টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গুলিতে সিএনজি চালক খুন তালিকা দিন, আমি তাঁদের নিয়ে জেলে চলে যাব: একজন পুলিশও পাঠাতে হবে না: বাবুনগরী টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে মানসিক রোগিদের মধ্যে খাবার বিতরণ বাংলাদেশে নারীর গড় আয়ু ৭৫, পুরুষের ৭১: ইউএনএফপিএ ফেনসিডিল বিক্রির অভিযোগে ৩ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার দেশের ৮০ ভাগ পুরুষ স্ত্রীর নির্যাতনের শিকার’ এ বছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৩১০ হেফাজতের বর্তমান কমিটি ভেঙে দিতে পারে: মামলায় গ্রেফতার ৪৭০ জন মৃত্যু রহস্য : তিমি দুটি স্বামী – স্ত্রী : শোকে স্ত্রী তিমির আত্মহত্যাঃ ধারণা বিজ্ঞানীর দেশে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ মানুষ

কক্সবাজারে ফাইলবন্দি ২৭৭ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ মে, ২০১৩
  • ১২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ফরিদুল মোস্তফা খান, কক্সবাজার থেকে : দেশের অন্যতম দুর্যোগপূর্ণ উপকূলীয় এলাকা হিসেবে কক্সবাজারে ২৭৭টি নতুন আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল কয়েক বছর আগে। অপ্রতুল আশ্রয়কেন্দ্র এবং ঝুঁকিপূর্ণ ও বেদখল হয়ে যাওয়া আশ্রয় কেন্দ্রের কারণে কক্সবাজার জেলার ১০ লক্ষাধিক মানুষ ও কয়েক লাখ গবাদি পশু সরাসরি আশ্রয়হীণ থাকার আশঙ্কায় এসব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ব্যাপক তোড়জোড়ও শুরু হয়েছিল। সৌদিভিত্তিক কয়েকটি সংস্থাসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থা এসব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে আগ্রহও দেখিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেসব কার্যক্রম ফাইল বন্দি হয়ে আছে। যার কারণে দীর্ঘদিনেও এসব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মিত হয়নি। ফলে দুর্যোগের মুহূর্তে কক্সবাজারের লাখ লাখ মানুষ ঝুঁকিতে থাকবে বলে মনে করেন সচেতন মহল। এদিকে কক্সবাজার ত্রাণ ও পূর্ণবাসন শাখা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে কক্সবাজার জেলায় ৬টি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার জেলায় ২৭৭টি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে কক্সবাজার সদরে ২৭টি, রামুতে ১৪টি, চকরিয়ায় ৩১টি, পেকুয়ায় ৪৬টি, মহেশখালীতে ৬৯টি, কুতুবদিয়ায় ৩২টি, উখিয়ায় ২৩টি ও টেকনাফে ৩৫টি। কিন্তু নানা কারণে এসব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকাজ আটকে আছে। তহবিল সংকটের কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে শুনা গেলেও এটি এখন উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য মৃত্যু ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। উপকূলীয় এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানির পর বিদেশি সহায়তায় যে সব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল সেসবই এখন সম্বল। এর মধ্যেও অধিকাংশ ব্যবহার অনুপযোগী ও বেদখল হয়ে গেছে। ৯১ ট্র্যাজেডির ২২ বছরেও কক্সবাজারে কোনো আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়নি। তারা আরো জানান, দিন দিন জনসংখ্যা বাড়তে থাকলেও দুর্যোগে এদের আশ্রয়ের জায়গা তৈরি হয়নি। ফলে লাখ লাখ মানুষ চরম ঝুঁকিতে পড়বে। একই সাথে দুর্যোগে মানবিক বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার ত্রাণ ও পূর্ণবাসন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মজিদ জানান, কক্সবাজার জেলায় ২৭৭টি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে প্রস্তাব থাকলেও তা ফাইলেই আটকে আছে। তবে এর মধ্যে বর্তমানে চকরিয়ায় ১টি, মহেশখালীতে ১টি, কুতুবদিয়ায় ২টি, টেকনাফে ১ ও কক্সবাজার সদরে ১টি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, জেলায় ২৫ লাখ মানুষ থাকলেও মাত্র ৫৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫ লাখ ১৫ হাজার ৬৮৩ জন মানুষের ধারণক্ষমতা রয়েছে। আবার এর মধ্যে শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবহার অনুপযোগী ও বেদখল হয়ে আছে। সম্পাদনা : তারেক

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT