বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত ইমেগ্রেশান কার্যক্রম বন্ধঃ সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে

প্রকাশ: ১০ নভেম্বর, ২০১৬ ৫:৫৬ : অপরাহ্ণ

মোহাম্মদ আশেক উল্লাহ ফারুকী:::বাংলাদেশ-মিয়ানমার দুদেশের সীমান্ত পর্যায়ে ইমেগ্রেশান জেটি ফাঁকা। গত একমাস যাবৎ দুদেশের ব্যবসায়ীরা ইমেগ্রেশান দিয়ে যাতায়াত কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে সরকার ইমেগ্রেশান খাত থেকে প্রচুর পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।  ৯ অক্টোবর থেকে দুদেশের সীমান্ত মংডু ও টেকনাফ স্থল বন্দরের ইমেগ্রেশান কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সীমান্ত বাণিজ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব এবং এর সাথে জড়িত মালিক ও শ্র“মিকেরা পড়েছে আর্থিক সংকটে। গত ৮ নভেম্বর এ প্রতিবেদক দুপুর ১২টায় টেকন্ফ স্থল বন্দর পরিদর্শনে গেলে সীমান্ত বাণিজ্যের আওতায় আমদানিপণ্য আসলেও ইমেগ্রেশান জেটি ছিল ফাঁকা। ইমেগ্রেশান অফিসে কর্মকর্তা কর্মচারীরা শুধু অবসর সময় কাটাচ্ছে এবং পুরাতন ফাইল নড়াছড়া করতে দেখা যায়। মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে কাউয়ার বিলে মিয়ানমার সীমান্ত পুলিশ (বিজিপি) চৌকিতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুদেশের সীমান্ত পর্যায়ে ইমেগ্রেশান জেটি দিয়ে ভ্রমন যাতায়াত কার্যক্রম একেবারের বন্ধ রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুদেশের সীমান্তের স্থল বন্দর পর্যায়ে ইমেগ্রেশান দিয়ে যাতায়াত বন্ধ থাকায়, বিকল্প সীমান্ত চোরাইপথের ঘাট দিয়ে আসছে রোহিঙ্গা এবং সেই সাথে ঢুকছে ইয়াবার ও স্বর্ণের চালান। শাহপরীরদ্বীপ ঘোলার পাড়া, জালিয়াপাড়া, নাইট্যংপাড়া, জিম্মংখালী ও উংচিপ্রাংএ পাঁচটি চোরাইঘাট দিয়ে দৈনিক শত শত রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানায়। এ প্রসঙ্গে ইমেগ্রেশান কর্মকর্তার মোঃ খালেদ এর সাথে জানতে চাইলে তিনি বলেন এখনো এর চিঠি আসেনী।


সর্বশেষ সংবাদ