“ হয় ইয়াবা মরবে, না হয় আমি মরব” দেখি কে জিতে: টেকনাফ ওসি’র ঘোষণা

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর, ২০১৮ ১১:২৭ : পূর্বাহ্ণ

বিশেষ প্রতিবেদক::  ইয়াবার তকমায় টেকনাফের হাজার হাজার মানুষ কারাগারে এবং সাদা কাপনে কবরে
:: টেকনাফ কেন ইয়াবামুক্ত হবেনা এমন চ্যালেঞ্জ এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। মাত্র এক সপ্তাহে ৪ তরুণ বন্দুক যুদ্ধে নিহতের পর টনক নড়তে শুরু করেছে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের। ইয়াবার তকমায় টেকনাফের হাজার হাজার মানুষ কারাগারে এবং সাদা কাপনে কবরে। এতিম, বিধাব ও পুত্রশূন্য মা’ বাবার সংখ্যা বাড়ছে ব্যপকহারে।
গত শনিবার সংসদে পাস হওয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিল ২০১৮ দেখে মনে হয় আগামীতে টেকনাফের অজস্্র মানুষ কারাগারেই মৃত্যু বরণ করবে। সুন্দর পৃথিবী, ভাল বাসার পরিবার ও কলিজার সন্তান-সন্ততির নিকট ফিরে আসতে পারবেনা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিল ২০১৮ ইয়াবা, কোকেন, হেরোইন ও পেথিড্রিন জাতীয় মাদকের ব্যবহার, পরিবহন, চাষাবাদ, উৎপাদন, আমদানি-রপ্তানি বা বাজারজাত করার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ড। মাদকের পরিমাণ ২৫ গ্রাম বা তার বেশি হলেই এই সাজা মৃত্যু দন্ড। এ আইনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলে টেকনাফের প্রচুর সংখ্যক মানুষ অন্ধকার জগত থেকে আর আলোর মুখ দেখার সুযোগ পাবেনা।
লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু। ইয়াবা ব্যবসায়ীদের একদম শুরু থেকে সবাই নিষেধ করেছিল এমন অপরাধের সথে না জড়াতে। হঠাৎ চৌধূরী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে নিজেই নিজেকে চিরতরে শেষ করে দিল। দূর্নামের মুকুট পরে অর্জিত অবৈধ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ত্যাগ করে বন্দুক যুদ্ধ বা আইনের কারণে ঠিকানা হচ্ছে না পেরার দেশে। আজ টেকনাফের সেই সব ইয়াবা সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা পালাবে কোথায়?
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ টেকনাফ নিউজকে বলেন “ আমি আমার বেতনের টাকা খরচ করেই এখানে চাকুরী করব, ঘুষ, দূর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কাজ করে যাব। বিশেষ করে ইয়াবা -আমার চ্যালেঞ্জ, হয় ইয়াবা মরবে না হয় আমি মরব” দেখি কে জিতে। টেকনাফের সাধারণ মানুষের কাছে আমার অনুরোধ আপনারা আমাকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুণ।


সর্বশেষ সংবাদ