সাংবাদিক শুদ্ধি অভিযান!

প্রকাশ: ১৯ জুন, ২০১৫ ৬:২৬ : অপরাহ্ণ

কা268331মাল আহমেদ : দেশে সাংবাদিকতার নীতিগত মান এবং সাংবাদিকদের স্বাধীনতার সুরক্ষা ও প্রসার ঘটানোর উদ্দেশ্যে আইন করে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল। প্রতিষ্ঠানটি তার প্রধান দুটি কর্তব্য সম্পাদনে যে খুব একটা সাফল্য দেখিয়েছে, তেমনটি দাবি করা তাদের পক্ষে সম্ভব বলেও মনে হয় না। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি এ সপ্তাহে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে তার চেয়ারম্যান সাবেক বিচারপতি মোমতাজ উদ্দিনের একটি মন্তব্যের কারণে। তিনি বলেছেন যে তিনি দেশের সব সাংবাদিকের জন্য একধরনের রেজিস্ট্রেশন-ব্যবস্থা চালু করতে চান। সাংবাদিকদের নিবন্ধন করে প্রথমে পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বললেও পরে এক ব্যাখ্যায় তাঁরা জানিয়েছেন যে তাঁরা সনদ দেবেন। চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমার প্রস্তাব হলো, জাতীয় পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের “এ” শ্রেণিতে, জেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের “বি” শ্রেণিতে এবং উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের “সি” শ্রেণিভুক্ত করে এই তালিকা করা যেতে পারে। এটি করা গেলে স্কুল পাসসহ যে কেউ সাংবাদিক হতে পারবেন না। এ ছাড়া কোথাও সমস্যা হলে ওয়েবসাইট দেখিয়ে বলতে পারবেন তিনি সাংবাদিক।’ এর আগে কথা উঠেছিল যে, ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য বন্ধে তাঁদের সনদ দেওয়ার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের শ্রেণীকরণ ও সনদ বিতরণের এই অযাচিত উদ্যোগের উদ্দেশ্য আসলে কী? সাংবাদিকতার সনদ নিয়ে একজন সাংবাদিক কী করবেন? ধরা যাক, আমি দক্ষিণের জেলা খুলনার দৌলতপুর উপজেলায় বাস করি এবং দেশে-বিদেশে সাংবাদিকতায় আমার ৩০ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে আমি একটি কাগজে শুধু কলাম লিখি। তাহলে কি আমাকে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির স্বাক্ষরযুক্ত সি শ্রেণির সনদ নিয়ে আমার পেশায় টিকে থাকতে হবে? কেন একজন সম্পাদকের সনদ (নিয়োগপত্র) এবং পাঠকের প্রতিক্রিয়া আমার পেশাগত স্বীকৃতির জন্য যথেষ্ট বিবেচিত হবে না?

আমার পেশাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে ঢাকার প্রথম সারির কোনো দৈনিক পত্রিকা আমাকে যে পারিশ্রমিক দেয়, তার ওপরে ওই সনদের কি প্রভাব পড়বে? বাংলাদেশের অনেক শহর থেকেই এখন ভালো মানের কয়েকটি কাগজ বের হয়, যেগুলোর প্রচারসংখ্যা ঢাকার অনেক কথিত ‘প্রথম শ্রেণি’র কাগজের চেয়ে বেশি। সেসব পত্রিকার সাংবাদিকেরা কেন বি শ্রেণির সনদ পাবেন? ভুয়া সাংবাদিক ধরা প্রেস কাউন্সিলের কাজ হলে, সমাজে নিত্যদিন যেসব প্রতারণা, জালিয়াতির মতো অপরাধ ঘটে, সেগুলোর জন্য কি এ রকম আলাদা কিছু প্রতিষ্ঠান গড়তে হবে? যেমন ভুয়া পুলিশ পরিচয়দানকারীর জন্য পুলিশ কাউন্সিল? আইনজীবীদের পেশাগত নীতি-নৈতিকতা মেনে চলার জন্য প্রতিষ্ঠিত বার কাউন্সিলের সমতুল্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রেস কাউন্সিল যদি নিজেদের বিবেচনা করে, তাহলে তা প্রতিষ্ঠানটি যে উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, তা থেকে বিচ্যুত হবে।

সাংবাদিকদের সংখ্যাগরিষ্ঠই কোনো না কোনো নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করেন এবং নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সম্পাদকীয় নীতিই তাঁদের চালিকাশক্তি। প্রত্যেক সাংবাদিক তাঁর সম্পাদক ও প্রকাশকের কাছে যেমন জবাবদিহি করে থাকেন, তেমনি প্রতিদিন তাঁর লেখা বা সৃষ্টির পাঠক, দর্শক-শ্রোতা বা গ্রাহকের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও প্রয়োজনীয়তার প্রমাণ রাখেন। পাঠক বা গ্রাহকের কাছে একজন সাংবাদিকের বিশ্বাসযোগ্যতা তখনই ক্ষুণ্ন হয়, যখন তিনি ভুল করেন, যেমন এলএলবি ডিগ্রিকে ল লিগাম ব্যাচেলর (লিগাম শব্দটি ল্যাটিন) অথবা সাদামাটা ভাষায় আইনে স্নাতক না লিখে তিনি যদি লেখেন ব্যাচেলর অব ল অ্যান্ড লিটারেচার। কিন্তু একজন আইনজীবী যদি তাঁর ডিগ্রিটা ভুলভাবে লেখেন, তাহলেও তাঁর পেশায় কোনো ক্ষতি না-ও হতে পারে।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য সম্পর্কে লেখা আছে, ‘সেফগার্ডিং দ্য ফ্রিডম অব প্রেস অ্যান্ড প্রটেক্টিং ইনডিভিজুয়ালস অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনস ফ্রম অ্যাকসেস বাই দ্য মিডিয়া’। এই ঘোষিত বিবৃতির দুটো অংশ আছে, যার মধ্যে শেষেরটি রীতিমতো উদ্বেগজনক। প্রথম অংশ থেকে বোঝা যায় যে বর্তমান কাউন্সিলের ধারণা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আছে এবং সেটা সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন (যদিও অনেকের ধারণা দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে আসছে, তা প্রতিকার করা যাচ্ছে না এবং তার সুরক্ষায় কোনো প্রতিষ্ঠানই কাজ করছে না)। আর দ্বিতীয় অংশে ধারণা মেলে যে প্রেস কাউন্সিলের বিশ্বাস গণমাধ্যমকর্মীরা (সাংবাদিক এবং অন্যান্য সহায়ক কর্মী) এমন মাত্রায় বাড়াবাড়ি করে থাকে যে তা থেকে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করা দরকার। প্রেস কাউন্সিল যে আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্টে আইনটি তৈরির যে উদ্দেশ্য লেখা আছে ‘ফর দ্য পারপাস অব প্রিজার্ভিং দ্য ফ্রিডম অব দ্য প্রেস অ্যান্ড মেইনটেইনিং অ্যান্ড ইমপ্রুভিং দ্য স্ট্যান্ডার্ড অব নিউজপেপারস অ্যান্ড নিউজ এজেন্সিস।’ আইনটির ১১ নম্বর ধারায় কাউন্সিলের লক্ষ্য ও কার‌্যাবলির মধ্যে সাংবাদিকতার মান উন্নয়নের জন্য নীতিমালা তৈরি, দায়িত্বশীলতা এবং নাগরিক অধিকারের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর কথা থাকলেও তাতে কোথাও সাংবাদিকদের বাড়াবাড়ির কথা নেই। সাংবাদিকদের বাড়াবাড়ি থেকে ব্যক্তি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করাকে যে কাউন্সিল তাদের প্রধান কর্তব্য বলে বিবেচনা করে, তাদের প্রস্তাবিত সাংবাদিক নিবন্ধন প্রকল্প তাই স্বাভাবিকভাবেই নানা ধরনের শঙ্কার জন্ম দেয়। প্রতিষ্ঠান বলতে যেমন বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, বাণিজ্যিক উদ্যোগ বা স্থাপনা, রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদকে বোঝায়, তাতে গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কারও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সুযোগ সাংবাদিকদের আর থাকে কোথায়? দেশে সাংবিধানিক দিক দিয়ে শুদ্ধ অথচ অনির্বাচিত একটি সরকার যখন ক্রমেই মতভিন্নতা এবং সমালোচনায় অস্থির হয়ে উঠছে, তখন সরকারি অনুদানের ওপর নির্ভরশীল প্রেস কাউন্সিলের এ ধরনের উদ্যোগ নানা ধরনের সন্দেহের জন্ম দিতে বাধ্য। দলীয়করণের যুগে এ ধরনের অভিনব আয়োজন কি সাংবাদিকতায় ‘শুদ্ধি অভিযানের’ আলামত? প্রেস কাউন্সিলকে ক্ষমতাসীনদের প্রতি আনুগত্য যাচাইয়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে প্রেস কাউন্সিল হচ্ছে সংবাদপত্রশিল্পের নিজেদের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত আত্মনিয়ন্ত্রণকারী (সেলফ রেগুলেটরি) প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আমাদের এখানে কথিত ভুয়া সাংবাদিক থেকে এই শিল্পকে মুক্ত করার নামে শুদ্ধি অভিযানের উদ্যোগ যে প্রেস কাউন্সিল নিতে চাইছে, সেটি সরকারের করুণানির্ভর একটি প্রতিষ্ঠান। আমাদের সংবাদপত্রশিল্পও আজ পর্যন্ত প্রেস কাউন্সিলকে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করার কোনো চেষ্টাও করেনি। এটি সব সময়ই রাজনৈতিক বিবেচনায় সরকার-সমর্থকদের নিয়ে গঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। সরকার ও সরকারি দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা কোনো খবরের জন্য সংক্ষুব্ধ হলে প্রতিকারের জন্য এই কাউন্সিলের কাছে শরণাপন্ন হয়েছেন এমন নজির বিরল। বরং রাজনীতিকদের পছন্দ হচ্ছে ফৌজদারি আদালত। কেননা, তাতে সম্পাদক-প্রকাশক-রিপোর্টারকে বিচারের আগেই জেলে ঢোকানোর একটা সুযোগ পাওয়া যায়। নিদেনপক্ষে, হয়রানির মধ্যে ফেলা যায়।

ব্রিটেনে সংবাদপত্রশিল্পে এ ধরনের আত্মনিয়ন্ত্রণকারী ব্যবস্থায় প্রেস কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৫৩ সালে। কিন্তু সাংবাদিকতার নীতিমালা মেনে চলায় কারও কারও ব্যর্থতার পটভূমিতে আশির দশকে সংবাদপত্রশিল্পের ভেতর থেকেই সেটি সংস্কারের দাবি ওঠে। তার প্রায় এক দশক পর ১৯৯১ সালে গড়ে তোলা হয় নতুন প্রতিষ্ঠান, প্রেস কমপ্লেইন্টস কমিশন (পিসিসি)। দেশটির জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকাগুলোর সম্পাদকেরা ওই পিসিসির জন্য একটি আচরণবিধি (কোড অব প্র্যাকটিস) তৈরি করে দেন এবং প্রতিষ্ঠানটির অর্থায়নের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি চালু করেন। কোনো সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে সাংবাদিকতার নীতিমালা লক্সঘন ও ব্যক্তির গোপনীয়তার অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার মতো অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি করাই ছিল পিসিসির কাজ। তবে ফোন হ্যাকিং (অন্যের ফোনে রেকর্ড হওয়া বার্তা বে আইনিভাবে শোনা) কেলেঙ্কারির পর এখন সেই পিসিসিও বিলুপ্ত হয়েছে। পিসিসির বিকল্প হিসেবে এখন দুটো প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হলেও সংবাদপত্রশিল্প এখন ওই দুই সংস্থার কর্তৃত্ব মেনে নেওয়ার প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত। সেখানে এমন পত্রিকাও আছে, যারা আগেও পিসিসিতে অংশ নেয়নি এবং বর্তমানেও দুটি সমান্তরাল প্রতিষ্ঠানের কোনোটিকেই গ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে। সে কারণে কিন্তু কোনো পত্রিকা সেখানে ভুয়া হিসেবে অভিহিত হয়নি কিংবা সেসব পত্রিকার সাংবাদিকদের কোনো অবমূল্যায়ন হয়নি।

সাংবাদিকদের যোগ্যতা নির্ধারণের কোনো প্রশ্ন যদি আসে, তাহলে সেটি তো আসবে নিয়োগকর্তা এবং এ বিষয়ে শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে। যোগ্যতার বিষয়ে সনদ দেওয়ার কথা সরকারের প্রতিষ্ঠিত প্রশিক্ষণকেন্দ্র—প্রেস ইনস্টিটিউট বললেও বলতে পারে। কিন্তু প্রেস কাউন্সিল অন্যের এখতিয়ারে হস্তক্ষেপ করতে চায় কেন? ঢাকার বাইরের সাংবাদিকদের পরিচয়গত কোনো সংকট (আইডেন্টিটি ক্রাইসিস) আছে এমন ধারণা কাউন্সিলের কোত্থেকে হলো? আমরা তো বরং প্রশাসনের কাছ থেকে অহরহই শুনতে পাই যে মফস্বলে সাংবাদিকদের দাপট আলাদা!

পরিচয়পত্রের প্রসঙ্গ যদি আসে, সে ক্ষেত্রেও প্রেস কাউন্সিলের উদ্যোগটি হবে অযাচিত এবং তাতে নতুন সমস্যার জন্ম হবে। প্রেস কাউন্সিলের ইস্যু করা পরিচয়পত্র কি সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও স্থাপনায় অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে? এ প্রশ্নের উত্তরটি হচ্ছে—না। সরকারের তথ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পত্রিকাভেদে নির্দিষ্টসংখ্যক সাংবাদিককে অ্যাক্রিডিটেশন দেওয়ার যে ব্যবস্থা চালু আছে, সেই অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড থাকার পরও সরকারের নিরাপত্তাগত গুরুত্ব বিবেচনায় অনেক দপ্তর ও স্থাপনায় প্রবেশের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রয়োজন হয়। যে পরিচয়পত্র পেশার কাজের ক্ষেত্রে কোনো কাজে আসবে না, এ রকম একটা মূল্যহীন আনুষ্ঠানিকতার ঝামেলা চাপিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা তাই কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বরং সম্পাদক এবং প্রকাশকদের এখন বিবেচনা করা প্রয়োজন যে আত্মনিয়ন্ত্রণের জন্য কার্যকর একটি বিকল্প ব্যবস্থা উদ্ভাবন করা। সম্পাদক পরিষদ গত বছর যেমন সাংবাদিকতার নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল, ঠিক তেমনই তাদের এখন ভাবা উচিত যে সেই নীতিমালা অনুসরণের বিষয়টি তদারকের জন্য কী ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। ৩৬ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত প্রেস কাউন্সিল এত দিনেও তার উপযোগিতা প্রমাণে সক্ষম হয়নি। আবার আর দশটা সরকাির অর্থায়ননির্ভর কথিত স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের মতো প্রেস কাউন্সিলও এখন বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রসার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার পরিবর্তে তা নিয়ন্ত্রণ ও সংকোচনের হাতিয়ারে রূপান্তরিত হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন যেভাবে ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতির দায়মুক্তি কমিশনে ( দুদক) রূপান্তরিত হয়েছে সংবাদপত্রশিল্পে সে রকম কিছু কোনোভাবেই প্রত্যাশিত হতে পারে না।

কামাল আহমেদ: সাংবাদিক।


সর্বশেষ সংবাদ