টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

‘জোর যার- মুল্লুক তার’ টেকনাফে নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে…

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০১৩
  • ১৫০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফঃ            ‘জোর যার-মুল্লুক তার’ অতি প্রাচীণ এই প্রবাদের প্রমাণ মিলেছে। তাও আবার অঁজ পাড়া-গাঁয়ে নয়, ডিজিটালের এই যুগে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বড় হাবিরপাড়ায় চলছে মধ্য যুগীয় জায়দায় জবর দখল। তাদের লোভ, মৃত আলী আহমদের পুত্র অসহায় নিরীহ জহির আহমদের রেজেস্ট্রি কবলা মূলে ক্রয়কৃত ৫শতক জমি ও জমির উপর নির্মিত সেমিপাকা ৫ কক্ষ বিশিষ্ট দোকান। অভিযুক্তরা এতই বেপরোয়া যে, স্থানীয় সালিশ বিচার, থানায় পুলিশের উপস্থিতিতে বৈঠকের সিদ্ধান্ত, থানা পুলিশের নিষেধাত্তা, স্থানীয় এমপির নির্দেশ, বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা কিছুই তোয়াক্কা করছেনা। ২৭ মার্চ দুপুরে সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন কালে দেখা যায়- অভিযুক্ত প্রতিপক্ষরা জহির আহমদের মালিকানাধীন ভোগ দখলীয় ৫ কক্ষ বিশিষ্ট মার্কেট ভেঙ্গে ফেলে জমি জবরদখল করে পাকা মার্কেট নির্মাণ করছে।বর্তমানে জহির আহমদের মালিকানাধীন মার্কেটের সামান্য অংশ অবশিষ্ট আছে। জহির আহমদ জানান- টেকনাফ মৌজার বিএস সূজিত ২৭৩৪ খতিয়ানের ১৭১৯২ বিএস দাগের ৪৭ শতকের আন্দর ৫শতক জমি ২০০৫ সনের ২৮ মে ৮৭৫ নং রেজিষ্ট্রি কবলা মূলে ক্রয় করে ৫ কক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকা মার্কেট নির্মাণ পূর্বক ভোগদখল করে আসছিল। গত কিছুদিন আগে অভিযুক্ত একরাম, আবদুর রহমান, আবদুল করিম, আলী আহমদ, হাজী ফজল আহমদ, মোঃ হোছন, কামরুজ্জামান, আবদুল গফুর সাদ্দামসহ সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে দিনদুপুরে মাকের্টের টিনের ছালা খুলে এবং গাছপালা ভেঙ্গে নিয়ে যায়। এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অভিযোগ দাখিল করলে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ দল সরেজমিন একাধিকবার ঘটনাস্থল পরদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পান। স্থানীয় এমপি বিষয়টি অবহিত হলে তিনি আপোষ মিমাংসার নির্দেশ দেন। গত ১২ আগষ্ট উভয় পক্ষকে নিয়ে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ টেকনাফ মডেল থানায় তৎকালীন ওসির (তদন্ত) নেতৃত্বে বৈঠকে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৩ লাখ ১৮ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ও জরিমানা করা হয়েছিল। একই সাথে জবর দখল থেকে বিরত থাকতে অভিযুক্তদের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযুক্তরা তা অগ্রাহ্য করে জবর দখল অব্যাহত রাখে। তারা জহির আহমদের মালিকানাধীন মার্কেটের ভাংচুর লুটপাট করে। তাছাড়া মার্কেটের দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে জবরদখল পূর্বক অভিযুক্তরা তাদের মার্কেট নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে। গত ১১ মার্চ উল্লেখিত ৯ জনকে বিবাদী করে বিজ্ঞ আদালতে নিষেধাজ্ঞার মামলা করে। একই সাথে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে এডভোকেট কমিশণার নিয়োগের আবেদন করে। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশক্রমে ১৫ মার্চ বিজ্ঞ এডভোকেট কমিশণ সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। এরপর বিজ্ঞ আদালত অভিযুক্তদের প্রতি নোটিশ এবং নিষেধাজ্ঞা জারী করলে ও অভিযুক্তরা তার তোয়াক্কা করছেনা। অভিযুক্তরা পুলিশ বিজিবির উপর হামলা, ইয়াবা চোরাচালানসহ বিভিন্ন মামলার ফেরারী আসামী বলে জানা গেছে। ##

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT