টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গুলিতে সিএনজি চালক খুন তালিকা দিন, আমি তাঁদের নিয়ে জেলে চলে যাব: একজন পুলিশও পাঠাতে হবে না: বাবুনগরী টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে মানসিক রোগিদের মধ্যে খাবার বিতরণ বাংলাদেশে নারীর গড় আয়ু ৭৫, পুরুষের ৭১: ইউএনএফপিএ ফেনসিডিল বিক্রির অভিযোগে ৩ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার দেশের ৮০ ভাগ পুরুষ স্ত্রীর নির্যাতনের শিকার’ এ বছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৩১০ হেফাজতের বর্তমান কমিটি ভেঙে দিতে পারে: মামলায় গ্রেফতার ৪৭০ জন মৃত্যু রহস্য : তিমি দুটি স্বামী – স্ত্রী : শোকে স্ত্রী তিমির আত্মহত্যাঃ ধারণা বিজ্ঞানীর দেশে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ মানুষ

কক্সবাজারে এক টূর্ণামেন্টের অস্থায়ী ক্রিকেট স্টেডিয়াম! গলফ মাঠে পরে বানানো হবে বিদেশী মালিকানাধীন পাঁচ তারকা হোটেল

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০১৩
  • ১২৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক:::২০১৪ সালে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপলক্ষে কক্সবাজারে নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘সাময়িক’ এক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। আর এই এক টূর্নামেন্টের জন্যই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তার ফান্ড ভেঙে ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকা খরচ করতে যাচ্ছে। গতকাল বেসরকারী বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) ফারুক খানের সঙ্গে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের বৈঠক শেষে দু জনই এই সাময়িক স্টেডিয়াম নির্মানের তথ্য জানালেন। প্রথমে এখানে বিসিবির নিজস্ব স্টেডিয়াম নির্মানের কথা জানা গেলেও শেষ পর্যন্ত তা হচ্ছে না। কারণ পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই জায়গাতে একটি পাঁচ তারকা হোটেল করার জন্য বিদেশী একটি সংস্থার সঙ্গে সরকারের আগেই চুক্তি হয়ে গেছে। কক্সবাজারে ক্রিকেটের একটি নিজস্ব স্টেডিয়াম নির্মানের পরিকল্পনা বাতাসে ভাসে সেই ২০০১ সালে বিসিবির কক্সবাজার সাধারণ সভার পর থেকেই। এরপর থেকে বহুবার দরকষাকষি, সম্ভাব্য জায়গা পরিদর্শন হলেও এই প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি। অবশেষে শোনা যাচ্ছিল, এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপলক্ষে নিজস্ব সেই স্টেডিয়াম পেতে যাচ্ছে বিসিবি। সে লক্ষে পর্যটন করপোরেশনের মালিকানাধীন এই জায়গা বিসিবিকে বরাদ্ধ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বলেছিলেন বলেও বিসিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র কিছুদিন আগেই জানা গেল, বিভিন্ন আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে বিসিবি এই স্টেডিয়ামের মালিক হতে পারবে না। মালিক যথারীতি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদই (এনএসসি) থাকবে। তাদের অনুকূলে পর্যটন করপোরেশন জায়গা হস্তান্তর করবে বলে শোনা গেল। এরপর বিসিবি থেকে বলা হল, তারা সে ক্ষেত্রে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যুনতম টাকাটা নিজেরা খরচ করে একটা কাঠামো দাড় করাবে। পরে এনএসসি পুরো স্টেডিয়াম আস্তে ধীরে নির্মান করবে। কিন্তু পর্যটন মন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) ফারুক খান সরাসরি বলে দিলেন, এই বর্তমান স্থানে স্থায়ী স্টেডিয়াম করার অনুমতি তারা দিতে পারছেন না। কারণ এই জায়গাটিই পাঁচ তারকা হোটেল নির্মানের জন্য আগে থেকে ঠিক করে রাখা হয়েছে, ‘আমরা এখানে একটি আর্ন্তজাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট নির্মানের কাজ হাতে নিয়েছি। এখানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা হোক, সমস্যা নেই। তাতে তো আপনারা শুনেছেন, স্ট্রাকচার খুব বেশি লাগবে না। এখানে শুধু অস্থায়ী ভিত্তিতে পিচটা করা হচ্ছে। আর ড্রেসিংরুমটা প্রি-ফেব্রিকেটেড হবে। এটুকুতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তবে পূর্নাঙ্গ স্টেডিয়ামটা আলোচনা করে সুন্দর একটা লোকেশনে করা উচিত।’

এ কথার প্রতিক্রিয়ায় বিসিবি সভাপতির যেরকম ধাক্কা খাওয়ার কথা, তা তিনি স্বীকার করলেন না। তিনি বলছেন, পরে কোনো একসময় কক্সবাজারে সুন্দর একটা স্টেডিয়াম করা হবে। আপাতত তিনি ‘সাময়িক’ এই স্টেডিয়াম নির্মানের প্রস্তবটাই গ্রহণ করে নিয়েছেন বলে বললেন। পাপন অবশ্য বলছেন, গতকালের বৈঠকটা স্টেডিয়াম ছাড়াও অন্যতম বড় আলোচ্য ছিল বাংলাদেশ বিমানের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও বিসিবির বিভিন্ন পার্টনারশীপের ব্যাপার। সেই সঙ্গে পাপন বললেন, কক্সবাজার স্টেডিয়াম নিয়ে বিভিন্নরকম কথা যে এতোদিন শোনা গেছে, এর কারণ পর্যটনের সঙ্গে তাদের আনুষ্ঠানিক বৈঠক না হওয়া, ‘এই স্টেডিয়ামটা নিয়ে আমাদের মধ্যে বেশ কিছু কনফিউশন ছিল। এটা আসলে ওনাদের সঙ্গে আমাদের আনুষ্ঠানিক কোনো বৈঠক এর আগে না হওয়াতে এরকম গ্যাপ তৈরি হয়েছিল। আজকে সেটা দূর হয়ে গেল। স্টেডিয়ামের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি যে, এই সময়ের মধ্যে স্টেডিয়াম দাড় করাতে যার যা করণীয় আমরা এক হয়ে কাজ করবো।’ এক হয়ে কাজ করলেও এখানে পূর্নাঙ্গ স্টেডিয়াম যে আর হচ্ছে না, সেটা পাপনও মেনে নিয়েছেন। তারপরও পর্যটনের জায়গাটায় নিজেদের খরচে অস্থায়ী কাঠামো তিনি করতে রাজী শুধু আইসিসির পরিদর্শক দলের কথা মাথায় রেখে, ‘জমির ব্যাপারটার সঙ্গে অনেক ইস্যুজড়িত। ওনাদের মাস্টার প্লানের সঙ্গে মিলিয়েই আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা ওনাদের মূল প্লানের বাইরে কিছু করতে পারবো না। ফলে এসবের জন্য বিশ্বকাপ আটকে রাখার দরকার নেই। আলটিমেটলি কোথায় স্থায়ী স্টেডিয়াম করলে ভালো হবে, সেটা পরে ভাবতে হবে।’ কিন্তু এই পর্যায়ে বড় প্রশ্ন উঠে যায় এই যে ১৮-২০ কোটি টাকা বিসিবি তাহলে খরচ করছে; এর অর্থটা কী? এই একটা টূর্নামেন্টের জন্য এই বিপুল ব্যায়ের দায় বিসিবি কেন নিচ্ছে? পাপন তার মতো করে ব্যাখ্যা দিলেন, ‘পূর্নাঙ্গ একটা স্টেডিয়ামের জন্য অনেক বড় ফান্ডও দরকার। বিসিবি দেড়’ শ দুই’ শ কোটি টাকা খরচ করে একটা স্টেডিয়াম তো করতে পারবে না। তাহলে বিসিবি এখন খরচটা কেন করছে? কাজটা আসলে এনএসসিরই করার কথা। কিন্তু এনএসসিকে দিলে ওনারা টেন্ডার করবেন; তাতে আরও দু তিন মাস সময় যাবে। তাহলে কাজ হবে কবে? তাই সরকারের মাধ্যমে গেলে যেহেতু অনেক দেরী হয়ে যায়, তাই এই সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখের মাঝে যা যা করলে আইসিসি সন্তুষ্ট হয়, সেটা করতে হবে।’

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT