টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

উখিয়া-টেকনাফ রাজনীতিতে এমপি বদির চমক

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ আগস্ট, ২০১২
  • ২০৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

রমজান উদ্দিন পটল,টেকনাফ … উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির কর্ম তৎপরতায় আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে উন্নয়নের সুবাতাস বইছে। তৃণমুল পর্যায়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে দেখা দেয় প্রাণের উচছাস। এলাকায় দিন দিন বাড়ছে দলের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা সমর্থন। এতে বিপাকে পড়েছে প্রতিপ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা । আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দল সমুহের মধ্যে ঘর গোছানোর কাজ শুরু হয়েছে । ইতিমধ্যে সরকারী আওয়ামীলীগ আগে থেকে নিজের ঘর গুছিয়ে নিয়েছে । কিন্তু সুযোগ-সন্ধানী গুটি কয়েক নেতা-কর্মী দলের ভেতরে বাহিরে উশৃংখল কর্মকান্ডে লিপ্ত থেকে অশুভ তৎপরতা শুরু করে দেয়। এসব অপতৎপরতার অংশ হিসেবে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক অপ-প্রচার জনপ্রিয়তায় প্রভাব ফেলতে পারেনি। ফলে জনগনের সংস্পশেঁ গিয়েই এমপি বদি আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তায় আসীন হয়েছেন।
গত ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টেকনাফের প্রয়াত দানবীর আলহাজ্ব এজাহার মিয়া কোম্পানীর পুত্র আব্দুর রহমান বদি বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন ও জনসেবামুলক কর্মকান্ড শুরু করেন। বিগত সাড়ে ৩বছরে এলাকায় ভুরি ভুরি উন্নয়ন গড়ে তোলেন এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে সঙ্গ দিয়ে দল ও জাতির উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। এলাকার দুস্থ, গরীব, পঙ্গু, বিধবা, এতিম, অসহায় লোকজনদেরকে নিজ উদ্যোগে খাদ্য, বস্ত্র ও অর্থ সহায়তা, গরীব যুবক-যুবতিদের বিয়ে, দরিদ্র শিার্থীদের সুশিার ব্যবস্থা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমুহে অনুদান ইত্যাদিসহ বিভিন্ন জনহিতকর কর্মকান্ড অব্যাহত রাখায় তার জনপ্রিয়তা দিনের পর দিন বাড়তে থাকে। স্বাধীনতার ৪০ বছরের ইতিহাসে উখিয়া-টেকনাফে আব্দুর রহমান বদি অন্যতম জনপ্রিয় ও আলোচিত এমপি। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নানা বদনামের অভিযোগ উঠলেও এলাকায় বাস্ব চিত্র ভিন্ন । উখিয়া-টেকনাফের গ্রামীণ জনপদে তাঁর সামাজিক কর্মকান্ডের সুনামের পাহাড় তৈরী হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় তাঁর আকাশ চুম্বী জনপ্রিয়তা অস্বীকার করার নই বলে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন অভিমত প্রকাশ করেন। এই জনস্রোতে গত ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাঁর আর্শিবাদপুষ্ট প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক- শফিক মিয়া, যুগ্ন সম্পাদক-এইচ এম ইউনুচ বাঙ্গালী, আওয়ামী মহিলা নেত্রী -মিছবাহার ইউছুপ – চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । এবং পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আলহাজ্ব ইসলাম মিয়া মেয়র নির্বাচিত হন। এ ছাড়া টেকনাফ সদর ও বিএনপির দূর্গ হিসেবে পরিচিত উখিয়া উপজেলার ৪ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের জয় হয়। এসব কাজে এমপি বদির রাজনৈতিক কেরামতিতে বিমূর্ষ হয়ে পড়ে প্রতিপ । দলের এ উত্থানে কঠোর ত্যাগ ও শ্রম দিতে হয়েছে এমপি বদিকে। নির্বাচনে দলীয় নেতাদের বিজয় ও এলাকায় দলকে শক্তিশালী করতে গিয়ে তিনি নানান সমালোচনার সম্মুখীন হয় এবং নিজের পরিবারের ভাই-বোন ও আতœীয়তার সম্পর্কের ব্যাঘাত ঘটে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে শফিক মিয়া, বিএনপি থেকে আব্দুলাহ, জামায়াত থেকে মীর কাশেম ,স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলহাজ্ব সোনা আলী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করে । আওয়ামী লীগ থেকে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে এইচ এম ইউনুচ বাঙ্গালী,মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে -মিছবাহার ইউছুপ প্রতিদ্বন্দিতা করেন । এসব দলীয় প্রার্থীদের পে এমপি বদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে তার আপন ভগ্নিপতি প্রতিদ্বন্দিতা করলেও স্বজনপ্রীতির উর্ধ্বে উঠে দলীয় প্রার্থীদের বিজয় সুনিশ্চিত করেন। এ নিয়ে নিজ পরিবারের মধ্যে কলহ-বিবাদের সৃষ্টি পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু এসব ত্যাগকে বেমালুম ভূলে এমপি বদির জনপ্রিয়তার ভারে নির্বাচিত স্বদলীয় জনপ্রতিনিধি ও গুটি কয়েক নেতা-কর্মীরা স্বার্থ সিদ্বি করতে না পেরে পুরনো কায়দায় দলকে নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করে বলে একাধিক উপজেলা নেতা জানিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের এক প্রবীণ রাজনীতিবিদ বলেন,টেকনাফে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সুযোগ সন্ধানী একটি চক্র রয়েছে। এ চক্রটি দীর্ঘ যুগ যুগ ধরে দল নিয়ে বাণিজ্যে মেতে উঠে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ১৯৯৬ সালের পর উক্ত চক্রটি বাণিজ্য করতে না পেরে ২০০১ সালে দলীয় প্রার্থী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর বিপে অবস্থান নেয়। এ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর ভরাডুবি ঘটে। ২০০২ সালের পর থেকে আব্দুর রহমান বদির ছায়াতলে আশ্রয় নেয় উক্ত চক্রটি। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে চক্রটি এমপি বদির প নিয়ে পরবর্তী উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ করে নেয়। বর্তমান অবস্থানে আব্দুর রহমান বদি এমপি নিজেই জনগণের মাঝে শামিল হয়ে নিজের অনুদান ,সরকারী বরাদ্ধ, উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এতে সুবিধাভোগী চক্রটি নাখোশ হয়ে পড়ে । এমতাবস্থায় উক্ত চক্র দলের অভ্যন্তরে গোপনে নতুন ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। তবে বর্তমান সংসদ সদস্যের জনসম্পৃক্ততামুলক কর্মকান্ডে জনতার মধ্যে দলের আস্থা অটুট রেখে নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে সম হয়েছেন। তাই আগামী নির্বাচনে প্রতিপরে ঘরে শুরু হয়েছে পরাজয় আতংক । #########################

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

৩ responses to “উখিয়া-টেকনাফ রাজনীতিতে এমপি বদির চমক”

  1. Rakib says:

    হলুদ সংবাদিক কাকে বলে আপনি ভাল ভাবে বুজিয়ে দিয়েছেন । হেন কি কাজ নেই এম পি বদি করে নাই ভাল করলে ভাল ফল, দুরনিতী এবং শ্বজন প্রিতী করলে এর জবাব জনগন ব্যালেটের মাধ্যমে দিবে আগামী নিবাচনে এই আশায় রইলাম………।

  2. rashid says:

    subhai jane oni ki rkom karo bolthe hobe na nari lubi?????????????/

  3. badiul azam says:

    What type of journalism taking money and writing report. In fact, MP Bodi is a natural criminal who beat a veteran lawyer, bank staff, forest officer, police constable, Jatya Party leader and teacher and so on. Mr. Bodi is a professional extortionist who takes money and sack of rice by intimidating them. Because of his criminal activities, BAL high command warned him several times. Bodi is listed corrupt person by caretaker govt. Mr. Bodi is a notorious MP in the history of Ukiya-Teknaf.People of Ukiya-teknaf want releif from MP Bodi right now. Just wait and see until nest election!

Leave a Reply to rashid Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT