টেকনাফের সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ গেল কোথায়? 

প্রকাশ: ৭ মে, ২০১৯ ২:৫২ : পূর্বাহ্ণ

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক::
বিদ্যুৎখাতে দেশের সম্ভাবনার নতুন দ্বার প্রথম ‘সোলার পার্ক’। যা চালু হয়েছে দেশের সীমান্তবর্তী কক্সবাজারের টেকনাফে। যেখান থেকে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় সঞ্চালন গ্রিডে যোগ হয়েছে ২০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টেকনাফের মোট চাহিদার ৮০ শতাংশই সরবরাহ হবে এই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে।
সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ। এখানে নাফ নদীর তীরে স্থাপন করা হয়েছে সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র। সূর্যের তাপ থেকে উৎপাদন হচ্ছে বিদ্যুৎ। যার আলোয় আলোকিত হচ্ছে আশপাশের গ্রাম। টেকনাফ সোলারটেক এনার্জি লিমিটেড এই সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্যোক্তা। দেশের প্রথম সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র যেখান থেকে উৎপাদিত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে লোডশেডিং কমে আসায় দারুণ খুশি স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, তারা এখন দিনে প্রায় ২২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পান।
এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি টেকনাফের মোট চাহিদার আশি ভাগ পূরণ করতে সক্ষম। পাশাপাশি এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানালেন সংশ্লিষ্টরা।
জুলস পাওয়ার লিমিটেডের ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘ আট মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর সোলারলেন বাংলাদেশ ২০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্লান্টটি দক্ষতার সাথে জুলস পাওয়ার লিমিটেডকে হস্তান্তর করতে সক্ষম হয়েছে। যা কিনা এখন ন্যাশনাল গ্রিডে সফলভাবে সরবরাহ হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানালেন, এমন পরিকল্পনা নিয়ে বেসরকারিভাবে কেউ এগিয়ে আসলে সহায়তা দেবে প্রশাসন।
তিনি বলেন, ‘যারা এখানে ইনভেস্ট করতে চায় তাদের সেই সম্ভাবনা আমরা তৈরি করে দিবো’
সংশ্লিষ্টদের দেয়া তথ্যমতে টেকনাফের এই সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে একশ একর জায়গায়। এতে খরচ হয়েছে ২৪০ কোটি টাকা।

 


সর্বশেষ সংবাদ