টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
মুসলিমদের অধিকার রয়েছে ফরাসিদের শাস্তি দেওয়ার : মাহাথির হ্নীলায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল রাসূল বিদ্ধেশী ফ্রান্সের সকল পন্য বয়কট করে নবীপ্রেম প্রকাশ করুন কোভিড-১৯: বিশ্বে একদিনে ৫ লাখের বেশি রোগী শনাক্ত রোহিঙ্গা প্রশ্নে ‘বন্ধু দেশগুলোর’ ভূমিকায় হতাশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নারীর হিজাব ও পুরুষের টাকনুর উপরে কাপড় পরার নির্দেশনা শাহপরীরদ্বীপের আমান উল্লাহ রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আটক হোয়াইক্যং চেকপোস্টে ৫৬ ভরি স্বর্ণসহ পাচারকারী আটক টেকনাফে সওতুল হেরার আয়োজনে ফ্রান্সে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নকল ও অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটে বন্ধ থাকবে সিম

‘কঠোর কীভাবে হতে হয়, জানা আছে’

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • ১৮৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাম্প্রতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দূর করতে প্রয়োজনে কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শনিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের শুরুতে তিনি বলেন, “কঠোরতার সঙ্গে নয়। আমরা বুঝিয়ে শুনিয়ে সমাধান করতে চাই। তবে কঠোর কীভাবে হতে হয়- তা আমাদের জানা আছে।”
বুয়েটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অসন্তোষের বিষয়টিকে ‘দুঃখজনক’ হিসাবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেন। কিন্তু একে পছন্দ নয়, ওকে পছন্দ নয়, কে থাকবে, কে থাকবে না- তার জন্য কয়েকজন শিক্ষক নেমে গেলেন।”
উপাচার্যের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের কর্মসূচিতে ছাত্রদের সম্পৃক্ত করারও সমালোচনা করেন তিনি।
সম্প্রতি উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষকদের পথ অনুসরণ করে আন্দোলন শুরু করেন বাংলাদেশপ্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ক্লাস বর্জন শুরু করলে বিশ্ববিদ্যালয় অচল হয়ে পড়ে।
সর্বশেষ অচলাবস্থা নিরসণে গেল সপ্তাহে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ উপ-উপাচার্যের অপসারণসহ অন্যান্য দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিলেও বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ক্লাসে না ফেরার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে।
শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনার ছেলেকে বেয়াদব বানালে। একদিন সে ছেলে আপনাকেও চড় মারবে।”
বুয়েটের উপাচার্যের বিরুদ্ধে কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীদের নিজেদের রক্ত নিয়ে সিঁড়িতে ফেলে রাখার ঘটনাকে ‘বিকৃত মানসিকতা’ হিসাবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “কীভাবে একটা ছেলে একটা মেয়ের শরীর থেকে রক্ত নেয়। কীভাবে আবার তা সিঁড়িতে ফেলে রাখে। এই বিকৃত মানসিকতা কোথা থেকে আসে।”
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, “অফিস থেকে ছবি সরালেন। ছাত্রদের নামালেন। যারা সহকর্মীদের অপমান করলেন, তারাও একদিন অপমানজনক পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন। ছাত্রদের যে জিনিস শেখাচ্ছেন, সে পরিস্থিতে তারাও পড়তে পারেন।”
শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন থেকে মূল্যবান সময় নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠকের পর শিক্ষকদের ভোল পাল্টে ফেলার সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “সমস্যা সকলে জানাতে পারেন। আমরা তো অবহেলা কারি না। অনেকে আমাদের কথা দিয়ে যান, পরে তা রাখেন না- এটা দুঃখের বিষয়।”

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT