টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
ক্রিস্টাল আইস মেথসহ সোনাইমুড়ির ফাহিম শাহরিয়ার গ্রেপ্তার শেখ হাসিনার বিশেষ উপহার চাল বিতরণে ব্যস্ত জনতার বদি মসজিদে নামাজে অংশ নিতে পারবেন সর্বোচ্চ ২০ জন টেকনাফে ইয়াবা নিয়ে তিন রোহিঙ্গাসহ ৫ কারবারী গ্রেপ্তার লকডাউনে বন্ধ থাকবে ব্যাংক: এটিএম খোলা বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারও অগ্নিকাণ্ড ভারতে পবিত্র কোরআন শরিফের ২৬ আয়াত অপসারণের রিট বাতিল: আবেদনকারীর জরিমানা সাংবাদিক ফরিদ বাবুলের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ  জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবীতে, প্রধানমন্ত্রী বরাবর টেকনাফ বিএমএসএফের স্মারকলিপি প্রদান মক্কা-মদিনায় তারাবি ১০ রাকাত পড়ার নির্দেশ

ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের দু’পাশের সরকারী গাছ উজাড় হচ্ছে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ জুলাই, ২০১৩
  • ১২৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে উদাসীনতার কারণে কক্্সবাজার জেলার ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের দু’পাশের লাখ লাখ টাকা মূল্যের সরকারী গাছ কেটে উজাড় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বনবিভাগকে জানিয়েও এমন কোন ফল পাচ্ছে না। সূত্রে জানায়,  বন ভিভাগের কার্যকর ভূমিকা না থাকায় একটি সংঘবদ্ধ কাঠ চোরাকারবারী দল ঈদঁগাও- ঈদগড় সড়কের দু’পাশের সড়ক ও সমাজিক বনায়নের কর্মসূচীর আওতায় রোপন করা মূল্যবান মেহগনি, আকাশমনি ও গামারি গাছ সুযোগ বুঝে স্যান্ধার পর, মধ্য রাত অথবা ভোর রাতে কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এতে করে সরকারের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়া যায়, বন বিভাগের এক শ্রেণীর লোকজনের সাথে যোগসাজসেই এই সব গাছ চুরি করা হচ্ছে। সড়কের এবং সরকারী বনাঞ্চলের গাছ কর্তন করে সংঘবদ্ধ গাছ চোরাকারবারী দল বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে সড়ক পথে যান বাহন ও নদী পথে নৌকা ভর্তি করে এবং কলা গাছের সাহায্যে চালি করে পানিতে ভাসিয়ে স্থানীয় বন বিভাগের চেক পোষ্ট দিয়েই প্রতিদিন পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে ঈদগাঁও সহ বিভিন্ন এলাকায়।

ঈদগড়ে রোহিঙ্গারা জড়িয়ে পড়ছে অপরাধমূলক কর্মকান্ডে

রামু উপজেলার ঈদগড়ে দলে দলে রোহিঙ্গারা ঢুকে পড়ছে। সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, এলাকার চরপাড়া, ঘিলাতলী, বার্মা পাড়া, তৈলখলা, নায়াপাড়া, সেঞ্চুরী এলাকায় হাজারো রোহিঙ্গা এসে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। রোহিঙ্গারা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে ঈদগড়ে এসে আশ্রয় নিয়ে চুরি, ডাকাতি, পতিতাবৃত্তি সহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় দিন মজুরেরা এই প্রতিনিধিকে জানায়, রোহিঙ্গাদের অস্বাভাবিক আগমনের ফলে স্থানীয়রা কাজ পাচ্ছেনা। তারা কমদামে শ্রম বিক্রি করার কারণে স্থানীয় দিন মজুরেরা কর্মহীন হয়ে পড়ছে। এছাড়া রোহিঙ্গারা এলাকায় আশ্রয় নিয়ে এলাকার বন ভূমির জায়গা দখল, বনের গাছ কর্তন, পাহাড়ের মাটি কাটা থেকে শুরু করে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই সহ নানা অপরাধ মূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা যায়। সচেতন মহলের অভিযোগ রোহিঙ্গাদেরকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অপরাধের শাস্তির  বদলে জামাই আদরে রাখে এলাকার প্রভাবশালীরা। ফলে এসব রোহিঙ্গারা দিন দিন বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। বিশেষ এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, বতর্মানে ইউনিয়নে রোহিঙ্গার সংখ্যা ৬ হাজারেরও বেশি। ইউনিয়নের বন বিভাগের কতিপয় লোকজনকে ম্যানেজ করে বনভূমির জায়গা দখলে ব্যস্ত এই সব রোহিঙ্গারা। এলাকার বন ভূমির জায়গায় নিয়মিত  বসত বাড়ী গড়ে তুলছে রোহিঙ্গারা। ফলে দিন দিন বনাঞ্চল কমে যাচ্ছে। এলাকাবাসী রোহিঙ্গা গ্রেফতারের উর্ধ্বতন কর্তৃপরে জরুরী হস্তপে কামন করছেন।

ঈদগড়- বাইশারীর ১০ গ্রামবাসীর ভাগ্যে জোটেনি বিদ্যুৎ সংযোগ

স্বাধীনতার ৪২ বছর পরও রামু উপজেলার ঈদগড়ের ঠুটারবিল,ঘিলাতলী,জুমপাড়া , এবং নাই্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীর কেইংগ্যার বিল, আল্যীং, লম্বাবিল, হলুদিয়া শিয়া,  তুফানআলী পাড়া, নারিচবুনিয়া, চাকপাড়া গ্রামবাসীর ভাগ্যে জোটেনি বিদ্যুৎ সংযোগ। সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে এলাকাবাসী জানান, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপরা লোকসান সহ নানা অজুহাতে নতুন সংযোগ দিতে টালবাহানা করে থাকে। এছাড়া নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপরা অনেক সময় মোটা অংকের টাকা দাবী করে থাকে। এ ব্যাপারে ঈদগড় উপরেরখীল এলাকার আমির হোসন এবং বাইশারী হলুদিয়া শিয়া এলাকাবাসী জানান, গ্রামের ১কিলোমিটার দুরে চারিদিকে বিদ্যুৎ থাকলেও তারা রয়েছেন অন্ধকারে। ফলে এলাকায় অবস্থিত স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, বিভিন্ন অফিস আদালতের কার্যক্রম সম্পন্নে দারুন ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীরা সঠিক সময়ে লেখাপড়া করতে পারছেন না বলে ও এ প্রতিবেদককে অভিযোগের সহিত জানান। শিার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে উপরোক্ত এলাকার শিশুরা। তবে গ্রামে বিত্তবানদের অনেকেই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। অধিকাংশই মানুষ গরীব অসহায় হওয়াতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করতে না পারায় বর্তমানে মোবাইল, টসলাইট, চার্জ লাইট সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি স্থানীয় ঈদগড় বাজার ও বাইশারী বাজার থেকে চার্জ করে নিয়ে যায়। অনেক সময় বিদ্যুতের অভাবে প্রয়োজনমত চার্জ দেওয়া সম্ভব হয়না বলে জানা যায়। ফলে অধিকাংশ বাড়ীতেই রাতের বেলায় অন্ধকারে থাকতে হয় বলে জানা যায়। এছাড়া পার্শ্ববর্তী গ্রামে যারা বিদ্যুৎ পেয়েছেন তারাও বর্তমানে শান্তিতে নেই বলে জানা যায়। দৈনিক ৪/৫ঘন্টার বেশী বিদ্যুৎ না পেয়েও বড় আকারের বিদ্যুৎ বিলের বুঝা টানতে হচ্ছে। এলাকাবাসী জানায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লোডশেডিং সহ নানা মুখী জটিলতায় গ্রাহকেরা ক্রমেই অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। দিনরাত বিদ্যুতের ভেলকিবাজি আর মাসের শেষে বিলের বুঝা গ্রাহকেরা সইতে পারছেননা। লোডশেডিংয়ে যাতা কলে নিস্পেশিত হচ্ছে এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপকে বহুবার অভিযোগ করার পরও আশানুরূপ প্রতিকার না পাওয়ায় বর্তমানে এলাকাবাসী হতাশায় ভোগছেন। উল্লেখ্য যে, দেশের রাবার শিল্প এলাকা হিসেবে পরিচিত বাইশারী ইউনিয়নে প্রায় ২০জন মালিকের রাবার বাগান থাকার পরও রাবার শিল্প সম্প্রসারণের জন্য বিদ্যুৎ না পাওয়ায় রাবার মালিকরা জেনারেটরের মাধ্যমে কার্যসম্পাদন করতে গিয়ে নানা সমস্যায় সম্মুখিন হচ্ছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকা এবং শিল্প এলাকা হিসেবে পরিচিত ঈদগড়-বাইশারীর উল্লেখ্য গ্রাম গুলোতে তড়িৎ গতিতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা করার জন্য এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে আশু হস্তপে কামনা করেন।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT