টেকনাফ কায়ুকখালী খালের উভয় পাশের জায়গা ভরাট

প্রকাশ: ২১ জুন, ২০১২ ৪:০৯ : অপরাহ্ণ

IMG_20140528_120717.টেকনাফ পৌর এলাকার প্রাণকেন্দ্রের উপর দিয়ে প্রবাহিত ঐতিহ্যবাহী কায়ুকখালী খালের উভয় পাশের জায়গা ভরাট করে স্থানীয় প্রভাবশালী ভুমিদস্যুরা প্রতিযোগিতায় নেমেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে , টেকনাফ পৌরএলাকাস্থ বিজিবি সীমান্ত ফাড়ি হয়ে কায়ুকখালী খালটি নাফ নদীর সাথে মিশে গেছে। এ জনগুরুত্ব খালটি দেশ ও বিদেশে ব্যবসা -বানিজ্যের জন্য প্রসিদ্ধ । তাছাড়া ও প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ধলের পানি  এ খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নাফ নদীতে গঢ়িয়ে যায়। গত কয়েক বছরে দেখা যায়,এ খালটি উভয় পাশের জায়গা ভরাট করে কতিপয় প্রভাবশালী  দখল করে ব্যবসা বানিজ্য এবং বসতবাড়ী ও দোকানঘর নির্মাণ করে যাচ্ছে। এতে করে পৌর এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং ভারসাম্য মারাত্বকভাবে ব্যহত হচ্ছে। সম্প্রতিক সময়ে টেকনাফে জায়গা জমির মূল্য দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়াতে ঐসব প্রভাবশালীরা বেপরোয়া হয়ে কায়ুকখালী খালের উভয় পাশের জায়গা ভরাট করে দখলে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেছে। অপরদিকে এ অবস্থায় পানি চলাচলের পথ সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং বিরুপ প্রভাব পড়েছে খালের উভয় পাশের জনঅদূষিত এলাকা সমূহ । কেকে খালের পাশে অলিয়াবাদ, ইসলামাবাদ, কেকে পাড়া ও টেকনাফ পৌর এলাকার বসবাসরত বসতবাড়ী ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কায়ুকখালী খালের উভয় পাশের খাল ভরাট হওয়ার পেক্ষিতে পাহাড়ি ঢলে বর্ষা মৌসুমে ডুবে যায়। পাশাপাশি খাল দিয়ে দুর পাল্লার জলযান এবং পন্যবাহী ট্রলার অনায়াসে যাতায়াত করতে বাধাগ্রস্ত  হচ্ছে। এদিকে কেকে খালের ব্রীজের একাংশ এবং ছোট ও বড় হাজী এলাকার খালে উভয় পাশ্বের জায়গা ভরাট প্রতিযোগীতায় নেমেছে প্রভাশালীরা । ওরা দখলকৃত জায়গায়  ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং মৎস্যঘের পরিণত করেছে। বিষয়টি প্রশাসনের চোখের সামনে করলে ও এর বিরুদ্ধে কোন ধরণের প্রতিকার নিচ্ছে না। ফলে ঐতিহ্যবাহী এ জনগুরুত্ব পূণ খালটি শ্রীহীন এবং ক্রমানয়ে বেদখল হয়ে যাচ্ছে ।


সর্বশেষ সংবাদ