টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ঈদগাঁওতে যৌথ অভিযানে কোটি টাকার কাঠ জব্দ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ আগস্ট, ২০১২
  • ১৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোঃ রেজাউল করিম ,ঈদগাঁও বিজিবি,পুলিশ ও বন বিভাগের যৌথ অভিযানে ঈদগাঁও থেকে ১হাজার ঘনফুট অবৈধ কাঠ জব্দ হয়েছে। বাঁশঘাটা ও সংলগ্ন এলাকা থেকে জব্দকৃত এ কাঠের আনুমানিক মুল্য লক্ষাধিক টাকা হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে। অভিযান আগামীকাল ও অব্যাহত থাকবে। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, নাইক্ষ্যংছড়িস্থ ১৫ বর্ডারগাড বাংলাদেশ, ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ ও উত্তর বন বিভাগের সদর, ঈদগাঁও মেহেরঘোনা ও ফুলছড়ি বন বিভাগ ৫ আগষ্ট ঈদগাঁও বাশঘাটায় যৌথ অভিযান চালায়। অবশ্য বিজিবি ভোর থেকেই উক্ত এলাকায় অবস্থান নিয়ে ঘেরাও সৃষ্টি করে। পরে অন্যান্যদের সহযোগিতায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায় কোটি টাকার কাঠ যে গুলো যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায় জব্দ করে। বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে বিজিবি সহ অন্যান্য বাহিনীর কড়া নজরদারী জব্দকৃত কাঠের মধ্যে রয়েছে আকাশমণি সহ বিভিন্ন প্রজাতির। উক্ত কাঠ থেকে রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত অবৈধ ১০ ডাম্পার কাঠ মেহেরঘোনা রেঞ্জে নিয়ে যায়। উক্ত ১০ ডাম্পার ভর্তি কাঠের আনুমানিক দাম লক্ষাধিক টাকা হতে পারে বলে জানা গেছে। ভোমরিয়াঘোনা বিট কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, অভিযান শেষ হতে আরো কয়েক দিন লাগবে। অভিযানে বিজিবির নায়েক সুবেদার আজাদ, বন বিভাগের সদর এসিএফ আহমদ নেয়ামুর রহমান,ঈদগাঁও রেঞ্জ কর্মকর্তা বাদল কান্তি দাশ ও ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা ভুপেষ দাশ মুখার্জি, মেহেরঘোনা রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম খন্দকার,ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের আইসি মোঃ কবির হোসেন ছাড়া ও জোরিয়ানালা,পানিরছড়া,কালিরছড়া, নাপিতখালী বিট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন। তবে অভিযানে করাত কল জব্দ না হওয়া এবং কাঠচোর চক্রদের কেউ আটক না হওয়ার ঘটনাকে রহস্যজনক বলে মনে করছেন সচেতন মহল। অন্যদিকে স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী ও সমিল মালিকদের দাবী, বন বিভাগের বিভাগের বিভিন্ন পয়েন্ট ও আইনশৃংখলা বাহিনীকে ঘাটে ঘাটে ম্যানেজ করে মাসুহারার বিনিময়ে উক্ত কাঠ গুলো ঈদগাঁও বাজারে পৌছে। সচেতন মহল আরো জানান, বন বিভাগ ও আইন শৃংখলা বাহিনীর সহযোগীতা ছাড়া পাহাড় কোন ক্রমেই বনাঞ্চল থেকে কাঠ খেটে বাজারে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। বার বার অভিযানের নামে স্থানীয় ছোট বড় কাঠ সংশ্লিষ্টদের অপুরনীয় ক্ষতির মাধ্যমে পথে বাসনো হচ্ছে। এদিকে গরীব অসহায় মানুষ এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে উক্ত ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে তারা কি করে ঐ ঋনের টাকা পরিশোধ করবে তা নিয়ে বিভিন্ন প্রকারের জল্পনা কল্পনা চলছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT