মহেশখালীর পাহাড় ও প্যারাবন থেকে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর, ২০১২ ৮:৫৭ : অপরাহ্ণ

সিরাজুল হক সিরাজ …মহেশখালীর পাহাড় ও প্যারাবন থেকে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলা মহেশখালীর বিশাল পাহাড়ী এলাকায় পান বরজ, নাল জমি, ছন খোলা, খিলা জমি, মুদ্দত জমি, পতিত জমি, লায়ক পতিত জমি বাৎসরিক লাগিয়ত করে হাজার হাজার টাকা বন বিভাগের রেঞ্জার, বিট অফিসারগুলি মিলিতভাবে সরকারী কোষাগারে টাকা জমা না দিয়া নিজেরা ভাগ বন্টন করে লুটপাট করিয়া থাকে। অথচ হাজার হাজার টাকা সরকার খরচ করে বিভিন্ন প্রজাতির বাগান তৈরি করে থাকে। উক্ত বাগানের বড় বড় গাছগুলি গোপনে বিক্রি করে সেই টাকাগুলিও তাদের পকেটস্থ করে। বিভিন্ন গাছ চোরের দল তাদের সহিত সখ্য করে বিভিন্ন জায়গা থেকে চুরি করে গাছ আনে। এগুলি ফরেষ্ট অফিসে জমা করে ৩/৪ দিন পর উক্ত গাছগুলি কোথায় না কোথায় চলিয়া যায়। সরকার হাজার হাজার টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে বন বিভাগের দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা নিরহ মানুষকে মামলা দিয়া অনর্থক হয়রানী করিয়া থাকে। আসল গাছ চোরকে কখনো মামলায় জড়ায় না। রাজস্ব বিভাগের জায়গায় লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করে দাখিলা প্রদান করিয়া থাকে। কিন্তু এই দূর্নীতিবাজ বন বিভাগের ও প্যারাবনের কর্মকর্তারা যে জমি লাগিয়ত করে সেই টাকার সরকারী দাখিলাও নাই এবং সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করিয়া এই দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা আঙ্গুল ফুলিয়া কলাগাছে পরিনত হচ্ছে। এর পরেও গাছের সমিল কতগুলি ধরিয়া আনে ২/৩ দিন পর বিপুল টাকার বিনিময়ে আবার ছাড়িয়া দেয়। এই দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বাণিজ্য বন্ধের জন্য বিভাগীয় তদন্তের দাবী করেছেন মহেশখালীর সচেতন মানুষ।


সর্বশেষ সংবাদ