টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গুলিতে সিএনজি চালক খুন তালিকা দিন, আমি তাঁদের নিয়ে জেলে চলে যাব: একজন পুলিশও পাঠাতে হবে না: বাবুনগরী টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে মানসিক রোগিদের মধ্যে খাবার বিতরণ বাংলাদেশে নারীর গড় আয়ু ৭৫, পুরুষের ৭১: ইউএনএফপিএ ফেনসিডিল বিক্রির অভিযোগে ৩ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার দেশের ৮০ ভাগ পুরুষ স্ত্রীর নির্যাতনের শিকার’ এ বছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৩১০ হেফাজতের বর্তমান কমিটি ভেঙে দিতে পারে: মামলায় গ্রেফতার ৪৭০ জন মৃত্যু রহস্য : তিমি দুটি স্বামী – স্ত্রী : শোকে স্ত্রী তিমির আত্মহত্যাঃ ধারণা বিজ্ঞানীর দেশে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ মানুষ

কক্সবাজার উপকুল জুড়ে আতংকিত লোকজনের ছুটাছুটি, সকলেই চাই নিরাপদ ঠিকানা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ মে, ২০১৩
  • ১৭৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ফরিদুল মোস্তফা খান, কক্সবাজার থেকে=ক্রমেই ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ আতংকে ছুটাছুটি করছেন কক্সবাজার উপকুলীয় সাধারণ মানুষ। বাক্স-পুটলা গুছিয়ে সকলেই এখন খুঁজছেন নিরাপদ স্থান। সন্ধ্যার পরপরই কক্সবাজার শহরের আশপাশের নিম্নাঞ্চলের সাধারণ লোকজনগুলো ভিড় করছেন সাইক্লোন শেল্টার, হোটেল-মোটেল, কটেজসহ উঁচু সব স্থানে। দেখা গেছে, শহরতলীর সমিতিপাড়া, ফদনার ডেইল, কুতুবদিয়া পাড়া ও নুনিয়া ছড়া এলাকার হাজার হাজার লোক সরে আসছেন নিরাপদ আশ্রয়স্থলে। রাত যতই বাড়ছে ততই উৎকণ্ঠিত এসব জনগন খুঁজছেন নিরাপদ ঠিকানা। কেউ কেউ শহরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে থাকা পরিত্যক্ত বিভিন্ন দালান-বাড়ি এমনকি নিজেদের আত্মীয়-স্বজনদের বাসা-বাড়িতেও ভিড় করছেন। জানা গেছে, শুধু কক্সবাজার শহরে নয়, বুধবার সন্ধ্যার পরপরই এই অবস্থা জেলার ৮ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বিরাজ করছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে স্থানীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর ৭নং সতর্কতা সংকেত জারি করায় দিনভর উপকুলের বিভিন্ন স্থানে নোঙর করেছে শতাধিক ফিশিং ট্রলার। বুধবার রাতে কক্সবাজার শহরে হাল্কা ও মাঝারি বৃষ্টিপাত শুরু হলে স্থানীয় লোকজনের দিকবিদিক ছুটাছুটির দৃশ্য চোখে পড়ে। দেখা গেছে, পরিবারের কর্তাদের কারো কারো কাঁদে বাচ্চা, হাতে স্ত্রী ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে চলে যাচ্ছেন নিরাপদ স্থানে। কেউ কেউ হাতে টেনে গবাদি পশুপাখিও নিজেদের সাথে নিয়ে চলছেন নিরাপদ স্থানে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। জেলা পর্যায়ের সকল সরকারি কর্মকর্তার ছুটি  বাতিল করা  হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ১১৩ টি জরুরি মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
প্রকৃতির গুমোট রূপ দেখে উপকূলবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সাত নম্বর সতর্ক সংকেত  দেয়ার পর প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে আসছে।
ইতোমধ্যে মহেশখালীর ধলঘাটা, সোনাদিয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সরে এসেছেন।
কুতুবদিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ আহমেদ জানান, পুরো কুতুবদিয়ায় ৭১টি সাইক্লোন শেল্টার  (ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র) রয়েছে। লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে আসার জন্য জোর প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম খান জানান, এলাকার লোকজন দুপুরের পর থেকে দলে দলে সাইক্লোন শেল্টারের দিকে যাচ্ছেন।
ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জেলায় একটি কেন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ এবং ৮ উপজেলায় স্থানীয়ভাবে  ৮টি নিয়ন্ত্রণ-কক্ষ খোলা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় এক জরুরি বৈঠকে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো.রুহুল আমিন এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সকলকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT