হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপ্রচ্ছদ

চার জেলেএখন টেকনাফে

জসিম মাহমুদ::

বিভিন্ন মেয়াদে মিয়ানমারের কারাগারে সাজা খোটা চারজন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত এনেছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)।

আজ বুধবার প্রায় দেড় ঘণ্টা পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে তাদের হস্তান্তর করেন মংডু অভিবাসন বিভাগের কর্মকর্তারা।

ফেরত আসা বাংলাদেশিরা হলেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়ার মৃত হোসাইন আহমদের ছেলে মোহাম্মদ জসিম (৪৪), আব্দুল গফুরের ছেলে মোহাম্মদ ইলিয়াছ (২৯), একই ইউনিয়নের মৌলভীপাড়ার আবুল কালামের ছেলে আজগর আলী (৩৯) এবং সুলতান আহমদের ছেলে সাব্বির আহমেদ (৩৬)।

টেকনাফ ২ বিজিবি জানায়, ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দারের আজ সকালে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মিয়ানমারে যায়। মংডু শহরে ১ নম্বর এন্ট্রি পয়েন্ট ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট অভিবাসনের সম্মেলন কক্ষে উভয় দেশের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আট সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন মংডু অভিবাসন বিভাগের কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক ইউ থং টুন অং।

পতাকা বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার ভূমি টেকনাফ প্রণয় চাকমা, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি পরির্দশক (তদন্ত) এ বি এস এম দোহা, এসবির পরিদর্শক মিজানুর রহমান প্রমুখ।
প্রায় দেড় ঘন্টা বৈঠক শেষে দুপুর দেড়টার দিকে প্রতিনিধিদল স্পিডবোট যোগে টেকনাফ ট্রানজিট জেটিঘাটে আসেন। এ সময় ফেরত আসা চারজন বলেন, ২০০৮ সালের শেষ দিকে নাফনদী থেকে তাদের ধরে নিয়ে গিয়েছিল সেদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা। পরে বিভিন্ন মেয়াদে তাদের সাজা হয়। সাজার মেয়াদ শেষ হলে বিজিবির প্রচেষ্টায় দেশে ফেরেত আসেন তারা।

টেকনাফ ২ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জমাদ্দার বলেন, আজগর আলী ও সাব্বির আহমদের (দুজনের) ২৫ বছর ও অপর দুজনের মোহাম্মদ জসিম ও মোহাম্মদ ইলিয়াছের ২১বছর করে সাজা হয়েছিল। এর মধ্যে তারা সাড়ে নয় বছর সাজা শেষ করে (আজ) বুধবার ফিরেছে। স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর এ চারজনকে ফেরত আনা হয়েছে। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এ বি এম এস দোহা বলেন, ফেরত আনা চারজনকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.