টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ওর্য়াক পারমিটের অনুমোদন নেই তবো কাজ করে যাচ্ছে বেশির ভাগ বিদেশি এনজিও

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ জুন, ২০১২
  • ২১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আবদুল আলীম নোবেল…আশির দশকে দিকে মায়ানমার জান্তা সরকার ও রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রাদায়ের দাংঙ্গায় রক্তকয়ী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার সূত্রে ধরেসীমান্ত অতিক্রম করে ২লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিম স্বপরিবারে জেলায় অনুপ্রবেশ করে। শরণার্থী হিসাবে আশ্রয় নেয় টেকনাফ উপজেলার রঙ্গীখালি,লেদা,মৌচনী উখিয়া উপজেলার পালংখালি, কুতুপালং রামু নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকায়। পরবর্তী সময়ে দু দেশের ক’টনীতিক তৎপরতায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর ফলশ্র“তিতে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা মায়ানমারে ফিরে যেতে সক্ষম হয়।  বাকি রোহিঙ্গারা জেলার বিভিন্ন এলাকাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে অবস্থ্না করে। পূনরায় ১৯৯১ সালে ২লাখ ৫০ হাজার ৮৭৭জন রোহিঙ্গা  উখিয়া টেকনাফ রামু সহ বিভিন্ন এলাকায়  আশ্রয় নেই। ওই সময়ে উভয় দেশের সরকার বৈঠক করে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া চুড়ান্ত করে। ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ২লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৯ জন রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানো হয় । সে সময় টেকনাফ নয়াপাড়া শরণার্থী শিবিরে ১৪ হাজার ৪৩১জন ও উখিয়া শরণার্থী শিবিরে ৯ হাজার ৮৫০জন সহ ২৮হাজার রোহিঙ্গা দু ক্যাম্পে অবস্থান করে । ২০০৪ সালের দিকে প্রত্যাবাসন  কার্যক্রম পক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। অনুসন্ধানে জানাযায় উখিয়া টেকনাফ দু শরণার্থী ক্যাম্পে ৫৮হাজার ৭৬৫জন শিশু জন্ম নিয়েছে এর মধ্যে ১২হাজার শিশু ৬৩৬ জন শিশু মারা গেছ্্ে । অপর দিকে ৪৪ হাজার ১২৯ জন শিশু দু ক্যাম্পে বেড়ে ওঠেছে। শরর্ণাথী শিবিরে ত্রান সামগ্রী বিতরনে নিয়োজিত সেবার নামে গুটিকয়েক বিদেশী এনজিও সংস্থা অস্থায়ী ভাবে কাজ শুরুকরে এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বিভিন্নভাবে সাহয্য সহযোগিতা দিয়ে আসে। সে সুবাধে স্বেচছাসেবির ব্যানারে বর্তমানে জেলায় ডজন খানেক বিদেশি এনজিও সংস্থা কাজ করে যাচেছ । তাদের বেশির ভাগ রোহিঙ্গা শরর্ণাথী নিয়ে কাজ করার এমন চিত্র কারো অজানা নয় । এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে রোহিঙ্গারা শরর্ণাথী বেশে বিভিন্ন সময়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় তাদের জনবসতি দিন দিন বৃদ্ধি করতে থাকে । দৈনিক আজকের কক্স বাজার অনুসন্ধনি প্রতিবেদন সুত্রে জানা যায় বিদেশী এনজিও সংস্থা সলিঢারিটিস ইন্টার ন্যাশালের সাবেক সিকিউরিটি কর্মকর্তা, টেকনাফ উপজেলার লেদাস্থ আন রেজিঃ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জমিদাতা হ্নীলা লেদা এলাকার নুরুল আলম নুরী জানান নগদ টাকা, চাকুরি, বিদেশে নাগরিকতাসহ বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে অন্তারালে রোহিঙ্গাকে এ দেশে আসতে প্রতিনিয়ত উৎসাহ ও সহযোগিতা করে যাচেছ বিদেশি এনজিও সংস্থা গুলো। এর ফলে চুরি ডাকাতি মাদক পাহাড় দখল শ্রমবাজার দখল বিভিন্ন অপকর্মসহ জেলার আইন শৃঙখলার অবনতির বেশির ভাগ  রোহিঙ্গারাই দায়ি এমনটি অভিযোগ জেলার সচেতন মহলের। ওইসব এনজিও সংস্থার মধ্যে ইউনিসার,উনিসেফ,এসিএফ,হেন্ডিকেপ,এমএসএফ        হল্যান্ড,সলিঢারিটিস ইন্টারন্যাশাল,মুসলিম এইড, ইসলামিরেলিফ,বেলাস্ট,কেয়ার, ওয়ার্ল্ড ভিশন, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড,টাই। এসব স্বেচছাসেবী এনজিও সংস্থা দুযোর্গ যুদ্ধবিগ্রস্থ দেশে জরুরী মহুর্তে ছয় মাস পর্যন্ত কাজ করার আন্তর্জাতিক বিধান রয়েছে। বাংলাদেশে এসে এ সংস্থা গুলো যদি এনজিও ব্যুরোর ছয় মাসের অনুমোদন নিলে ও কি ভাবে বছরের পর বছর কাজ করে যাচেছ এমন প্রশ্ন জন মনে এবং ওইসব বিষয়ে অন্তরালে কারা কাজ করে যাচেছ তা বের করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তেক্ষেপ জরুরী । এছাড়া গোপন সূত্রে জানা যায় বেশিরভাগ বিদেশি এনজিও সংস্থার স্থায়ী ভাবে কাজ করার ওয়ার্ক পারমিট নেই। এমন অভিযোগে গত বছর উখিয়া টেকনাফের সংসদ আবদু রহমান বদি সলিঢারিটিসকে ওয়ার্ক পারমিট দেখাতে বলেল এ সংস্থা তা দেখাতে ব্যর্থ হয়। লেদা আনরেজিঃ রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ টেকনাফ উপজেলার পনের গ্রামের কাজ বন্ধ করে টেকানাফস্থ অফিস গুটিয়ে কক্স বাজার শহরের হক টাওয়াস্থ অফিসে  এসে অবস্থান নেয়। জানা যায় এখনও ওই সংস্থার ওয়ার্ক পারমিট নেই এখন ও কী ভাবে  কাজ করে খতিয়ে দেখা দরকার।  নাম প্রকাশে অনিচছুক সংস্থার একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান প্রতিটি এনজিও বছরে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের ক্রাইটেরিয়া ভিত্তিক স্বেচছাসেবী সেবার প্রকল্প ফাইল তৈরিয়ে করে বিদেশে পাঠিয়ে অনুমোদন নেয় এবং বিদেশি অনুদানরে  কোটি কোটি টাকা নিয়ে আসে। ওইসব  বিদেশি সাহয্যের টাকা কাজের চেয়ে কাগজে কলমে কাজ দেখিয়ে বছরে হাজার কোটি এক শ্রেণীর অসাধু চক্রেরে হাতে লুটপাট চলছে এমনটি অভিযোগ আরো অনেকের।্ অপর দিকে সম্প্রতি জেলা প্রশাসন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিন বিদেশী এনজিও সংস্থাকে কে কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলে ও তা অমান্য করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ওই তিন এনজিওর উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে সলিঢারিটিস ইনাটারন্যাশালের প্রোগ্রাম ম্যানেজার  হারুন অর রশিদ জানান আমাদের কে কী জন্য নিষিধাজ্ঞার নোটিশ দেয়া  হয়েছে বলে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চেষ্ঠা করলে ও কাজ এখন ও অব্যহত রয়েছে এমনটি দাবি করছেন তিনি। অপর দিকে মুসলিম এইডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সরওয়ার আলম কাজ চলছে বলে দাবি করলে ও অন্য কোন বিষয়ে কথা বলতে রাজী হয়নি। তাছাড়া  এসিএফের প্রশাসনিক কর্মকর্তার মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে জেলা প্রসাশক জয়নুল বারী কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT