কক্সবাজারে হোটেল ইন্ডাষ্ট্রিতে বাহিরের লোকদের অগ্রাধিকার কেন?

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর, ২০১৭ ৩:৫৫ : অপরাহ্ণ

মোঃ ফরিদ:: কক্সবাজারকে বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী বলা হয়। বিশ্বের সবচেয়ে দৈর্ঘ্যতম সমুদ্র সৈকত অবস্থিত এই কক্সবাজারে। যার এক পাশে বিশাল পাহাড় এবং অন্য পাশে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ।  এমন প্রকৃতিক সুন্দর্য্য উপভোগ করতে প্রতি বছর লাখ লাখ দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগমন ঘটে পর্যটনের রাজধানী কক্সবাজারে ।তাদেরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অনেক তারকা মানের হোটেল, মোটেল এবং রেষ্টুরেন্ট। এর মালিকানা পচাঁনব্বই ভাগ অন্য জেলার বা দেশের বাহিরের মানুষের। তারা আমাদের এই কক্সবাজার থেকে প্রতি বছর হাজার  হহাজার কোটি কোটি টাকা মুনাফা করে যাচ্ছে বিনিময়ে কক্সবাজারবাসী কি পাচ্ছে বা বেকারত্ব দূরীকরণে তাদের ভুমিকা কী ?তারা কি পারে না কক্সবাজারে শিক্ষিত বেকার ছেলে-মেয়েদের কর্মসংস্থান এর  ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে ? সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে উঠে আছে  হোটেল ইন্ডাষ্ট্রিতে জনবল নেওয়ার সময় বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়োগ বিঙ্গপ্তি দেওয়া হয় কিন্তু লোক নেওয়ার সময়  হোটেল মালিকদের আত্নীদের বা বাহিরের লোকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এতে স্থানীয় শিক্ষিত যুবকের যোগ্যতার কোন মূল্য থাকেনা। তারা এটি শুধুমাত্র দেখানোর জন্য করে থাকে। একটি তারকামানের হোটেলে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সর্বনিম্ম পর্যায়ে কোন রকম কর্মসংস্থানের সুযোগ দিচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বেশ কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথা বলে জানতে পারি তারা বার বার বিভিন্ন হোটেলে কর্মসংস্থানের জন্য আবেদন করে কোন রকম সুযোগ না পাওয়ায় হতাশাগ্রাস্ত হয়ে ফিরে আসে। তারা বলেন, নিজ জেলায় যোগ্যতা সম্পন্ন লোক থাকার স্বর্থেও বিভিন্ন জেলা থেকে লোক এনে চালিয়ে যাচ্ছে হোটেল ব্যবসা।উখিয়া-টেকনাফের এমপি আব্দুর রহমান বদি  যদি তার এলাকার ছেলে-মেয়েদের এনজিও তে কর্মসংস্থানের অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য  জোর চেষ্টা চলাতে পারে এবং সফল ও হয়েছেন।  কক্সবাজার প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত জনপ্রতিনিধিরা নিজ এলাকার শিক্ষিত ছেলে-মেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে এগিয়ে আসছেনা স্বয়ং ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় শিক্ষিত যুব সমাজ।


সর্বশেষ সংবাদ