মহেশখালীতে চাষীরা লবণ মাঠে..২/১ দিনের ভিতরে লবণ উৎপাদন

প্রকাশ: ২৩ নভেম্বর, ২০১২ ৮:২০ : অপরাহ্ণ

মোহাম্মদ সিরাজুল হক সিরাজ, মহেশখালী…মহেশখালীতে লবণ মাঠের চাষীরা মাঠের কাজ সম্পন্ন করেছে। ২/১ দিনের ভিতরে লবণ উৎপাদিত হবে বলে লবণ মাঠের হাজার হাজার লবণ চাষীরা জানিয়েছেন। মহেশখালী উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন. ১টি পৌরসভাতে প্রায় হাজার হাজার একর লবণ মাঠের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। এতে বড় মহেশখালী ইউনিয়নে প্রায় ২২ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে। কুতুবজোম ইউনিয়নে প্রায় ২১ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে। হোয়ানক ইউনিয়নে প্রায় ২৮ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে। মাতারবাড়ী ইউনিয়নে প্রায় ২৯ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে। ধলঘাটা ইউনিয়নে ১৫ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে। কালারমারছড়া ২০ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে। শাপলাপুর ইউনিয়নে ২ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে। ছোট মহেশখালীতে মাত্র ৫ শত একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে। মহেশখালী পৌরসভাতে প্রায় ৭ শত একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে। হাজার হাজার লবণ চাষীরা লবণ চাষের মাঠ সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করে রেখেছে। কিছু কিছু মাঠে সামান্য সামান্য লবণ উৎপাদান হচ্ছে। বাদ বাকী হাজার হাজার একর লবণ মাঠের জমিতে ২/১ দিনের ভিতরে পুরোপুরিভাবে লবণ উৎপাদিত হবে বলে জানিয়েছে লবণ চাষীরা ও লবণ জমির মালিকেরা। লবণ চাষীরা আরো বলেন, আবহাওয়া অনূকুল থাকলে মহেশখালী তথা কক্সবাজার জেলার লবণ উৎপাদন সিংহভাগ হবে এবং দেশের লবণের চাহিদা মিটিয়ে ঘাটতি পূরণে সক্ষম হবে বলে আশাবাদী লবণ চাষীরা ও লবণ জমির মালিকেরা। লবণ চাষীরা জানান সরকার ন্যায্য উচিৎ মূল্যে লবণ ক্রয়-বিক্রয় হলে চাষীরা উপকৃত হবে এবং দেশের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।


সর্বশেষ সংবাদ