টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
জেএসসির সার্টিফিকেট মিলবে অনলাইন রেজিস্ট্রেশনে হ্নীলায় মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে দেওয়া ঘর পরিদর্শনে ইউএনও মেরিনড্রাইভে টমটম দুর্ঘটনায় শিশু নিহত রোহিঙ্গা হিসেবে কোনো বাংলাদেশি সৌদিতে গিয়ে থাকলে পাসপোর্ট দেব খসড়া তালিকা প্রকাশ : দেশে মোট ভোটার ১১ কোটি ১২ লাখ ৮৪,১৫৮ জন বেওয়ারিশ ইয়াবায় ভাসছে টেকনাফঃ বিজিবি’র অভিযানে আবার ৫লাখ ২০হাজার ইয়াবা উদ্ধার সামরিক শক্তি র‍্যাংকিংএ বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তমঃ শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনফিল্ড স্কুল এন্ড কলেজে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি টেকনাফে ‘মারোতের’ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ১০১ মানসিক রোগীদের খাবার ও শীতবস্ত্র বিতরণ একটি কেন্দ্র ছাড়া আর কোথাও ধানের শীষের এজেন্ট দেখিনি’

জেলাসদর হাসপাতালের গাইনী ডাক্তার’র অবহেলায় রোগীর মৃত্যু

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • ২৫০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক…জেলা সদর হাসপতালের গাইনী ও প্রসূতি বিভাগের জরুরী বিপদ মুহুর্তের অব্যাহত সেবাকে ব্যাহত করছেন একজন সিনিয়র গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। ব্যাপক তথ্যানুসন্ধানে ও রোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সদর হাসপাতালের গাইণী বিশেষঞ ডাঃ আবুল কালাম আজাদ প্রতিনিয়ত রোগীদের সাথে দুব্যর্বহার করে। অন্য কোন গাইনী ডাক্তারের রোগী হলে প্রয়োজন না হলেও অহেতুক পরীক্ষা, নিরীক্ষা দিয়ে হয়রানী করে। তাছাড়া সামান্য রক্ত যাওয়া, অথবা সিজার হওয়া রোগীর

সেলাইয়ে রক্ত জমাট(হেমাটোমা) হলেই রোগীকে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে গত রমজানের ঈদের আগের দিন এ পতিবেদকের সামনে সদর হাসপাতালেই সিজার হওয়া সাহেদা সোলতানা নামের এক রোগীকে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে দেয়। এতে রোগীটিকে ইদের আগমুহুর্তে হওয়ায় অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়।এভাবে ডাঃ আজাদ রোগীর ভোগান্তি বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া সিজার হওয়া অনেক রোগীদের অবস্থা ভাল না হওয়ার আগেই সিট কেটে দেয় যার ফলে রোগীদের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে গেলে অন্যান্য গাইনী ডাক্তারদের ইউনিটে ভর্তি হলে বিব্রতকর পরিস্থিতে পড়তে হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাদিক গাইণী কনসালটেন্ট জানান,সামান্য হেমাটোমা রোগীকে চমেকে রেফারের কোন দরকার নেই। জেলা সদর হাসপাতালেই নিয়মিত ডেসিং করলেই তা সেরে যায়।এদিকে গত ০৯ সেপ্টেম্বর গাইনী ও প্রসূতি বিভাগে ছিল উক্ত আবুল কালাম আজাদের ডিউটি । রাতে প্রসব যন্তনা নিয়ে কুতুপালং ক্যাম্পের রশিদা বেগম নামের এক মহিলা রোগী ভর্তি হলে রোগীর অবস্থা বেগতিক দেখলে হাসপাতাল থেকে নিযম মোতাবেক কল দেয়ার পরও ডাক্তার আবুল কালাম আজাদ না আসায় জরুরী কল পাঠানো হয় তবু চেম্বার থেকে হাসপাতালে না আসায় উক্ত রোগী মারা যায় । এ ঘটনার এব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা সদর হাসপাতালর তত্তাবধায়ক ডাঃ অজয় ঘোষ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। গাইনী ও প্রসূতি সেবার মত গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সেবা নিয়ে ডাক্তার আবুল কালাম আজাদের দায়িত্বে অবহেলার ব্যাপারে ব্যাবস্থা নিতে উধ্বতন কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন সচেতন মহল। সংবাদদাতা বাবুলমিয়া মাহমুদ ০১৮১৯০৩১১২৪

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT