অবকাঠামো অনুন্নয়নে বিশ্ববিরল প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন 

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ৭:১০ : অপরাহ্ণ

হাবিব মেম্বার, সেন্টমার্টিন থেকে … বাংলাদেশী কিংবা বিদেশি পর্যটকদের কাছে সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে জানতে চাইলে ভ্রমনের জন্য সেন্টমার্টিনদ্বীপে কেমন অনুভূতি সৃষ্টি হই? সম্মানিত পর্যটক ভাইয়েরা এক কথায় বলে দেয় সেন্টমার্টিন দ্বীপের বিকল্প নেই, দ্বীপের চতুর্দিকের পরিচন্ন সীবীচ দেখলে মন জুড়ে যায় আমরা কি এখন বাংলাদেশে নাকি বিদেশে কম্পেয়ার করা অনেক কঠিন হয়ে যায় কিন্তুু যখন দেখি দ্বীপের ভেতরে রাস্তাঘাট কালভাট ব্রীজ চলাচল অনুপযোগী তখন মনে হয় না আমরা বিদেশে আসিনি বাংলাদেশেই এসেছি।দ্বীপের প্রতিটা রাস্তায় এখন ভ্যানগাড়ি তো দুরের কথা পায়ে হাঠাই অনেক কষ্টকর।দ্বীপে জনসাধারণ কম বলে বরাদ্বও কম এই অযুহাতে কোন ধরনের উন্নয়ন দেখছেনা সেন্টমার্টিন বাসী।প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটকদের চলাফেরায় কি পরিমান কষ্ট হয় ভ্যানগাড়ি চালকদের তা বুঝানোর ভাষা নেই কিন্তুু পেটের দায়ে চালাতে হয়।চবিতে দেয়া সড়কের দৃশ্য যদি গাড়ি থামিয়ে পর্যটকদের দেখানো হয় জীবনেও পর্যটক সেন্টমার্টিন দ্বীপের রাস্তা দিয়ে হাটা কিংবা চলাফেরা করবেনা।ইউনিয়ন হিসেবে বরাদ্ব কম দিতে হলে প্রয়োজনে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন কে পৌরসভা ঘোষনা করা হউক।তারপরও আমরা বাংলাদেশের অহংকার সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের অবকাঠামোর উন্নয়ন চাই, হাসপাতালে ডাক্তার চাই প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক চাই ইমার্জেন্সি রোগী বহনে সী এম্বুলেন্স চাই দ্বীপের জনসাধারণের জন্য বর্ষা মৌসুমে সীট্রাক চাই অবহেলিত দ্বীপবাসীর প্রানের দাবী ব্যাংকিং সুবিধা চাই।হাজারো সমস্যাই জর্জরিত সেন্টমার্টিনকে আর কত অবহেলা তাও দ্বীপবাসী জানতে চাই।শীত মৌসুমে প্রতিদিন ভিআইপি কিংবা ভিভিআইপি দ্বীপে পদার্পন করলেও কেন জানি আমাদের সমস্যাই এগিয়ে আসছেনা কেউ। আমরা দ্বীপবাসী কি এমন অপরাধ করেছি ভেবে চিন্তে কুল পাইনা।দ্বীপবাসীর অধিকার বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে এগিয়ে না আসলে পেটের সন্তান পেটেই মরে যাবে পৃথিবীর মূখ দেখবেনা দ্বীপবাসীও উন্নয়নের কিছুই দেখবেনা।


সর্বশেষ সংবাদ