টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

আমার ওস্তাদ নুরুল ইসলাম

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০১৩
  • ৫২৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Ranaআব্দুল কুদ্দুস রানা :
বাপের নামে যে চলে তাকে বলে গাধা, ভাই এর নামে যে চলে তাকে বলে আধা, নিজের নামে যে চলে তাকে বলে শাহজাদা। তুমি নিজের নামে চলো ‘শাহজাদা’ হতে পারবে।
দীর্ঘ ২৮ বছর আগে আমাকে উপদেশ দিতে গিয়ে উপরের উক্তিটি করেছিলেন, দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকার সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম।
কয়েকদিন আগে শহরের রুমালিয়ারছড়ার বাড়িতে গিয়ে ওই উক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিলে সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম হেসে বলেন, সাংবাদিকতা করে তুমি অনেক দুর এগিয়েছো। অনেক পুরস্কার, সুনাম ও খ্যাতি অর্জন করেছো। ভবিষ্যতে আরো ভাল করবে। সমাজ অনেক কিছু আশা করে।
আমিও যেখানে যাই-সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলামকে স্মরণ করি। সম্মান দিয়ে কথা বলি। ‘মামা’ সম্বোধন করলেও তিনি কিন্তু আমার ওস্তাদ। লেখালেখির হাতেখড়ি তাঁর কাছে।
একদিন, দুইদিন, তিনদিন-এভাবে কখন যে কেটে গেল ২২টি বছর। এখন ২৩ বছরে পা দিল জেলার প্রথম ও জনপ্রিয় পত্রিকা ‘দৈনিক কক্সবাজার’। পত্রিকাটি মাটি ও মানুষের জন্য কিছু করতে পেরেছে কিনা-সেই বিচারের ভার পাঠকের হাতে। কিন্তু এই পত্রিকার সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম আমাকে অনেক কিছু দিয়েছেন। আমার মত অনেককে তিনি সাংবাদিক বানিয়ে সমাজে প্রতিষ্টিত করেছেন। এজন্য আমরা সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের নিকট কৃতজ্ঞ।
দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকার ২২তম জন্মদিনে আমি সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, পরিচালনা সম্পাদক মোহাম্মদ মুজিবুল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্ট সকল সদস্যদের অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের দীর্ঘায়ু জীবন কামনা করছি।
১৯৮৪ সালের কথা। তখন আমি কক্সবাজার প্রিপ্যার‌্যাটরী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্র। লেখাপড়ার পাশাপাশি ছড়া কবিতা লেখার চর্চা শুরু। পাবলিক লাইব্রেরী, লালদীঘির পাড়ের সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা ম্যাগাজিন পড়া ছিল নিয়মিত অভ্যাস। পড়া থেকেই লেখালেখির আগ্রহ বা চর্চা। নিজের লেখা ‘ছড়া’ খামে ভরে ডাকযোগে পাঠিয়ে দিতাম তৎকালীন ‘সাপ্তাহিক স্বদেশবাণী’ অফিসে। তারপর সেই ছড়া দেখার জন্য পত্রিকার প্রহর গুনতাম। এভাবে কেটে গেল তিন বছর।
দশম শ্রেণীর টেষ্ট পরীক্ষা দিয়ে নিজবাড়ি টেকনাফ যাচ্ছি। হাতে সময় কম। তাই ডাকযোগে ছড়া না পাঠিয়ে সরাসরি খামটি দিতে গেলাম স্বদেশবাণী অফিসে। স্বদেশবাণী অফিসটি ছিল শহরের তারাবনিয়াছড়া জামে মসজিদের পাশে। অফিসে ঢুকতে দেখি- মুজিবকোট পড়া এক ভদ্রলোক চেয়ারে বসে চা খাচ্ছেন। সালাম দিয়ে খামটি তাঁর হাতে তুলে দিয়ে ফিরে যাচ্ছিলাম- এমন সময় ডাক পড়ল, দাঁড়াও। তারপর খামটি খুলে ভদ্রলোক ছড়াটি পড়লেন। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, তুমিই কি আব্দুল কুদ্দুস রানা ?
জবাব দিলাম, হ্যাঁ।
তখন তিনি আমাকে সামনের চেয়ারে বসতে বললেন এবং লাল চা’র সঙ্গে দুটি বেলা বিস্কুট খেতে দিলেন।
সেদিনের প্রথম পরিচয়ে জানলাম ভদ্রলোকটি হচ্ছেন, স্বদেশবাণীর সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম। তিনি নানা খোঁজখবর নেওয়ার ফাঁকে আমাকে উপদেশ স্বরূপ কিছু পরামর্শ দিলেন।
বললেন, ছড়াকবিতার পাশাপাশি এলাকার সমস্যা নিয়ে লিখতে। ওইদিনই (প্রথম পরিচয়ে) তিনি আমাকে এই লেখার শুরুর উক্তিটা ( শাহজাদা হওয়ার) শুনিয়েছিলেন। যা এখনও  ভুলিনি।
সেদিন খুশি মনে বাড়ি ফিরলাম। সমস্যা নিয়ে লেখার কথাটি মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। ভাবছি-কী নিয়ে লিখা যায় ?
আমার বাড়ি টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ। শাহপরীর দ্বীপ বাজারের মধ্যভাবে ছিল শতবর্ষী একটি বটগাছ। বটগাছের উত্তরপাশে ছিল সাবরাং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজির আহমদের  পরিষদ কার্যালয়। গোলপাতার ছাউনি আর বাঁশের বেড়া দিয়ে তৈরি ওই কার্যালয়ের পাশে ছিল একটি ডাকঘর। ডাকঘরের যে টেবিলটা- তার খুঁটি ছিল তিনটি। একটি খুঁটি অনেক আগে ভেঙ্গে গেলেও মেরামত করার টাকা ছিলনা। চারটি চেয়ারেরও একই দশা। নিজ গ্রামের একটি ডাকঘরের এই দৈন্যদশা হতে পারে না। খোঁজখবর নিয়ে লিখে ফেললাম জীবনের প্রথম রিপোর্ট ‘শাহপরীর দ্বীপ পোষ্ট অফিসের দৈন্যদশা’। কয়েকদিন পর রিপোর্টটি প্রকাশ হল স্বদেশবাণীতে। একদিকে আনন্দ আর অন্যদিকে ভয়। সবখানে চলছিল রিপোর্ট নিয়ে তোলপাড়।
কক্সবাজার থেকে ডাকবিভাগের কর্তারা ঘটনার তদন্তে যাবেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার জন্য আমার কাছে নোটিশ পাঠানো হল। চেয়ারম্যান নজির আহমদ আমাকে ডেকে নিয়ে এই রিপোর্ট লেখার কারন জিজ্ঞেস করলেন। শেষমেষ পোষ্টঅফিসের পরিবর্তন হলো। যুক্ত হলো ভাঙ্গা চেয়ার টেবিলের পরিবর্তে নতুন চেয়ার টেবিল। এক রিপোর্টে কেল্লাফতে। মুলত এরপর থেকেই শুরু হল সাংবাদিকতা। সঙ্গে ওস্তাদ মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের সেই উক্তি, শাহজাদা হতে চেষ্টা করো।
১৯৯১ সালের ৪ জুন ‘দৈনিক কক্সবাজার’র আত্বপ্রকাশ। সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম। সাংবাদিকতার পরিধি বেড়ে গেল। তখন মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ শুরু হল। দৈনিক কক্সবাজার এর পাশাপাশি চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদী ও ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের কাগজে নিয়মিত লেখালেখি চলছিল। এরপর দৈনিক কক্সবাজার অফিসে কাজ শুরু।
এসময় আমি শিশু কিশোরদের নিয়ে দৈনিক কক্সবাজারের সাপ্তাহিক আয়োজন ‘ঝিকিমিকি’ ও সাহিত্য পাতার বিভাগীয় সম্পদকের দায়িত্ব পালন করেছি। তখন সবাই আমাকে জানতেন ‘প্রিয়ভাইয়া’ হিসাবে। ২০০৭ সাল পর্যন্ত আমি দৈনিক কক্সবাজার এর সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। প্রথম আলোতে ব্যস্ততা বেড়ে গেলে প্রিয় দৈনিকটি ছাড়তে হয়।
‘ঝিকিমিকি’ পাতার তখন নিয়মিত লেখক ছিল অপু বড়–য়া, রাবেয়া নুপুর, কামাল হোসেন, নুরুল হাশেম সৈকত, মহাম্মদ সেলিম রেজা, মো. মোরশেদুল আলম, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, আনোয়ার হাসান চৌধুরী, এম এ হাশেম, বাবুল মিয়া চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, শাহিনুর আকতার মুক্তা, গিয়াস উদ্দিন বাবলুু, ফয়জুল হাসান চৌধুরী, শফিউল আলম মাসুদ, জসিম উদ্দিন সাঈদ, এম এরশাদুর রহমান, বেলাল আবেদীন ভুট্টু, সেবক পাল কিরণ, আহমদ শরীফ, শাহীন শাহজাহান, এম. বেদারুল আলম, নুরুল আলম নুপা, মোস্তফা মনির ভুলু, রওশন ইয়াসমিন ছোটন, এইচ এম শাহীন, নুরুল আবছার পাশা, আবদুস সবুর আমান, আহসান সুমন, এইচ এম মুক্তাসহ অনেকে।
এদের মধ্যে নুপা আলম, আহসান সুমন, এম বেদারুল আলম, আনোয়ার হাসান চৌধুরী, বাবুল মিয়া চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম চৌধুুরী সহ অনেকে বিভিন্ন টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও গনমাধ্যমে সাংবাদিকতা করছে। ঝিকিমিকি তাদের সাংবাদিক বানিয়েছে। ঝিকিমিকির সদস্যদের লেখা নিয়ে ২০০২ সালে ২৬ মার্চ প্রকাশিত হয় অনন্য একটি ম্যাগাজিন ‘ঝিকিমিকি’।
আমি ঝিকিমিকির সেই সম্পাদকীয়তে লিখেছিলাম-এই ঝিকিমিকি হচ্ছে দৈনিক কক্সবাজার’র শিশু-কিশোর পাতা, তৃণমুল পর্যায়ে নবীন কিশোর কিশোরীদের কষ্টের ফসল। নতুন লেখক লেখিকা সৃষ্টির সবুজ শ্যামল মাঠ।
সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের জন্ম ১৯৩৮ সালের ৬ জুন। পেকুয়া উপজেলার মগনামা গ্রামের সোনালী নদীর তীরে। একটি পাতার কুঠিরে। ১৯৬১ সালে তিনি চট্টগ্রাম নৈশ কলেজ থেকে ডিগ্রি লাভ করেন। রাজনীতির সাথে তিনি সাংবাদিকতাকে কেবল পেশা হিসাবে নয় বরং নেশা হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন।  চট্টগ্রামের বহুল প্রচারিত দৈনিক আজাদীর প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেকের পা-তলে বসে তিনি দৈনিক আজাদীতে সাংবাদিকতা শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত শেখ ফজলুল হক মনি সম্পাদিত “ দৈনিক বাংলার বাণী’র কক্সবাজার জেলা সংবাদদাতা হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করেন। ১৯৯৫ সালের ১৫ আগষ্টের কালো রাতে স্বাধীনতার স্থপতি, জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উচ্চাবিলাসী সেনা কর্মকর্তার হাতে নির্মমভাবে সপরিবারে নিহত হন। তখন রাজনীতির পাশাপাশি কলমযুদ্ধ চালিয়ে যাবার লক্ষে অবিচল ছিলেন সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম। জনগনকে সজাগ করতে লেখনী হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। তাই ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বর মাসে কয়েকজন সাংবাদিক নিয়ে তিনি প্রতিষ্টা করেন ‘কক্সবাজার প্রেসক্লাব’। ১৯৭৬ সালে তিনি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের প্রতিষ্টাতা সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর কক্সবাজার থেকে পত্রিকা প্রকাশের তোড়জোড় শুরু। রাজনৈতিক পরিবেশ না থাকায় তখন পত্রিকা প্রকাশের অনুমতি (ডিক্লারেশন) নিতে বেগ পেতে হত। ১৯৭৮ সালের ২০ জুলাই কক্সবাজারের সর্বপ্রথম সরকারি ডিক্লারেশন প্রাপ্ত “সাপ্তাহিক কক্সবাজার” আত্মপ্রকাশ করে। দুই বছর পর নাম পরিবর্তন করে ‘সাপ্তাহিক  স্বদেশবাণী”তে রূপান্তর।
সাপ্তাহিক স্বদেশবাণী আর দৈনিক কক্সবাজার যাই বলি, সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের হাত ধরে আমরা অনেকে সাংবাদিক হতে পেরেছি। জেলার প্রতিষ্টিত সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন চৌধুরী (বর্তমানে যায়যায়দিনের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অফিস প্রধান), প্রিয়তোষ পাল পিন্টু (দৈনিক সংবাদ), তোফায়েল আহমদ ( কালের কন্ঠ), ফজলুল কাদের চৌধুরী (নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক বাঁকখালী), আবু তাহের চৌধুরী (দৈনিক সমকাল), মুহাম্মদ আলী জিন্নাত (নির্বাহী সম্পাদক- দৈনিক রূপসীগ্রাম) এম শমসের বেলাল (দৈনিক বাংলারবাণী), তপন চক্রবর্তী (বাংলানিউজ ডটকম এর চট্টগ্রাম অফিস প্রধান), ম. রহমান মুফিজ (যায়যায়দিন ঢাকা অফিসের সহকারী সম্পাদক ), নজরুল ইসলাম বকশি সহ অনেকে দৈনিক কক্সবাজারে সাংবাদিকতা করেছেন, এখনও করছেন। তাঁদের কাছেও সম্পাদক নুরুল ইসলাম শ্রদ্ধারপাত্র।
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে আমি এই লোকটিকে (সম্পাদক) কোনদিন উত্তেজিত হতে দেখিনি। কোন কারণে একটু কড়াভাষায় কথা বললেও মুহুর্তে তিনি হেসে তা উড়িয়ে দিতেন। ২০ বছর আগে সাংবাদিকতা নিয়ে তাঁকে যেরকম ব্যতিব্যস্ত দেখেছি, বৃদ্ধবয়সেও তার কমতি নেই। কয়েক মাস ধরে তিনি শাররীকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। এরমধ্যেও নিজের পত্রিকার খোঁজখবর রাখছেন। মাঝেমধ্যে ছুটে আসেন পত্রিকা অফিসে। ছেলেতুল্য সাংবাদিকদের সাথে গল্পস্বল্প করে ফিরে যান আপন নীড়ে। না হলে তাঁর জীবন চলেনা।
সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকতার পেছনে জীবনটা শেষ করে দিলেন-কিছু পেয়েছেন ?
জবাবে সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, ব্যবসা বাণিজ্য কিংবা রাজনীতি করলে এই সময়ের মধ্যে হয়তো কোটিপতি বনতে পারতাম। কিন্তু এই সম্মান পেতাম না। সাংবাদিকতা করেছি বলেই মানুষ শ্রদ্ধা করেন। ভালবাসছেন-সম্মান জানাচ্ছেন। এর চেয়ে বড় পাওয়া জীবনে আর কি হতে পারে ?
সম্পাদক নুরুল ইসলাম বলেন, পত্রিকা প্রকাশের মুল লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছিল সমাজ সংস্কার। ভালোর পথে মানুষকে সচেতন করা। আমাদের চোখ, মুখ কান খোলা ছিল। আমরা যা দেখেছি, যা শুনেছি, তার সবটাই লিখেছি। আমরা নিপীড়িতদের কথা বলতে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের কথা লিখতে  কলম ধরেছি। আমরা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে মাথা নত করিনি। ভবিষ্যতেও সে যাত্রা অব্যাহত থাকবে।
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে আমরা দৈনিক কক্সবাজারকে আরো আধুনিক দেখতে চাই। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বাড়ানোর পাশাপাশি ভুল বানান, মানহানীকর, কুরুচিপুর্ণ ও বিতর্কীত লেখা ও ছবির পরিহার চাই। যে প্রতিবেদন ছাপানো হবে-তার প্রতিবাদ পরেরদিনের পত্রিকায় দেখতে চাইনা। আগের মত সাপ্তাহিক আয়োজন ঝিকিমিকি, সাহিত্য, খেলাধুলা ও মহিলা পাতার বিন্যাস চাই। চাই অনলাইন নির্ভর দৈনিক কক্সবাজার। সকালে ঘুম থেকে ওঠে যেন দেশবিদেশের মানুষ প্রিয় দৈনিকটির মুখ মুঠোফোনে অথবা কম্পিউটারে দেখতে পান। আমার প্রিয় দৈনিকটি বেঁচে থাকুক সকল পাঠকের অন্তত জুড়ে-সব সময়, প্রতিদিন।
# আব্দুল কুদ্দুস রানা ঃ দৈনিক প্রথম আলো’র স্টাফ রিপোর্টার ও প্রথম আলো কক্সবাজার অফিসের প্রধান।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT