টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি হ’ত্যার পর মায়ের মাংস খায় ছেলে ব্যাংকে লেনদেন এখন সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন বাড়ল মডেল মসজিদগুলোয় যোগ্য আলেম নিয়োগের পরামর্শ র্যাবের জালে ধরা পড়লেন টেকনাফ সাংবাদিক ফোরামের সদস্য ও ইয়াবা কারবারি বিপুল পরিমাণ টাকা ও ইয়াবা উদ্ধার রোহিঙ্গাদের তথ্য মিয়ানমারে পাচার করছে জাতিসংঘ: এইচআরডব্লিউ

চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ.লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ আগস্ট, ২০১৮
  • ৭১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক::
স্কুল শিক্ষিকাকে মারধর ও শ্লীলতাহানীর মামলায় চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছে আদালত।
বুধবার (৮ আগষ্ট) বিকালে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে কোর্ট পিটিশন নং-১৭৮/১৭ শুনানী শেষে এ রায় দেন আদালতের বিচারক এএইচএম মাহমুদুর রহমান।
সেই সাথে অপর দুই আসামী জাফর আলমের স্ত্রী শাহেদা জাফর এবং পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের পালাকাটার বাসিন্দা মৃত আহমদ শাহাব উদ্দিনের স্ত্রী মালেকা বেগমের বিরুদ্ধে ১২৩ ধারার অপরাধ আমলে নিয়ে সমন দিয়েছে আদালত। মামলাটি পরিচালনা করেন এডভোকেট আব্দুর রহমান।

জানাযায়, ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারী চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলমসহ তিনজনের বিরুদ্ধে কোর্ট পিটিশন নং-১৭৮/১৭ মামলাটি করেন মালুমঘাট রিংভং দক্ষিণ পাহাড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হুমায়রা আজাদী (৪০)। বাদীনি ওই এলাকার আলী আহমদের স্ত্রী।
একই বছরের ৩০ মার্চ মামলাটি তদন্তপূর্বক আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন জেলা প্রশাসক (তৎকালীন) মোঃ আলী হোসেন।
প্রতিবেদন পক্ষপাতদুষ্ট ও নিরপেক্ষ হয়নি জানিয়ে ২২ মে আদালতে নারাজি (অসম্মতি) দেন বাদিনী হুমায়রা আজাদী। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ১৪ মাস পর ৮ আগষ্ট ওই নারাজি শুনানী করেন আদালতের বিচারক।
বাদিপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রহমান জানান, ২০১৭ সালের ২৮ জানুয়ারী সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে স্কুলে দায়িত্ব পালনকালে শ্রেণীকক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে প্রধান শিক্ষিকা হুমায়রা আজাদীকে ব্যাপক মারধর ও শ্লিলতাহানী করে। যা সাধারণ ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা প্রত্যক্ষ করেছে। এ ঘটনায় ভিকটিম শিক্ষিকা আদালতের আশ্রয় নেন।
আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তৎকালীন জেলা প্রশাসককে তদন্তভার দিলে তিনি প্রভাবমুক্ত থেকে প্রবিবেদন দেননি। অধিকন্তু ঘটনার বিপরীত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে বাদিনীর নারাজি যৌক্তিক হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক তা আমলে নিয়ে প্রধান আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ও বাকী দুই আসামীর বিরুদ্ধে সমন দেন বলে জানান।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT