শতাধিক রমণী নিয়ে বিদেশে পালানোর অপেক্ষায়

প্রকাশ: ২৬ জুন, ২০১২ ১২:২০ : অপরাহ্ণ

নজির আহমেদ সীমান্ত টেকনাফ প্রতিনিধি...রোহিঙ্গা ইস্যুতে অন্যতম ইন্দনদাতা মৌলভী কলিম উল্লাহ শতাধিক রোহিঙ্গা সুন্দরী রমনীকে পাকিস্তান নিয়ে যেতে প্রস্তুতিনিয়ে চট্রগ্রামের আমিরাবাদ তেন্ডল পাড়া এলাকায় আবস্তান নেওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। সে মিয়ানমারে রাখাইন ও মুসিলম সম্প্রদায়ের মধ্যে সৃষ্ট দাঙ্গার আটদিন পর্বে পাকিস্তান থেকে টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপের মিস্ত্রীপাড়ায় এসেছিল। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার প্রতিবাদে কক্সবাজার শহরে সংবাদিক সম্মেলনকরার সময় মৌলভী কলিম উল্লাহর সাত সহযোগীকে পুলিশ আটক করলেও সে পুলিশের নজর ফাঁিকদিয়ে পালিয়ে যায়। ওই সংবাদ জানাজানি হলে টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপে মৌলভী কলিম উল্লাকে নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে তার স্ত্রী নুর হাবা স্বামীকে রোহিঙ্গাদের এ দেশে আনার বিরোধিতা করে। তার বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া রোহিঙ্গাদের পুলিশে দেওয়ার কথা জানালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপযার্য়ে মৌলভী কলিম উল্লাহ তার দশ সন্তানের মা (স্ত্রী নুহাবা) কে তালাক দেয়। মেীলভী কলিম উল্লাহ এক জন রোহিঙ্গা ইন্দনদাতা, আন্তজাতিক মাফিয়া ডনদের একজন। পাকিস্তানের গোয়েন্দার তার সাথে সম্পর্ক রয়েছে। সে রোহিঙ্গাদের সংঘঠিত করে মিয়ানমারের সম্প্রদায়িক দ্ঙ্গাকে দীর্ঘায়ু করে রোহিঙ্গাদের নামে আরব দেশ গুলোতে গিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিতে চেষ্টায় রয়েছে।

এবিষয়ে সে কমপক্ষে ১৬বার বিদেশ সফর করেছে।সে বেশির ভাগই পাকিস্তান, আফগানিস্তান, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, আরব আমিরাততে প্রতি মাসে এবার করে সফর করে। যতটুকু জানা গেছে মৌলভী কলিম উল্লাহ শতাধিক রোহিঙ্গা সুন্দরীদের নিয়ে বিদেশে পাচার করবে। সে পুর্বেও ১০হাজার মানুষকে মালয়েশিয়া নিয়ে গেছে অবৈধভাবে। তার স্ত্রী নুর হাবা মেয়ে জামাই ও দশ জন সস্তান তাকে আটক করে দেশবিরোধী কর্মকান্ড করার অপরাধের চিত্র তুলে ধরে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সুত্র জানিয়েছে রোহিঙ্গা সুনদরী মহিলা ছাড়াও ডজনকানেক মিয়ানমার আর এস ও নেতাদের বাংলাদেশে নিয়ে এসে আশ্রয়দিয়েছে। তাদেরকে নিয়ে মিয়ানমারে রাখাইনদের বিরোদ্ধে যুদ্ধ করতে ছেয়েছিল তার স্ত্রী জামাতার বাধারমুখে সে পালিয়ে অন্যত্র আশ্রয়নিতে বাধ্য হয়েছে। এ বিষয়ে তার সাথে চট্রগ্রামে বসবাসকারি কিছু পুরাতন রোহিঙ্গাও রয়েছে।


সর্বশেষ সংবাদ