টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :

৭ খুন মামলার রায় সোমবার সর্বোচ্চ শাস্তি চায় নিহতদের পরিবার

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৭
  • ৭৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
টেকনাফ নিউজ ডেস্ক **

নারায়ণগঞ্জে সাত খুন মামলার রায় সোমবার। সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেন রায় ঘোষণা করবেন। সাত খুনের ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলার একটির বাদী ডা. বিজয় কুমার পালের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে গত বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটির বিচারকাজ শুরু হয়।গত ৩০ নভেম্বর সর্বশেষ দুই আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীদের যুক্তি উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শেষে বিচারক ১৬ জানুয়ারি রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন।২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিঙ্ক রোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ওই সময়ের প্যানেল মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও নারায়ণগঞ্জ আদালতের সিনিয়র আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজনকে দুটি প্রাইভেটকার থেকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছয়জনের এবং এর একদিন পর একজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতদের পরিবারের সদস্যরা আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আশা করছেন।এরই মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ বিচারকের কাছে বিত্তশালী আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিহতদের পরিবারের মধ্যে বণ্টনের আবেদন জানিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি পাবলিক প্রসিকিউটর ওয়াজেদ আলী খোকন বলেন, তারা আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণে সক্ষম হয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, সব আসামির সর্বোচ্চ সাজা হবে। এরই মধ্যে আইনি সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।খুনের ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় ৩৫ আসামির মধ্যে প্রধান আসামি নূর হোসেনসহ ২৩ জন কারাগারে আছেন। পলাতক আছেন র‌্যাব-১১-এর সাবেক আট সদস্যসহ ১২ জন।

নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী ও ওই ঘটনায় এক মামলার বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটি বলেন, আমরা আদালতে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছি। আরেক মামলার বাদী নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা ডা. বিজয় কুমার পাল বলেন, আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হবে, এটাই প্রত্যাশা করছিনিহত গাড়িচালক জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নুপুর বেগম বলেন, ‘আমি বিধবা হয়েছি। আমার সন্তান বাবাকে হারিয়েছে। সরকার এর সুষ্ঠু বিচার করে আসামিদের ফাঁসি দেবে, এটাই চাই।’
নিহত লিটনের ভাই রফিক মিয়া বলেন, ‘আমরা স্বজন হারিয়েছি। আমরাই এ দুঃখ বুঝি। আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’নিহত তাজুল ইসলামের বাবা আবুল খায়ের বলেন, ‘আমরা ভুক্তভোগী পরিবার। আমাদের প্রত্যাশা দেশবাসী জানে। তাই আদালতের কাছে প্রার্থনা, এমন একটা রায় দিন, যাতে আর কোনো বাবাকে তার সন্তান হারাতে না হয়। আমরা সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
কারাবন্দি যারা: সাত খুন মামলায় গ্রেফতাররা হলেন- প্রধান আসামি নূর হোসেন, চাকরিচ্যুত র‌্যাব-১১-এর তৎকালীন অধিনায়ক লে. কর্নেল (অব.) তারেক মোহাম্মদ সাঈদ, উপ-অধিনায়ক মেজর (অব.) আরিফ হোসেন, লে. কমান্ডার (অব.) এম এম রানা, ল্যান্স নায়েক বিল্লাল হোসেন, সাবেক এসআই পুর্ণেন্দু বালা, হাবিলদার মো. ইমদাদুল হক, ল্যান্স নায়েক হীরা মিয়া, ল্যান্স করপোরাল রুহুল আমিন, সিপাহি আবু তৈয়ব, কনস্টেবল মো. সিহাব উদ্দিন, রেডিও অপারেটর গেইন (আরওজি) আরিফ হোসেন, এএসআই বজলুর রহমান, এএসআই আবুল কালাম আজাদ, হাবিলদার ও গাড়িচালক নাসিরউদ্দিন, সিপাহি নুরুজ্জামান, বাবুল হাছান, সিপাহি সাবেক সেনাসদস্য আসাদুজ্জামান, নূর হোসেনের প্রধান দেহরক্ষী মর্তুজা জামান চার্চিল, প্রধান কোষাধ্যক্ষ আলী মোহাম্মদ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-প্রচার সম্পাদক আবুল বাশার, মাদক স্পট পরিচালনাকারী রহম আলী ও মিজানুর রহমান।
পলাতক যারা: এ মামলায় এখনও পলাতক রয়েছেন- নূর হোসেনের সহযোগী ভারতে গ্রেফতার সেলিম, সানাউল্লাহ সানা, শাহজাহান ও জামাল উদ্দিন, র‌্যাবের করপোরাল লতিফুর রহমান, সৈনিক আবদুল আলী, সৈনিক মহিউদ্দিন মুন্সী, সৈনিক আলামিন শরীফ, সৈনিক তাজুল ইসলাম, সার্জেন্ট এনামুল কবির, এএসআই কামাল হোসেন ও কনস্টেবল হাবিবুর রহমান। –

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT