হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

প্রচ্ছদস্বাস্থ্য

গ্রীষ্মের সাত ধরনের কাশি ও স্বাস্থ্যকথা

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক::  গ্রীষ্মে নানা ধরনের রোগ-বালাই দেখা দেয়। দাবদাহ, ঘাম ইত্যাদি মিলিয়ে সর্দি-কাশি অনেকের লেগেই থাকে। বহু মানুষের আবার অ্যালার্জিঘটিত সমস্যা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, নানা ধরনের কফ হতে পারে। একেক ধরনের কফ একেক রকম স্বাস্থ্যগত তথ্য দেয়। এখানে এ বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিন।

১. পোস্টনাসাল ড্রিপ : কাশি হলে তা শুষ্ক বা ভেজা মনে হতে পারে। এতে গলার নিচে শ্লেষ্মা অনুভূত হয়। বিশেষ করে রাতে প্রচণ্ড কাশি হতে পারে। এ ধরনের কাশির সময় চোখে চুলকানি হতে পারে। নাক দিয়েও পানি পড়ে। দুই সপ্তাহের বেশি এ অবস্থা থাকলে চিকিৎসকের কাছে যান।

২. অ্যাজমা : শুষ্ক কাশি হবে এবং বুকে সাঁ সাঁ আওয়াজ হবে। এ নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হবে। রাতে এবং পরিশ্রমের সময় কাশি মারাত্মক কষ্ট দেয়। অ্যাজমা রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৩. জিইআরডি : আকস্মিক শুষ্ক কাশি হয়। এটা গ্যাস্ট্রোএসোফাগেল রিফ্লাক্স রোগের একটি অংশ জিইআরডি। পাকস্থলী থেকে গ্যাস এসোফাগাসে চলে আসলে এ ধরনের কাশি হতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী কাশির সমস্যা ঘটাতে পারে জিইআরডি।

৪. সিওপিডি : ক্রমাগত কাশি হতে থাকে এবং প্রচুর পরিমাণে শ্লেষ্ম উৎপন্ন হয়। বিশেষ করে সকালের দিকে এ কাশি বেশি হয়। ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস এবং এমফাইসেমা রোগের যোগ থাকতে পারে এ ধরনের কাশির সঙ্গে। মূলত ধূমপানের কারণে এই কাশি হতে পারে।

৫. চিকিৎসাজনিক কফ : এসিই গ্রুপের কিছু ওষুধ গ্রহণের কারণে এক ধরনের শুষ্ক কাশি হয়। এ সময় উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হতে পারে। এ ধরনের ওষুধ গ্রহণের কয়েক সপ্তাহ পর থেকেই কাশি শুরু হতে পারে।

৬. নিউমোনিয়া : প্রাথমিক অবস্থায় শুষ্ক কাশি দিয়ে শুরু হলেও কিছু দিনের মধ্যে কাশি ভেজা মনে হয়। কফের রং হলুদ, সবুজহ এবং মরচে রংয়ের হতে পারে। এর সঙ্গে জ্বর ও জ্বালাপোড়া হয়।

৭. হুপিং কফ : কাশির সঙ্গে নিঃশ্বাসের শব্দে বাতাসের সোঁ সোঁ শব্দ হয়। যদিও এই রোগটি আর দেখা যায় না, তবুও সাবধান থাকা ভালো। সূত্র : ফক্স নিউজ

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.