মানতে রাজি নন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি এটি একটি প্রচলিত রেওয়াজ। কিন্তু ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করে হলেও নিয়োগ কমিটির কর্মকর্তাদের খুশি করতে হয়েছে।
ফেনী:প্রবেশপদে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ হওয়ার পূর্বেই ফেনী সদর, পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া, দাগনভূঁইয়া ও সোনাগাজী উপজেলার সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। আর এই নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT