টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর জেলায় আওয়ামী লীগে তীব্র কোন্দল

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১২
  • ১৭৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

লায়েকুজ্জামান: ঘরের আগুনে পুড়ছে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর জেলার আওয়ামী লীগ। হাই-প্রোফাইল মন্ত্রীরাও জড়িয়ে পড়েছেন দলীয় কোন্দলে। নিজ এলাকায় এক মন্ত্রী অবস্থান নিয়েছেন আরেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। সে সূত্র ধরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে নেতাকর্মীরা। আবার অনেক জেলায় মন্ত্রীদের সঙ্গে যোজন যোজন দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ নেতাকর্মীদের। মন্ত্রীরা নিজ আত্মীয়স্বজনসহ একদিকে তো দলের নেতাকর্মীরা আরেক দিকে। অনেক জেলায় উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে মন্ত্রীর বিরোধ তুঙ্গে। ডাকসাইটে ওই সব দলীয় নেতা ও মন্ত্রীর নিজেদের ঠেলাঠেলিতে অনেক জেলার কমিটি চলছে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে, পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা যাচ্ছে না। এমন জেলাও আছে দেড় দশক ধরে জেলা সম্মেলন করা যায়নি। নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে দলীয় নেতাকর্মীরা। নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খানের জেলা মাদারীপুরে দীর্ঘ এক দশক ধরে জেলা আওয়ামী লীগ চলছে ১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি দিয়ে। জেলা আওয়ামী লীগে আছেন কেবল সাধারণ সম্পাদক। সম্মেলনের পর কেবল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। সভাপতি ফেরদৌস জমাদার মারা গেছেন বেশ কয়েক বছর। এখন আছেন সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন মোল্লা। এখানে মন্ত্রী শাহজাহান খান ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আফম বাহাউদ্দিন নাছিমের ঠেলাঠেলিতে দলের ত্রাহি অবস্থা। বিগত পৌর নির্বাচনে বাহাউদ্দিন নাছিম দাঁড় করিয়েছিলেন তার ভাইকে। মন্ত্রী সমর্থন করেছিলেন আরেক প্রার্থীকে। পুরো জেলায় বিভক্ত নেতাকর্মীরা, ভাগ হয়ে আছে দুই শিবিরে। চাঁদপুরে দলীয় নেতাকর্মীরা বিভক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে ঘিরে। একদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, তার সঙ্গে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ওসমান পাটোয়ারী। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সঙ্গে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. শামসুল হক ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবু নইম দুলাল পাটোয়ারী।
১৯৯৭ সালে সর্বশেষ জেলা কাউন্সিল হয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কিশোরগঞ্জ জেলায়। দীর্ঘ ১৫ বছরেও আর কোন সম্মেলন বা কমিটি গঠন করা হয়নি। সর্বশেষ ওই সম্মেলনে বর্তমান জাতীয় সংসদের স্পিকার এডভোকেট মো. আবদুল হামিদকে সভাপতি, শামসুল হক গোলাপ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক ও এডভোকেট জিন্নাতুল ইসলামকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে তিন বছর মেয়াদি জেলা কমিটি গঠন করা হয়। এডভোকেট মো. আবদুল হামিদ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম পট্টু মিয়া ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বয়সের ভারে অনেকটা কাবু হয়ে পড়ায় তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রমে তেমন একটা ভূমিকা রাখতে পারছেন না। ১৯৯৯ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক গোলাপ মিয়ার মৃত্যু হলে কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন ঠাকুরকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ২০০৭ সালের ১৪ই অক্টোবর শাহাবুদ্দিন ঠাকুরের মৃত্যুর পর থেকে অপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমএ আফজাল ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া, ২০০৯ সালের ২৩শে ডিসেম্বর সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট জিন্নাতুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করায় এ পদটিও শূন্য হয়। এখানকার নেতাকর্মীরাও বিভক্ত সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও এডভোকেট আবদুল হামিদকে ঘিরে।
ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের শেষ কাউন্সিল হয়েছে ২০০৫ সালে। ২০১০ সালে মারা যান সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান লাবলু। এখন পর্যন্ত দল সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কে জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। দলীয় গঠনতন্ত্র ও প্রথা অনুসারে এক গ্রুপ জেলা কমিটির প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিলেও আরেক গ্রুপ ওই ভার দিতে চায় জেলা কমিটির সদস্য মনিরুল হাসান মিঠুকে। নির্বাচনী এলাকা ভিত্তিক এমপিরা তাদের ইচ্ছামতো কমিটি ভাঙছে, গড়ছে, জেলা কমিটিকে কেউ জিজ্ঞেসও করে না। বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য বিপুল ঘোষ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শামসুল হক ভোলা মাস্টার সহ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দাবিদার সৈয়দ মাসুদ হোসেন ও মনিরুল হাসান মিঠু। এখানে দলীয় কোন্দল প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে।
দুই প্রভাবশালী মন্ত্রীর জেলা টাঙ্গাইল। পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। দীর্ঘদিন ধরে তীব্র কোন্দল জেলা আওয়ামী লীগে। কোন্দলের কারণে সদ্যসমাপ্ত টাঙ্গাইল-৩ আসনের উপনির্বাচনে শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে দলীয় প্রার্থীর। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুর রহমান খান শাহজাহান মারা গেলেও এখন পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ঠিক করতে পারেনি জেলা আওয়ামী লীগ। টাঙ্গাইল আওয়ামী লীগে খান পরিবার ও সিদ্দিকী পরিবারের বিরোধ অনেকদিন ধরে। এখন সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান খান ফারুক নিজেকে দাবি করছেন এক গ্রুপ হিসেবে। নরসিংদী আওয়ামী লীগের ঘরের আগুন এখন বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে। মেয়র লোকমান হত্যার সন্দেহের তীর টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন রাজুর বিরুদ্ধে- এমন কথা প্রকাশ্যেই বলছেন লোকমান পরিবার। নরসিংদী জেলার তিন এমপি কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হীরু, জহিরুল হক মোহন, ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ সহ পৌর মেয়র প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে মন্ত্রী রাজিউদ্দিন রাজুর বিরুদ্ধে। জেলা শহরে মন্ত্রীকে যেতে হচ্ছে পুলিশ প্রহরায়। অর্থমন্ত্রী আবুল আল আবদুল মুহিত ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের জেলা সিলেটে তিন ভাগে বিভক্ত আওয়ামী লীগ। অর্থমন্ত্রীর নিজের এক গ্রুপ, সিলেট সিটি মেয়র বদরউদ্দিন কামরানের এক গ্রুপ ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাউদ্দিন সিরাজের এক গ্রুপ। নেতাকর্মীরা ভাগ হয়ে আছে সে ভাবেই। দুই মন্ত্রীর জেলা দিনাজপুরে চার খণ্ড আওয়ামী লীগ। দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ভূমি প্রতিমন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার ও মন্ত্রিসভার নতুন মুখ সাবেক সচিব মাহমুদ আলী দুই গ্রুপের নেতৃত্ব দেন। এছাড়া, আর দুই গ্রুপের এক গ্রুপের নেতৃত্ব দেন সদরের এমপি ইকবালুর রহিম, অন্য গ্রুপের নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার (অব.) এনামুল হকের জেলা চাঁপাই নবাবগঞ্জে চার ভাগে বিভক্ত আওয়ামী লীগ। মন্ত্রীর নিজের এক ভাগ, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মইনউদ্দিন মণ্ডলের এক ভাগ, সদর আসনের এমপি আবদুল ওয়াদুদের এক ভাগ এবং সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিনের এক ভাগ। ধর্ম ও পানি সম্পদ দুই প্রতিমন্ত্রীর জেলা পটুয়াখালীতে জেলা কমিটির সর্বশেষ কাউন্সিল হয়েছে ১২ বছর আগে। জেলা কমিটির সভাপতি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শাহজাহান মিয়ার সঙ্গে চরম বিরোধ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সুলতান মিয়ার। জেলার অন্যান্য এমপি ও নেতাকর্মীরাও বিভক্ত দু’ভাগে। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহাবুবুর রহমান আছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর বিরোধী ধারায়। ২০০৪ সালে শেষ কাউন্সিল হয়েছে খুলনা জেলা ও মহনগর আওয়ামী লীগের। খুলনা জেলার মন্ত্রী বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান। খুলনা আওয়ামী লীগে তীব্র কোন্দল চলছে জেলা সভাপতি হারুনার রশিদ বনাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা রশিদী সুজার। মহানগরে বিরোধ সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানের মধ্যে। খুলনায় প্রচার আছে আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল ইমাম ও যুবলীগ নেতা শহীদ ইকবাল আখতার বিথার খুনের পেছনে মূল কারণ ছিল দলীয় কোন্দল। মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এবিএম তাজুল ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগ চলছে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে। ২০১০ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লুৎফুল হাই সাচ্চু মারা যাওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এডভোকেট সৈয়দ ইমদাদুল বারী। সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হুমায়ুন কবীর বাকশক্তি হারিয়ে রোগশয্যায়। তার দায়িত্ব পালন করছেন মেজর (অব.) জহিরুল হক খান। এখানে সদর আসনের এমপি ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরীর সঙ্গে কোন্দল প্রয়াত নেতা লুৎফুল হাই সাচ্চুর অনুসারীদের। কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর জেলা শেরপুরে জেলা কমিটির সভাপতির সঙ্গে ঠাণ্ডা লড়াই মতিয়া চৌধুরীর। বর্তমান সরকারের সময় একবারও জেলা সদরে যাননি মতিয়া চৌধুরী। কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা প্রকাশ্যে মতিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে। শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির মেয়াদ শেষ ২০০৬ সালে। হবিগঞ্জের মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের। জেলা সদরের সকল কর্মকাণ্ড করেন সদর আসনের এমপি আবু জাহিদ, মন্ত্রী জেলা সদরে যান না। নতুন মন্ত্রী যশোরের মোস্তফা ফারুক। মন্ত্রীর নিজ আসনেই চরম দ্বন্দ্ব আওয়ামী লীগে। এখানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের সঙ্গে সদর আসনের এমপি খালেদুর রহমান টিটোর তীব্র বিরোধের কারণে ভাগ হয়ে আছে পুরো জেলা আওয়ামী লীগ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেনের জেলা লালমনিরহাটে চার ভাগে বিভক্ত আওয়ামী লীগ। সভাপতি মোতাহার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান এক ভাগ। জেলা কমিটির সহ সভাপতি সিরাজুল হকের এক ভাগ। ইঞ্জিনিয়ার আবু সাঈদ দুলালের এক ভাগ ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল হক পাটোয়ারী নেতৃত্ব দিচ্ছেন আরেক ভাগের। নিজেই ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নাটোরের আহাদ আলী সরকার। এখানে জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে তীব্র দ্বন্দ্ব জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শিমুলের। আগামী নির্বাচনে তিনি সদরে মনোনয়ন চান। নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীর ওমর ফারুক চৌধুরী। জেলা জুড়ে দ্বিধাবিভক্ত আওয়ামী লীগ। প্রকাশ্যে কোন্দল প্রতিটি উপজেলায় ও মহানগর আওয়ামী লীগে। সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে বিরোধ জেলা আওয়ামী লীগের। চট্টগ্রামের মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ ও মন্ত্রী ডা. আফসারুল আমিন। গত দুই বছর ধরে এক সঙ্গে কোন কর্মসূচি পালন করতে পারেনি চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ, এমন কি শোক দিবসের কর্মসূচিও না। কেন্দ্রী নেতা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী ও ওবায়দুল কাদের চেষ্টা করেও নেতাদের এক সঙ্গে বসাতে পারেননি। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ চলছে দুই সদস্যের কমিটি দিয়ে। সভাপতি সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক কাজী এনামুল হক দানু। ২০০৬ সালে তাদের কমিটি হলেও এখন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। এখানে একদিকে মহিউদ্দিন চৌধুরী অন্যদিকে নুরুল ইসলাম বিএসসি, এমএ লতিফ, আবদুস সালাম ও ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা. আফসারুল আমিন আছেন মহিউদ্দিন বিরোধী ধারায়। বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ সরাসরি পক্ষ না নিলেও তিনি নিজে একটি ধারা দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হক জেলা সাতক্ষীরায় মন্ত্রী একা একদিকে অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মুজিবর রহমান এমপি সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সহ সকল উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা। চার ধারায় বিভক্ত সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। একটি ধারার নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ নাসিম ও নবাগত ডা. অধ্যাপক হাবিব-ই মিল্লাত। সদর আসন নিয়ে আবার ঠাণ্ডা লড়াই আছে তাদের ভেতর। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাস নিজে আছেন এক ধারায়, আরেক ধারার নেতৃত্ব দেন জান্নাত আরা হেনরী। পাবনা জেলা আওয়ামী লীগে দ্বন্দ্ব সদর আসনের এমপি খন্দকার গোলাম ফারুক প্রিন্স বনাম স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর মধ্যে। শামসুল হক টুকুর পক্ষে আছেন জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন টিপু। পরিকল্পনা মন্ত্রী একে খন্দকার কোন গ্রুপে নেই।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT