টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ঈদগাঁওতে দর্জিরা ব্যস্ত :::মহেশখালী এক ব্যক্তি খুন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০১৩
  • ১১১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

dorgiএস. এম. তারেক, ঈদগাঁও:::প্রতি বছরের মতো এবারো রমজান শুরু হওয়ার আগে থেকেই দর্জি পাড়ার ব্যস্ততা আগের তুলনায় অনেকগুন বেশী বেড়ে গেছে। এখন তারা এত ব্যস্ত যে কথা বলার মত ফুরসৎ নেই। ইতোমধ্যে তারা নির্ঘুম রাত কাটানো শুরু করেছেন। এক কথায়, দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন তারা । প্যান্ট,শার্ট,সেলোয়ার, কামিজ ,পায়জামা ,পাঞ্জাবী-পায়জামা ব্লাউজ ফতুয়াসহ নানা ধরনের পোষাক তৈরী করছেন তারা। ১০ রোজার পর থেকে অর্ডার নেয়া বন্ধ কওে দেবেন বলে জানালেন দর্জি ইমরান। কিছু কিছু অর্ডার নিলেও তা নিতান্তই কম। রমজানের ঈদ দর্জিদের জন্য বাড়তি আয়ের এক সূবর্ণ সুযোগ। এজন্য দর্জিরা প্রতি বছর রমজানের ঈদের দিকে মুখিয়ে থাকেন। আর তাইতো, সারা বছরের তুলনায় গ্রাহকদের কাছে এ সময় তাদের কদর অনেক গুন বেশী বেড়ে যায়। টেইলার্স মালিকদের সাথে আলাপ করে জানা গেল, বিশেষ করে এ সময় কাজের চাপ অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেকগুন বেশী বেড়ে যাওয়াতে নিজস্ব কর্মচারীদের ছাড়াও বাইরের কর্মচারীদের দিয়ে তাদের কাজ করাতে হয়। কারণ সঠিক সময়ে কাপড় ডেলীভারী দিতে না পারলে গ্রাহকদের সাথে তাদের সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটতে পারে বলে জানালেন মসজিদ রোডের সুপার টেইলার্সের সত্বাধিকারী মিলন বাবু। বর্তমানে তার কারখানায় বাইশ জন দর্জি দিনরাত কাপড় সেলাইয়ের করে যাচ্ছেন। দজির্ মোবারক জানান , এ মাসটির জন্য আমরা সারা বছর ধরে অপেক্ষায় থাকি। পোকখালী থেকে আসা ক্রেতা আনোয়ার জানান, অন্যান্য সময়ের চেয়ে এ সময়টায় কাপড়ের দামটা একটু বেশী । আগে একটি প্যান্ট বানাতে যেখানে ৭০০/-খরচ হতো বর্তমানে দোকানীরা সেগুলোর দাম হাকাচ্ছে ৯০০/- থেকে ১০০০/-পর্যন্ত। বাজারের প্রধান কাপড়ের গলির অন্য আরেকটি টেইলার্সে কর্মরত দর্জি সাহাব উদ্দিন জানান, অর্ডার এত বেশী যে ঠিক সময়ে ডেলিভারী দিতে পারাটাই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া ১০ রোজার পর থেকে অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দেয়ার চিন্তা করছেন অনেক দর্জি। ক্রেতাদের সখের কাপড়গুলো যাতে যতœ সহকারে ডেলিভারী দেয়া যায় সেলক্ষ্যে আগে ভাগে তারা এই ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছেন। সব মিালিয়ে ঈদগাঁওর দর্জিরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। মহেশখালী ধলঘাটায় চিংড়ী প্রজেক্টে এক ব্যক্তি খুন নিজস্ব প্রতিনিধি, মহেশখালী- ১৫জুলাই/১৩ইং কক্সবাজার জেলার দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে চিংড়ী প্রজেক্টে এক ব্যক্তি খুন হয়েছে। খুন হওয়া ব্যক্তির নাম আবুল কাসেম (৩২)। সে উত্তর মহরী ঘোনা এলাকার মৃত নুর আহাম্মদের পুত্র বলে জানা যায়। স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, ধলঘাট ইউনয়নের মগডেইলা ঘোনা নামক চিংড়ী প্রজেক্টের জমি লাগিয়তের টাকা পাওয়া না পাওয়া নিয়ে দীর্ঘ দিনধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। মগডেইলা ঘোনাটি ধলঘাটা ইউনিয়ন মহুরী ঘোনা এলাকার হাজী আবুল হোসেন এর পুত্র ফজল কবিরগং অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রন করে আসছিল। ১৪ জুলাই গভীর রাতে বিরোধীয় চিংড়ী প্রজেক্ট এর প্রকৃত মালিকগণ জমির লাগিয়তের টাকা না পেয়ে আবুল কাসেমসহ অপরাপর মালিকগণ চিংড়ী প্রজেক্টেটি দখল নিতে আসে। এ সময় মগডেইলা ঘোনার ঘাটে একটি লবন বোঝাই কার্গো ট্রলার নিয়ে এসে আবুল কাসেম গংরা অবস্থান নেয়। অবস্থান টের পেয়ে মগডেইল ঘোনা চিংড়ী প্রজেক্ট ও টিয়াকাটি চিংড়ী প্রজেক্টের পাহারাদারগন আবুল কাসেম সহ অপরাপর মালিকগণকে ঘিরে ধাওয়া করলে দুই পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় শুরু হয়। এ সময় ফজল কবির গংদের গুলিতে আবুল কাসেম নিহত হয় বলে একধিক সুত্রে প্রকাশ। এলাকাবাসী জানান, বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। টিয়াকাটি ঘোনার পাহারাদার মাতারবাড়ী হংস মিয়াজির পাড়ার মৃত ফরিদুল আলম এর পুত্র ছব্বর এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে। প্রকৃত ঘাতক ফজল কবির গং ঘটনাটিকে ভিন্ন হাতে প্রবাহিত করে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। গুলিতে নিহত হওয়ার পর কাসেম গংরা পালিয়ে যাওয়ার সুযোগে ফজল কবির এর লোকজন কাসেম কে মহরী ঘোনায় নিয়ে গিয়ে বাড়ী ডাকাতীর সময় গণ পিটুনিতে নিহত বলে প্রচার করে। ফজল কবির স্থানীয় ইউপ চেয়ারম্যান আহাসান উল্লাহ বাচ্চুর দুলা ভাই। এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার ওসি হাবীবুর রহমান জানান, একজন খুন হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

 

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT