টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

কক্সবাজার প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নামে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০১৩
  • ১৪০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

জেলা সমিতির বিবৃতি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ- বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের একটি প্রাণের ঠিকানা। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে শিক্ষকদের জাতীয় করণ সহ বিভিন্ন দাবী দাওয়া আদায়ে এ সংগঠনের ভূমিকা অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল। সম্প্রতি এই সংগঠনকে নিয়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল স্থানীয় পত্র পত্রিকা সহ বিভিন্ন ভাবে বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচারের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কক্সবাজার জেলা শাখা সংশ্লিষ্ট সকলের বিভ্রান্তি নিরসনে নিজস্ব বক্তব্য দেওয়া সমিচীন মনে করেন।  ১৯৩৫ সালে সাবেক বৃহত্তর পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি থেকে বিভিন্ন ধারাবাহিকতায় ২০০৮ সালে ঢাকায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনষ্টিটিউটে  অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে জনাব নুরুল আবছারকে সভাপতি ও বিশিষ্ট কলামিষ্ট ছিদ্দিকুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটির সভাপতি নিজের আখের গোছানোর জন্য কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজসে কমিটিকে বিলুপ্ত করার অপচেষ্টা চালালে সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব ছিদ্দিকুর রহমান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মুহিব উদ্দিন চৌধুরী সারা বাংলাদেশের সমিতির প্রতি নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকদের সাথে নিয়ে তা রুখে দাঁড়ান। এ প্রেক্ষিতে সংগত কারণে ঢাকা জজ কোর্টের নভেম্বর/২০১১ এর এক আদেশ মূলে সমিতির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হয়ে যথারীতি নির্বাচন কমিশন গঠন করে ঢাকাস্থ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনষ্টিটিউটে ১০ ফেব্র“য়ারী ২০১২ সালে সারা বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কাউন্সিলর ও ডেলিগেটের স্বতষ্ফুর্ত উপস্থিতিতে পানি সম্পদ মন্ত্রী রায় রমেশ চন্দ্র সেন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. শাহ-ই-আলম ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশারকে সভাপতি ও জনাব আনোয়ারুল ইসলাম তোতাকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি ৪ এপ্রিল ২০১২ সালে ঢাকাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব এইচ.টি ইমাম মহোদয়ের উপস্থিতিতে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষক প্রতিনিধির সমাবেশের মাধ্যমে অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। (যার সিডি ও পেপার কার্টিং সংরক্ষিত) এমতাবস্থায় বাশার-তোতার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি এক্সিকিউটিব কমিটি, রেজিষ্ট্রার অব জয়েন স্টক কোম্পানী এর বরাবরে অনুমোদনের জন্য জমা দিলে পদ বঞ্চিত কিছু শিক্ষক নেতা তার বিরোধীতা শুরু করেন। এ ক্ষেত্রে পদ লোভী ও পদবঞ্চিত তথাকথিত শিক্ষক নেতা নুরুজ্জামান ও আব্দুল্লাহ সরকার সহ কক্সবাজার জেলা কমিটির এক সাবেক নেতা বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নামে তড়িঘড়ি করে হোটেল কক্ষে বসে একটি কাউন্টার কমিটি জমা দেন। পাশাপাশি উক্ত দূর্লোভী তথাকথিত শিক্ষক নেতৃবৃন্দ কক্সবাজার জেলার সাবেক নেতা মাষ্টার শফিকুল হক সহ বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির প্রতি আস্থা হারিয়ে তৎপূর্বে ভিন্ন একটি সংগঠন “বাংলাদেশ প্রাইমারী টিচার্স সোসাইটি” গঠন করে জয়েন স্টকে নিবন্ধনের জন্য তথাকথিত শিক্ষক নেতা নুরুজ্জামান নিজেকে সভাপতি হিসেবে  এবং অন্যদের অন্য পদে নাম দিয়ে একটি কমিটি ও রশিদমূলে ফি  অনলাইনে জমা দেন। সার্বিক বিবেচনার জয়েন স্টক কোম্পানী গত ২১/১১/২০১২ সালে ১৪১৩৫ নং মেমো মূলে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বাশার-তোতার নেতৃত্বাধীন এক্সিউটিভ কমিটি অনুমোদন দেন। এরপর এ কমিটি প্রধান শিক্ষকদের ২য় শ্রেণী পদ মর্যাদা ও সহকারী শিক্ষকদের জন্য সম্মানজনক স্কেলের দাবীতে ৮টি বিভাগীয় শিক্ষক সমাবেশ, স্মারক লিপি প্রদান, ঢাকায় মানবন্ধন ও র‌্যালী, কর্ম বিরতি পালন করে আসছেন। এছাড়াও গত ৮/১১/১২ইং ও ১১/১/১৩ইং তারিখ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক  মহোদয়ের সাথে মত বিনিময় করেন। গত ২৭/১১/১২ ইং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে সাক্ষাত, ১০ই মার্চ ২০১৩ প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের সাথে তার মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎকার ও সর্বশেষ ১২/৬/১৩ইং তারিখে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিবের সাথে দীর্ঘ আলোচনা করেন। (সাক্ষাৎকার সমূহের চিঠি সংরক্ষিত)। এমতাবস্থায় বাশার-তোতার নেতৃত্বাধীন কর্মকান্ডে ইর্ষান্বিত হয়ে  এবং সারাদেশের শিক্ষকদের প্রাণের দাবী সমূহ অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছার প্রাক্কালে কতিপয় স্বঘোষিত ভূঁইফোঁড়নেতা অবৈধ ভাবে সমিতির প্যাড ও পদ পদবী ব্যবহার করে শিক্ষক সমাজের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত আছেন। এমতাবস্তায় উক্ত কুচক্রি মহল মহামান্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করে ঐ শিক্ষক নেতাগণ মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের অপব্যাখ্যা করে বিভিন্ন পত্র পত্রিকার প্রেরণ করেন। এছাড়াও ইতিপূর্বে ঐ কুচক্রি মহল সমিতির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও অভিষেক অনুষ্ঠান ব্যাহত করার কুমানষে ঢাকা জজ কোর্টে দুইটি আলাদা মামলা করে ব্যর্থ হন। শিক্ষক রাজনীতির বরপুত্র কক্সবাজার জেলা শাখার সম্পাদক আবুল কালাম একজন নিবেদিত প্রাণ আদর্শ সংগঠক ও সাদা মনের মানুষ হিসাবে পরিচিত। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচিত সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দের নামে কুরুচিপূর্ণ ও অশিক্ষক সুলভ বক্তব্যের মাধ্যমে তাদের দীনতার প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য তথা কথিত শিক্ষক নেতা জনৈক নুরুজ্জামান ও আব্দুল্লাহ সরকারকে গত ১৩ নভেম্বর ২০১২ ইং কেন্দ্রীয় কমিটির অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত ৭ এর (খ) মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙখলা পরিপন্থী ভূমিকার কারণে বরখাস্ত করা হয়। উক্ত বরখাস্তকৃত ব্যক্তিবর্গের অন্যকে বহিস্কার করা ঢাল তলোয়ার বিহীন নিধিরাম সর্দারের ফাঁকা আওয়াজ দিয়ে বাঘ শিকার করার খায়েশ বলে জেলা সমিতি মনে করে। এমতাবস্থায় জেলা কমিটির সাবেক বিতর্কিত নেতা মাষ্টার শফিকুল হক ও তার দুুই অন্ধ অনুগামী স্থানীয় দৈনিকে যে বক্তব্য দিয়েছে তাতে বিভ্রান্ত না হতে জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ, উপজেলা, ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ ও সমিতির প্রাথমিক সদস্য সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হল।

স্বাক্ষরিত//

১। শামসুল আলম, ভারপ্রাপ্ত  সভাপতি, জেলা শাখা। (০১৮১২-৩৪১১৩০)

২। আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক, জেলা শাখা। (০১৮১৫-১৪১০১৭)

৩। সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটি। (০১৮১৬-২৫২১৩৮)

৪। শহিদুল আলম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটি ও সহ-সভাপতি জেলা কমিটি। (০১৮১২-৭৬৭৬৮৯)

৫। মোঃ রেজাউল করিম, কাব-স্কাউট সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটি ও মিডিয়া সম্পাদক জেলা কমিটি। (০১৮২১-৮১৮৬৯২)

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কক্সবাজার জেলা শাখা।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT