টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

‘জীবনে ফেরা’ শিশুটির জীবন দেখা হল না

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৬
  • ৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বুধবার বেলা দেড়টায় বন্দরনগরীর ম্যাক্স হাসপাতালের মহাব্যবস্থাপক রঞ্জনপ্রসাদ দাসগুপ্ত জানান, মারা গেছে মেয়েটি।সোমবার রাতে নগরীর প্রবর্তক মোড়ের বেসরকারি হাসপাতাল সিএসসিআরে ওই শিশুর জন্ম হয়। তার মা রিদওয়ানা কাউসার বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডেন্টাল সার্জন; আর বাবা নুরুল আজম কক্সবাজার জেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার।জীবিত সন্তানকে মৃত ঘোষণার জন্য সিএসসিআরের নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) কর্তব্যরত চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন তারা।ডা. রিদওয়ানা মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সোমবার রাত ১টায় তাকে লেবার রুমে নেওয়ার দু্ই ঘণ্টা পর তার বাচ্চাকে মৃত ঘোষণা করেন এনআইসিইউয়ে দায়িত্বরত চিকিৎসক।“একটা প্যাকেটে আমার বাচ্চাকে আমার কেবিনে দিয়ে যায় তারা। আমি প্যাকেট খুলে দেখি আমার বাচ্চার চেস্ট মুভমেন্ট ও গ্যাসপিং রেস্পিরেশন (লম্বা শ্বাস) হচ্ছে।“দ্রুত আমার বাচ্চাকে নিওনেটালে পাঠালে ওরা বারবার বাচ্চাকে মৃত বলতে থাকে। বাচ্চার মুভমেন্টকে তারা পাত্তাও দিল না। একটু ধরেও দেখল না।”এরপর শিশুটিকে সিএসসিআর থেকে নেওয়া হয় ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে। সেখান থেকে পরে নেওয়া হয় ম্যাক্স হাসপাতালে।মঙ্গলবার রাতেও মেয়েকে নিয়ে আশায় ছিলেন রিদওয়ানা; বলেছিলেন, সে মোটামুটি সুস্থ আছে।সিএসসিআর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলায় অভিযোগ এনে তিনি বলেন, “তারা যদি বাচ্চাটাকে অক্সিজেন সাপোর্ট দিত, রিসাসিটেইট (জীবন ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা) করত, তাহলে ওর কন্ডিশন ইমপ্রুভ করত।”ম্যাক্স হাসপাতালের চিকিৎসক মৌ জানিয়েছিলেন, সুস্থ নবজাতকের ওজন ২ দশমিক ৩ থেকে ২ দশমিক ৫ কিলোগ্রাম হয়, সেখানে রিদওয়ানার মেয়ের ওজন মাত্র ৫০০ গ্রাম।নবজাতকটিকে ‘মৃত’ ঘোষণার বিষয়টি তদন্তে এক সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছে সিএসসিআর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।  এদিকে জীবিত নবজাতককে ‘মৃত ঘোষণা’ করার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে সিভিল সার্জন অফিস।শিশু বিশেষজ্ঞ মো. শাহ আলমকে আহ্বায়ক করে গঠিক এ কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- ডেপুটি সিভিল সার্জন অজিত কুমার দে ও সিভিল সার্জন অফিসের প্রধান সহকারী এসএম সাহেদুল ইসলাম।চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, “স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে গঠিত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।”

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT