রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২৭ যুগলের গণবিয়ে

প্রকাশ: ২৬ মার্চ, ২০১৯ ১২:১৯ : পূর্বাহ্ণ

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক::

উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব রাশেদের উদ্যোগে এ বিয়ে সম্পন্ন হয়।

সার্বিক সহযোগিতায় ছিল ওই ক্যাম্পের সাইট ম্যানেজমেন্ট আন্তর্জাতিক এনজিও সংস্থা ‘কেয়ার বাংলাদেশ’।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আবুল কালাম এ গণবিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

সূত্র জানায়, থাইংখালী ১৩নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সোমবার সকাল ১০টার দিকে ক্যাম্প ইনচার্জের হলরুমে ২৭ যুগলের গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাম্পের প্রধান ইমাম মাওলানা নুরুল ইসলাম এ গণবিয়ে পড়ান। এ সময় উপস্থিত বর-কনে ও তাদের পরিবারের সদস্যরা আনন্দমুখর ছিলেন।

নবদম্পতিদের উদ্দেশে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, ‘ইসলাম শান্তির ধর্ম। তাই ক্যাম্পে কোনো ধরনের অনিয়ম কিংবা বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। তোমাদের সবার সুখী ও সুন্দর জীবন কামনা করছি।’

এরপর তিনি নবদম্পতিদের সঙ্গে কথা বলেন।

ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব রাশেদ বলেন, ‘এ বিয়ে ক্যাম্পে নবসূচনা করল এবং এটিই কোনো ক্যাম্পে সর্বপ্রথম গণবিয়ে।’

আবুল হোসেন নামে এক বর বলেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত সুন্দর একটি পরিবেশে বিয়েতে বসতে পেরে। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ জানাই আমাদের ক্যাম্প সিআইসি স্যার ও কেয়ার বাংলাদেশ সাইট ম্যানেজমেন্টকে, যাদের সহযোগিতায় এ গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

গণবিয়ে শেষে সবাইকে মিষ্টি মুখ করানো হয়।

এ সময় এনজিও সংস্থা কেয়ার বাংলাদেশ সাইট ম্যানেজমেন্ট ক্যাম্প ম্যানেজার ডক্টর সোহেল মাহমুদ, টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর ও অপারেশন মিনহাজ উদ্দিন আহমদ, উত্তম রোজারিও, মাহমুদ হাসান, জোন কো-অর্ডিনেটর আবিদ হাসান, মোহসিনা বেগম, মো. ইব্রাহীম, রাশেদুল করিম, মোহাইমিনুল মুন্না, লাক্সমি রানী, সেনা সদস্য আবদুল মালেক ও ক্যাম্প ব্লকের সব মাঝি উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ সংবাদ