সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৮ হাজার ৮৩২টি শিক্ষক পদ খালি

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১২:১২ : পূর্বাহ্ণ

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক::  বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮ হাজার ৮৩২টি শিক্ষক পদ খালি রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক পদে সাত হাজার ১৮টি এবং সহকারী শিক্ষক পদে ২১ হাজার ৮১৪টি পদ রয়েছে।

মঙ্গলবার সংসদের বৈঠকে সরকারি দলের মামুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এ তথ্য জানান।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

একই প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী সংসদকে জানান, সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মোট শূন্যপদ সাত হাজার ১৮টি। আর সহকারী শিক্ষকের মোট শূন্য পদ ২১ হাজার ৮১৪টি। মন্ত্রীর তথ্যমতে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদের মধ্যে পদোন্নতিযোগ্য চার হাজার ১৬৬টি পদ (৬৫ ভাগ ) ও সরাসরি নিয়োগযোগ্য দুই হাজার ৮৫২টি (৩৫ ভাগ) পদ। তিনি আরও জানান, সহকারী শিক্ষকের ১৮ হাজার ১৪৭টি শূন্য পদে নিয়োগে নির্বাচিত প্রার্থীদের নামে নিয়োগপত্র জারি করা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগের পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি বলেন, সরাসরি নিয়োগযোগ্য ৩৫ ভাগ শূন্য পদে নিয়োগে পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে (পিএসসি) চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে আদালতে মামলা থাকায় প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি আপাতত বন্ধ রয়েছে। তার পরও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

সংরক্ষিত আসনের সৈয়দা রুবিনা আক্তারের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩২ হাজার ৬৬৭টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, এক হাজার ৪১১টি কম্পিউটার ল্যাব, ৩১টি ডিজিটাল ল্যাংগুয়েজ ল্যাবরেটরি, ৬৪০টি আইসিটি লার্নিং সেন্টার এবং ৫০টি ক্লাস্টার সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। আরও ৬৫ হাজার ৬০০টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের কাজ প্রক্রিয়াধীন।

আছলাম হোসেন সওদাগরের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে যেসব উপজেলায় সরকারি বিদ্যালয় ও কলেজ নেই সেসব উপজেলায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজকে সরকারি করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০১৮ ও ২০১৯ সালে ২৯৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৩০২টি বেসরকারি কলেজ সরকারি করা হয়েছে।

কাজিম উদ্দিন আহম্মেদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শ্রেণিকক্ষে সঠিকভাবে শিক্ষা প্রদানের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৬৫ হাজার ৮৫১ জন শিক্ষককে সৃজনশীল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।


সর্বশেষ সংবাদ