হ্নীলা উপ-নির্বাচনে রাশেদ চেয়ারম্যান পদে ১০ হাজার ৯৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী

প্রকাশ: ২৬ জুলাই, ২০১৯ ১০:৪১ : পূর্বাহ্ণ

 

নুরুল হোসাইন,টেকনাফ:::
উৎসবমূখর পরিবেশে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের রাশেদ মাহমুদ আলী ১০৯৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন চৌধুরী (আনারস) প্রতীক পেয়েছে আনারস ৩৩৫১ ভোট। অপর প্রার্থী এ্যডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম (মোটর সাইকেল) ৩২৮৫ভোট।
এদিকে বিকালে ভোট কারচুপির অভিযোগে আনারস প্রতীকের জালাল উদ্দিন চৌধুিরী ও মোটর সাইকেল প্রতীকের এ্যডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম নির্বাচন বর্জন করেছেন।তারা নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব বিস্তার সহ ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন।

এদিকে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনে সংরক্ষিত(১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে) মহিলা মেম্বার পদে শাহেনা রহমান বিএ মাইক প্রতীকে ২৫৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্ধন্দ্বী প্রার্থী ছেনুয়ারা বেগম সূর্যমুখী ফুল প্রতীক ৫৬৬ ভোট।অপর প্রার্থী আমিনা খাতুন হেলিকপ্টার প্রতীক ৪৫৫ ভোট পান।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত স্ব স্ব কেন্দ্রে উপজেলার দুই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও নারী সদস্য পদে ভোট গ্রহণ উৎসবমূখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।

হ্নীলা ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ২৫ হাজার ২০৩ জন। এই ইউনিয়নে নয়টি কেন্দ্রের মধ্যে কয়েকটি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হলে ও কোন ধরনের ঘটনা ঘটেনি। এই নিবাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদন্ধিতা করছেন। তারা হলেন, রাশেদ মাহমুদ আলী (নৌকা), জালাল উদ্দীন চৌধুরী (আনারস) ও মীর মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (মোটর সাইকেল)।

উপজেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, উপজেলার দুই ইউনিয়নে তিন চেয়ারম্যান ও তিন সংরক্ষিত নারী প্রার্থী নির্বাচন করেছেন। এতে ১২টি কেন্দ্রের মধ্যে কিছু কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ন হিসাবে চিহ্নিত থাকলে ও কোন সমস্যা সৃষ্টি হয় নি।

হ্নীলা চেয়ারম্যান পদে ত্রিমূখি লড়াইয়ে তিন প্রার্থীর মধ্যে রাশেদ মাহমুদ আলী সাবেক সাংসদ ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আলীর ছেলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া নির্বাচনে হেরে গেলেন জালাল উদ্দীন চৌধুরী ও সাবেক সাংসদের ছেলে। তিনি এই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। আরেক চেয়ারম্যান প্রাথী মীর মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মৃত মীর কাশেমের ছেলে। নির্বাচনে লড়াই করে দুই চেয়ারম্যান জিততে পারে নাই।

(উখিয়া-টেকনাফ) সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার তাইয়ান জানান, প্রত্যেক কেন্দ্র গুলোতে পরিদর্শন করে দেখা যায় সাবরাং ও হৃীলাতে উৎসবমূখর পরিবেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। কোন ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে নি।সবদিকে কেন্দ্রের নিরাপত্তা হিসেবে কঠোর দমনে দায়িত্ব পালন করেছেন টেকনাফ মডেল থানার তদন্ত ওসি এবি,এম,এস দোহা।

টেকনাফ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বার্হী কর্মকতা মুহাঃ আবুল মনসুর জানান, টেকনাফে দুই ইউপির উপ-নিবাচন সুষ্টু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করে প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষনা করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, আনাসার সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাছাড়া নির্বার্হী ম্যাজিষ্ট্রেটের নের্তৃত্বে মোবাইল টিম, র‌্যাব ও বিজিবির একাধিক টিম কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছেন।


সর্বশেষ সংবাদ