টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

করোনার উপসর্গ দেখা দিলে ‘আইসোলেশনে’ থাকবেন যেভাবে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৩২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

দেশজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলে বা সন্দেহ হলে প্রথমেই আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে পুরোপুরি আলাদা থাকতে হবে। তা না  হলে বাসা, পরিবার, কর্মস্থল, বা সামাজিক পরিমণ্ডলে অন্য যারা আছেন তাদের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণত জ্বর ও শুকনো কাশির মাধ্যমে করোনাভাইরাসের লক্ষণ প্রকাশ পায়। ধীরে ধীরে গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দেয়। এবার অবশ্য অনেকের পেটের সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে প্রথমেই নিজেকে অন্যদের সংস্পর্শ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে ফেলতে হবে।

অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, সেলফ আইসোলেশনে কিভাবে থাকবেন। বিষেজ্ঞদের মতে, করোনার লক্ষণ থাকলে ঘরে থাকতে হবে। কর্মস্থল বা লোকসমাগম হয় এমন কোন প্রকাশ্য স্থানে যাওয়া বন্ধ করতে হবে। এছাড়া গণপরিবহন এড়িয়ে চলতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইসোলেশনে থাকার সময় ভালোভাবে যাতে ঘরে বাতাস যায় এজন্য জানালা আছে এমন একটি ঘরে থাকার চেষ্টা করতে হবে। বাসার অন্য লোকদের থেকে আলাদা থাকতে হবে। আপনাকে কেউ যেন ‘দেখতে না আসে’ তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাজার-হাট কিংবা ওষুধের মতো দরকারি কোনো জিনিস কিনতে হলে পরিবারের সদস্য, বন্ধুদের বলুন।

আপনার জন্য কেউ খাবার বা জিনিসপত্র দিতে এলে ঘরের দরজার বাইরে সেগুলো রেখে দিতে বলুন। কারো বাড়িতে কেউ আইসোলেশনে থাকলে ঘরের মেঝে, টেবিল চেয়ারের উপরিভাগ প্রতিদিন তরল সাবান বা অন্য জীবাণূনাশক কিছু দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত।

যদি ঘরে থাকার জন্য আলাদা রুম না থাকে থাহলে ঘরের অন্য সদস্যদের সাথে যতটা সম্ভব সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে। সেক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ মিটার বা ৬ ফুট দূরে থাকতে হবে। ঘুমানোর সময় একা  ঘুমাতে হবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ যাদের জন্য বেশি বিপজ্জনক হতে পারে – যেমন বয়স্ক মানুষেরা – তাদের থেকে দূরে থাকতে হবে। আইসোলেশনে থাকা কোন ব্যক্তির সাথে যারা এক বাড়িতে বসবাস করছেন, তাদের ঘন ঘন হাত ধুতে হবে। বিশেষ করে সংক্রমিত কারো সংস্পর্শে আসার পর অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে।

এছাড়া আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে তোয়ালে, টুথপেস্ট, সাবান, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার বা এরকম কোন টয়লেট্রিজ জিনিস ব্যবহার করা যাবে না।

আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তির আলাদা একটি বাথরুম ব্যবহার করা উচিত। সেটা সম্ভব না হলে নিয়ম করে সেটা ব্যবহার করতে হবে। আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তির ব্যবহারের পর সম্ভব হলে সেটি ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

যিনি আইসোলেশনে আছেন তার ফেলা বা সংস্পর্শে আসা সব রকম আবর্জনা একটি ময়লার ব্যাগে ভরে তা আবার আরেকটি ব্যাগে করে রাখুন। আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তির করোনাভাইরাস নিশ্চিত হলে ওই আবর্জনা কীভাবে ফেলতে হবে, সে ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সূত্র : বিবিসি

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT