টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

৫ বছরেও কোন উন্নয়ন হয়নি ইনানী সী-বীচে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১১৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ইনানী সী বীচে গত ৫বছর ধরে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। জেলা বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করলেও পর্যটকদের সুবিধার্থে কোনকিছু নির্মান কিংবা অবকাঠামো তৈরী করেনি। এমনকি অস্বাস্থ্যকর গোসলখানা ও টয়লেটের দৃশ্য দেখলে বোঝা যাবে উন্নয়নের নমুনা। প্রতিদিন দেশী বিদেশী পর্যটকরা ভ্রমন করতে এসে সুযোগ সুবিধার অভাবে নানা বিড়ম্বনা শিকার হতে হচেছ। উন্নয়ন বঞ্চিত হওয়ার জন্য বীচ ম্যনেজম্যান্ট কমিটির সীমাহীন ব্যর্থতা ও দায়িত্বহীনতাকে দায়ী করছে সুশীল সমাজ। দেশও বিদেশে ভ্রমন পিপাসুদের জন্য ইনানী বীচ খুবই পরিচিত। কক্সবাজারে পর্যটক আসা মানে ইনানী বীচ দেখা অন্যতম। কিন্তুু সুযোগ সুবিধার অভাবে পর্যটকরা ভীষমভাবে সমস্যা পোহাতে হয়। নেই কোন শৌষাগার ও ওয়াশরুম কিংবা গোসলখানা। অস্বাস্থ্যকর ও ব্যবহার অনুপযোগী গোসলখানা এবং টয়লেট দেখলে এমনিতে কোন পর্যটক ওদিকে যাবেনা। এমনকি গ্রামাঞ্চলে ব্যবহার হয় এমন টয়লেট থাকায় পর্যটকদের কাছে ইনানী বীচের চরম ভাবমুর্তি সহ নানা প্রশ্নের জম্ন দেয়। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, জেলা বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি প্রতি বছর ইনানী বীচ ইজারা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করে থাকে। ইজারারা গাড়ী পার্কিং,টয়লেট ও গোসলখানা থেকে পর্যটকদের কাছ থেকে এসব টাকা আদায় করে থাকে। দায়িত্বশীল সুত্রে জানা গেছে আদায়কৃত রাজস্বের টাকা দিয়ে ইনানী বীচের গেটওয়ে নির্মান,বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ,পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা,স্বাস্থ্য সম্মত টয়লেট ও গোসলখানা এবং চেইজিং রুম তৈরীসহ পর্যটকদের সুবিধার্থে অনেক কিছু নির্মান করার কথা ছিল। সচেতন মহলের অভিযোগ গত ৫ বছরে ১৫ লক্ষ টাকার অধিক রাজস্ব আদায় করলে ও জেলা বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি আদায়কৃত টাকার সিকিভাগ অর্থাৎ কোথাও ১০হাজার টাকার কাজ করছে এমন নজির কোথাও দেখা মেলেনি। বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির এহেন দায়িত্বহীন ও অবব্যবস্থাপনার কারনে ইনানী বীচ দিন দিন পর্যটকদের কাছে বিড়ম্বনার স্থানসহ দুর্নাম ছড়িয়ে পড়তেছে। ঢাকার গাজীপুরের পর্যটক রাশেদ মাহমুদ ও হুমায়ুন এ প্রতিবেদককে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন ইনানী বীচে এসে অস্বাস্থ্যকর টয়লেট দেখে চরম হতাশ হয়েছি। পয়োমলের প্রচন্ড দুর্গন্ধে টয়লেট ব্যবহার করা খুবই দুস্কর। ঢাকা সাউথইষ্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র ইমরান,মহিত ও পলাশ জানান বীচে গোসল ও ভ্রমন করার পর ওয়াশরুম ও চেইজিং রুম না থাকায় তারা বিড়ম্বনার শিকার হয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন ইনানী বীচের যে কোন উন্নয়ন বীচ ম্যনেজমেন্ট কমিটির নিয়ন্ত্রনে। এরপরেও পর্যটকদের সুবিধার্থে গোসলখানা ও টয়লেট নির্মানসহ চেইজিং রুম এবং ওয়াশরুম তৈরী করার জন্য লিখিতভাবে সুপারিশ এবং মতামত সভায় তুলে ধরা হয়েছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT