টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

উখিয়ার এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৩
  • ১২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

শফিউল ইসলাম, উখিয়া ।

উখিয়ায় পাশ্ববর্তী ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজুগর্জন বনিয়া রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সংশি¬ষ্ঠ দপ্তরে একাধিক লিখিত আবেদন করলেও কোন কাজ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশি¬ষ্ঠরা।
জানা গেছে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার একমাত্র শিক্ষা-দ্বীক্ষায় পিছিয়ে পড়া ইউনিয়ন হচ্ছে ঘুমধুম, এলাকার গরিব জনসাধারণ আর্থিক সহায়তা ১৯৯১সালে প্রতিষ্ঠা করে রেজু গর্জন বনিয়া নামে বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।  দীর্ঘদিন ঝরাঝির্ণ অবস্থায় পড়ে থাকার পর ২০০৫ সালে ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দীপক বড়–য়া টিনের ছাউনী দিয়ে ৩ কক্ষ বিশিষ্ঠ একটি ঘর নির্মাণ করে দেন। নিয়োগ দেন দক্ষ ৪জন শিক্ষক যার মধ্যে প্রধান শিক্ষক ছৈয়দ হামজা, সহকারী শিক্ষক যথাক্রমে শফিউল ইসলাম, সিরাজুল হক, বুলবুল আকতারকে। দীর্ঘ ৫বছর তাদের অক্লান্ত প্রচেষ্ঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ২৮/০৪/২০১০ ইং তারিখ প্রাগম/বিদ্যা-১/৮জি-৭/৯৮(অংশ-২)-৬৬৭ নং স্মারক মুলে জারীকৃত নীতিমালা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ০২/১১/২০১০ ইং তারিখের-প্রাশিঅ/ওওসি/১বিদ্যা-ঢাকা/২০১০/৮৯২(১১) নং স্মারক মূলে বিদ্যালয়টি স্থাপন ও চালুর অনুমতি লাভ করে। এরপর থেকে চলে আসে নিয়মিত স্কুলে পাঠদান। সর্বশেষ সারাদেশে বর্তমান সরকার রেজিষ্ট্রার্ড,আন-রেজিষ্ট্রার্ড, কমিউনিটি, চালুর অনুমতি প্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোকে পর্যাক্রমে সরকারী করনের ঘোষনা দিলে উক্ত প্রধান শিক্ষক গোপনে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি’র সাথে আতাত করে ৩লাখ টাকার বিনিময়ে সম্পূর্ণ অবৈধ উপায়ে নিয়োগ দেয়। এবং তাদের পক্ষে একটি লিখিত রেজুলেশন লিখে সংশি¬ষ্ঠ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করে। এই ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে উক্ত স্কুলে কর্মরত পুর্বেক শিক্ষকগণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ করে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষককে অফিসে হাজির হতে নির্দেশ দিলে, তিনি অফিসে উপস্থিত হয়ে সদ্য বিদায়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শুভাশীষ বড়–য়া’কে লাঞ্চিত করে। পরবর্তীতে ২০১২ সালে পিএসসি পরীক্ষা ৪জন ভাড়াটিয়া শিক্ষার্থী নিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সময় উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আবু জাফর হাতে নাতে ছাত্র গুলোকে আটক করে। কিন্তু ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করায় আদৌ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি শিক্ষা দপ্তর। এব্যাপারে জানতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাইক্ষ্যংছড়ি’কে একাধিক ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সংবাদ প্রেরক
শফিউল ইসলাম
০১৮১২৪৩২৫২৩

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT