হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

ধর্ম ও দর্শনপ্রচ্ছদ

১৫২ বছর পর পূর্ণ গ্রাস চন্দ্র গ্রহণ চলছে

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ … ১৫২ বছর পর পূর্ণ গ্রাস চন্দ্র গ্রহণ চলছে। ১৮৬৬ সালের ৩১ মার্চ ঘটেছিল পূর্ণ গ্রাস চন্দ্র গ্রহণ। আজ রাতটা হবে অন্যরকম। মানুষ প্রতীক্ষা করছিল এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগের জন্য। এক অপার্থিব অভিজ্ঞতার সাক্ষী হবে গোটা বিশ্ব। রাতের আকাশে একই সঙ্গে আজ দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, সুপার মুন ও ব্লু-মুন। অবলোকন করা যাবে রক্তিম চাঁদ। শেষবার এমনটা ঘটেছিল ১৫২ বছর আগে। জ্যোতির্বিদরা এ বিরল ঘটনার নাম দিয়েছেন ‘সুপার ব্লু ব্লাড মুন এক্লিপস’।

হযরত আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন ‘কেয়ামতের কাছাকাছি সময়কার একটি লক্ষণ হলো চাঁদ সম্প্রসারিত হওয়া। আরেকটি লক্ষণ হলো প্রথম দিনের চাঁদকে বলা হবে ২য় তারিখের চাঁদ’।
আল মু’জামুস সগীর, খন্ড-২, পৃষ্ঠা- ১১৫.
হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন ‘চন্দ্র-সূর্য আল্লাহতায়ালার দু’টি বিরাট নিদর্শন। কারও জন্ম বা মৃত্যুতে তার আলো নিষ্প্রভ হয় না। বরং আল্লাহতায়ালা এর মাধ্যমে মানুষকে ভীতি প্রদর্শন ও সতর্ক করেন। সুতরাং চন্দ্র-সূর্য আলোহীন হয়ে পড়লে তোমরা নামাজে দাঁড়িয়ে যাও এবং দয়াময় আল্লাহকে কায়মনো বাক্যে ডাক, যতক্ষণ না সে অবস্থার পরিবর্তন হয়।’ -সহিহ বোখারি।
হযরত আবূ যার গিফারী (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য অস্ত যাবার সময় আবূ যার (রাঃ)-কে বললেন, তুমি কি জান, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সিজদা পড়ে যায়। অতঃপর সে আবার উদিত হবার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেয়া হয়। আর শীঘ্রই এমন সময় আসবে যে, সিজ্দা করবে কিন্তু তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হবে না। তাকে বলা হবে, যে পথ দিয়ে আসলে ঐ পথেই ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম দিক হতে উদিত হয়– এটাই মর্ম হল মহান আল্লাহর বাণীরঃ “আর সূর্য নিজ গন্তব্যে (অথবা) কক্ষ পথে চলতে থাকে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ।” (ইয়াসীন ৩৮) সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩১৯৯। ##

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.