টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ঈদগাঁওতে রকমারী মাছের ছড়াছড়ি, দাম আকাশ ছোয়া

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৩
  • ২৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও::::জেলার ২য় বৃহত্তম বাণিজ্যিক এলাকানামে খ্যাত ঈদগাঁও বাজারে রকমারি প্রজাতির সামুদ্রিক ও মিঠাপানির মাছের প্রচুর সম্ভার বিদ্যমান থাকলেও  পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সাথে সাথে সর্বস্তরের ক্রেতাদের বিপুল চাহিদাকে পুজি করে মাছের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে মুনাফা লোভী জামায়াত-বিএনপি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। উদ্যেশ্য শুধু একটায় সরকারের বধনাম রটানো। সৌদি আরব সহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে এই রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কম থাকা সত্বেও প্রায় প্রতিটি এলাকায় ধনী লোকেরা বিনা পয়সায় ইফতারী বিতরণ করে থাকে সওয়াবের আশায়। কিন্তু বাংলাদেশে মতালোভী কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সরকারের মান নষ্ট করার জন্য সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সব পন্যের দাম বাড়িয়ে থাকে। বর্তমানে ফরমালিন মেশানো টমেটোতে বাজার সয়লাব তার পরে কেজি প্রতি ২০০ টাকা ধরে কিনতে হচ্ছে ক্রেতা সাধারণের। এই সময়ে  আহরণ ও সরবরাহের কোন প্রকার ঘটতি না থাকলেও পবিত্র রমজান মাসকে পুজি করে অনৈতিক ভাবে দাম বাড়িয়ে দেয়ায় প্রতি নিয়ত ক্রেতাদের পকেট কাটা যাচ্ছে। ইসলামপুর, জালালাবাদ, ঈদগাঁও, ইসলামাবাদ, পোকখালী, চৌফলদন্ডী, ভারুয়াখালী সহ বৃহত্তর ঈদগাঁও’র ৬/৭ ইউনিয়নের তিন লাধিক জনসাধারণের প্রাত্যহিক কেনাকাটার স্থান গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাঁও বাজারে বাজার মনিটরিং টিম সক্রিয় না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামত গলাকাটা দাম আদায় করে নিচ্ছে। শনিবার সাপ্তাহিক হাটের দিনে বাজারের মাছ বাজারে দিয়ে দেখা যায়, রকমারী প্রজাতির বিপুল পরিমাণ মাছ উঠেছে। কিন্তু কয়েক দিন আগের দামের তুলনায় অনেক বেশী দাম হাকাচ্ছে বিক্রেতারা। ক্রেতারা বাধ্য হচ্ছে বেশী দামে মাছ কিনতে। মাত্র ২ দিনের ব্যবধানেই আগের চেয়ে কেজি প্রতি ২০/৩০/৫০ টাকা বেড়ে গেছে দাম। শনিবার ঈদগাঁও মাছ বাজারে প্রতি কেজি নাইল্যা মাছ ৬০, পাঙ্গাস ১০০, কইপুড়ি ১২০, লইট্রা ১২৫, জাইল্যা মাছ ১৩০, তেলাপিয়া ১৪০, ঝাটকা ইলিশ ১৬০, কেচকি ২০০, পাইশ্যা ২০০, ফুল বাইলা ২৫০, তাইল্লা ২৮০, মাঝারি সাইজের রুই কাতলা ৩০০, মোছ মাছ ৩৫০, মাইট্রা ৩৫০ গুইল্লা মাছ ৩৫০, দাতিনা ৩৫০, চিংড়ি ৩৬০, ভাটা ৩৮০ ও ইলিশ আকার বেধে ৪৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ৮/১০ দিন আগের বাশি লবণ-বরপ ও ফর্মালিন দিয়ে সংরণ করা কলো ফইল্লা মাছ বিক্রি করতে দেখা গেছে।  দাম বাড়ানোর কারণ সম্বন্ধে মাছ বিক্রেতা হামিদ জানালেন, রমজান মাসে দাম বাড়ানোর কোন কারণ লাগেনা। রমজান মানে দাম বৃদ্ধি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা জানান, চৌফলদন্ডি ঘাট ঘর মৎস্য অবতরণ এলাকায় প্রতিদিন ফিশিং বোট থেকে সামুদ্রিক মাছ নামলেও ঈদগাঁও কেন্দ্রিক মাছ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট সেইগুলো ঈদগাঁও বাজারে এনে উচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে। জনগুরুত্বপূর্ণ ঈদগা

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT