টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

উখিয়ায় ১৫ হাজার মানুষ মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ে যে কোন মূর্হতে আবারো প্রাণ হানীর আশংকা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ জুন, ২০১৩
  • ১১৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এম বশর চৌধুরী উখিয়া, =
কক্সবাজারের উখিয়ায় কমপক্ষে ১৫ হাজার মানুষ পাহাড়ের পাদদেশে অবৈধভাবে বসতী স্থপন করে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। গত কয়েক দিন ধরে প্রবল বর্ষন শুরু হওয়ায় মৃত্যু ঝঁকি আরো তীব্র হয়ে উঠেছে। গেল বছর পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৫ জন সহ ১০ জন মানুষের প্রাণ হানী ঘটলেও প্রশাসন সহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এখনো টনক নড়েনি। প্রবল বর্ষন শুরু হলে প্রশাসনিক ভাবে শুধু মাইকিং করে দায সারানো হয়। অবৈধ বসতী উচ্ছেদে কার্যকর পদক্ষেপ এবং তাহাদের পূনবাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়না। এমন অভিমত সচেতন মহলের।
অভিযোগে প্রকাশ, উখিয়ায় ৩৪ হাজার ৪ শত ৫০ একর সরকারী বনভূমি রয়েছে। এখানকার ৬০ শতাংশ মানুষ সরকারী বনভূমির পাহাড়ের পাদদেশে ও পাহাড়ের পার্শ্বে সমতল ভূমিতে বসবাস করে। বিশেষ করে জালিয়া পালং ইইনয়নের জুম্মাপাড়া, অফিস পাড়া, সোনাইছড়ি, ডেইলপাড়া, নিদানিয়া, ইনানী, মোহাম্মদ শফির বিল, চেইনছড়ি, চোয়াংখালী, বোয়াংখালী, মাদারবুনিয়া, চেপটখালী, হলদিয়া পালং ইউনিয়নের মধুঘোনা, রুমখা হাতীর ঘোনা, খেওয়াছড়ি, পাগলির বিল, বত্তাতলী, পূর্ব মরিচ্যা, মধূঘোনা, গোরাইয়ারদ্বীপ, রতœাপালং ইউনিয়নের ভালূকিয়া, তেলী পাড়া, গয়ালমারা, চাকবৈটা, করইবনিয়া, রাজাপালং ইউনিয়নের হরিণমারা, বাগান পাহাড়, বটতলী, ওয়ালা পালং, সিকদারবিল, গরু বাজার, মাছকারিয়া, কুতুপালং পিএফ পাড়া, দোছড়ি, পালংখালী ইউনিয়নের রহমতের বিল, তাজনিরমার খোলা, তেলখোলা, গৌজ ঘোনা, গয়ালমারা, পশ্চিম পালংখালী, জামতলী, মোছার খোলা এলাকার কমপক্ষে ১৫ হাজার মানুষ পাহাড়ে বসবাস করে। পাহাড়ে বসবাসকারীরা দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করায় বছরের পর বছর তারা মৃত্যু ঝুঁকিতে থাকে। জানা যায় ২০১২ সালের ২৬ জুন রাতের প্রবল বর্ষনে উখিয়ায় ভয়াবহ পাহাড় ধ্বসে ঘটনা ঘটে। এতে সোনাঘোনা এলাকার একই পরিবারে ফরিদ আলম (৩০) তার মাতা ছখিনা খাতুন (৫০) তার মেয়ে ছালেহা মুন্নি (১২) ও ছেলে ইলিয়াছ (৩), পার্শ্ববর্তী পরিবারের আয়েশা বেগম (৩০), পুত্র হেলাল উদ্দিন (৪), খেওয়াছড়ি এলাকায় মোক্তার আহাম্মদের শিশু কন্যা উম্মে সাদিয়া (৩) এবং রতœাপালং ইউনিয়নের পূর্ব তুলাতলী এলাকার একই পরিবারের সোনা আলীর স্ত্রী গোল মেহের (৪২), কন্যা শামশুন নাহার (১৬), রোজিনা আক্তার (১৪) পাহাড় ধ্বসে বসত ঘর বিধ্বস্ত হয়ে মাটি চাপা পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT