টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

চরম ভোগান্তিতে শাহপরীর দ্বীপের ১৪ গ্রামের ৪০হাজার মানুষ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ১৪৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
জসিম মাহমুদ ::

পবিত্র ঈদু20150802_111454ল আযহার চতুর্থদিনে গতকাল সোমবার সকালে পূর্ণিমার অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি খোলা বেড়িবাধ দিয়ে লোকালয়ের পাশাপাশি বাড়িঘরে ডুকে পড়ে ঈদের আনন্দ অ¤œান করে দিয়েছে। ঈদের আনন্দে যখন পুরো দেশের মানুষ ভাসছে ঠিক তখনি টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের ১৪গ্রামের ৪০হাজার মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন জানান, গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার থেকে বঙ্গোপসাগরে অস্বাভাবিক পূর্ণিমার জোয়ার শুরু হয়। যার উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে তিন-চার ফুট বেশি। সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিমপাড়া অংশের তিন কিলোমিটারের বেশির ভাগ এলাকায় বেড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ারের পানি সহজেই ইউনিয়নের ভেতরে ঢুকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন জানান, অস্বাভাবিক জোয়ারে হারিয়াখালী, কচুবনিয়া, লাফাঘোনা, ঘোলাপাড়া, ক্যা¤পপাড়া, মাঝরডেইল, জালিয়াপাড়া, বিলপাড়া, মগপুরা, উত্তরপাড়া, ডাংগরপাড়া, পশ্চিমপাড়া, মাঝরপাড়া, দক্ষিণপাড়া এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামের বেশির ভাগ গ্রামীণ সড়ক ও বাড়িঘর এখন পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে নিমজ্জিত। বিলপাড়ার হামিদ হোসেন ও উত্তরপাড়ার রেজাউল করিম রেজু বলেন, সবাই যখন ঈদ আনন্দের জন্য প্রহর গুনছে ঠিক সে সময়েই চরম হতাশা আর নিরানন্দের মধ্যে দিন কাটছে। বেড়িবাঁধ না থাকায় ঘরবাড়িতে পানি ওঠে যায়। বর্তমানে বেশির ভাগ বাড়িতে রান্না করে খাওয়ার অবস্থাও নেই। এলাকার লোকজন বলেন, সাগরের ঢেউ এসে বাড়িতে আঘাত করায় তাঁরা বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে আছেন। চলতি বছরের ৩০ জুলাই ঘূর্ণিঝড় কোমেনের আঘাতে তিনশতাধিক পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে অন্যত্রে চলে গেছে। পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে ভরপুর হওয়ায় যাদের সঙ্গতি আছে তারা নৌকায় চলাচল করছে। যাদের সামর্থ্য নেই তারা জোয়ার-ভাটার ওপরে নির্ভরশীল হয়ে আছে। তিন বছর ধরে এমন দুরাবস্থা চলছে এসব মানুষের। সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান বলেন, ঈদের আনন্দে যখন পুরো দেশের মানুষ ভাসছে ঠিক তখনি শাহপরীর দ্বীপের ৪০হাজার মানুষের ঈদের আনন্দ পূর্ণিমার অস্বাভাবিক জোয়ারে ভেসে গেছে। তাঁর ইউনিয়নের ১৪টি গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে চুলায় আগুন দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার ভূমি জাহিদ ইকবাল বলেন, ঈদের চতুর্থদিনের শাহপরীর দ্বীপের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বর্তমানে শাহপরীর দ্বীপের ১৪টি গ্রাম এখন চেনার উপায় নেই। সর্বত্র পূর্ণিমার পানিতে থৈ থৈ করছে। সবাই রয়েছে পানিবন্দী। খাল-নদী আবাদি জমি সব পানিতে একাকার হয়ে গেছে। – See more at: http://ukhiyanews.com/archives/5481#sthash.knvVB6xS.X7afmHvW.dpuf

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT