টেকনাফে ডায়রিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব:

প্রকাশ: ২৫ জুলাই, ২০১৭ ৭:২৮ : অপরাহ্ণ

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ:: টেকনাফে হঠাৎ ডায়রিয়া রোগের প্রার্দুভার ছড়িয়ে পড়েছে। টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নারী ও পুরুষ বহি’বিভাগ ওয়ার্ডে ডায়রিয়া রোগীর ঠাই নেই। ডাক্তার ও সেবিকারেরা রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। ২৫ জুলাই এ প্রতিবেদক টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নারী ও পুরুষ বহি’বিভাগ ও জরুরী বিভাগ পরিদর্শন করতে গেলে, ডায়রিয়া, পেট কামড় যন্ত্রনা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে সীট ছাড়াও ফ্লোরে পর্যন্ত রোগীদের তিলপরিমান টাইনেই। বেশীরভাগ রোগী শিশু, মধ্য বয়সী নারী ও যুবকের সংখ্যা অনেকাংশে বেশী। টেকনাফ পৌর এলাকা, সাবরাং ও টেকনাফ সদর ইউনিয়নের রোগীর সংখ্যা বেশী। ডায়রিয়া রোগে আক্রান্তরা হচ্ছেন, টেকনাফ পৌর এলাকার আবহাওয়া দপ্তরে কর্মচারী শফিউল আলম (৩৩), চকরিয়ার মরজান (১৯), সাবরাংএর জহীর আহমদ (৩০), আয়াজ (১), আয়শা বেগম (৫১), আয়েশা খাতুন (৭৬), আজিজুর রহমান (১), সুনিয়া (১০মাস), মাহিয়া (১০মাস), রোকিয়া (৩৫)। এছাড়া প্রায় ৬০/৭০ জন রোগী এই অবস্থায় দেখা গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ৩ জন ডায়রিয়া রোগী এ প্রতিবেদককে বলেন, রোগীদের প্রায় ঔষধ বাহির থেকে ক্রয় করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। হাসপাতালে শুধু ট্যাবলেট ছাড়া কিছু পাওয়া যায়না। এদিকে গত ৩দিন ধরে টেকনাফ হাসপাতালে পানি নেয়। রোগীরা পানির জন্য হাহাকার করতে দেখা যায়। মলমুত্র ত্যাগেরপর শৌচাগারে তিলপরিমান ব্যবহারের পানি নেয়। গত ২৪ জূলাই দমদমিয়ার শামশুল আলম জানান, তিনি একজন ডায়রিয়া রোগী টেকনাফ হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য নিয়ে আসেন। মমোর্ষরোগীকে হাসপাতালে ৩য় তলায় উঠানোর জন্য কোন ঠলির ব্যবস্থা নেয় এবং তাকে কাঁধে বহণকরে ৩য় তলায় পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি করার পর শৌচাগারে নিয়ে গেলে ব্যবহারের পানি শূণ্য পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে হাজী শমশু কর্তব্যরত ডাক্তার এনামকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি তার সাথে অসাধারণ আচারণ করে। এনিয়ে তিনিসহ অন্যান্য রোগীরা তার প্রতি ক্ষুব্দ। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় সংবাদকর্মীদের কাছে এর প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ করেন। টেকনাফ হাসপাতালের দায়িত্বে নিয়োজিত ডাক্তার সুমন মড়–য়া জানান, ভেজাল খাদ্য, বাশি, জর্দ্দা, অপরিছন্নতা ও দূষিত পানি পান করার কারণে ডায়রিয়া রোগের একমাত্র লক্ষণ।

০১৮১৮০৮৭৩০৪
মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ,


সর্বশেষ সংবাদ