টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

হ্নীলা রঙ্গিখালী এলাকায় গুলিবর্ষনের ঘটনা-এলাকায় এখনো থমথমে উত্তেজনা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ নভেম্বর, ২০১২
  • ১১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম…টেকনাফের হ্নীলায় রঙ্গিখালী এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের ঘটনায় এলাকায় জিইয়ে থাকা বিবাদমান গ্র“পের কর্মকান্ডে সাধারন মানুষ আতংকিত হয়ে উঠেছে। একপক্ষ অপর পক্ষের লোকজনকে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ করে হত্যা চেষ্টা ধামা-চাপা দেওয়ার জন্য এবার নাটকীয়ভাবে অস্ত্রবাজরা বসত-বাড়ি ভাংচুরের মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে শুরু করেছে নাটকীয়তা। তবে গুলিবিদ্ধ চিকিৎসাধীন ২জন এখনো শংকামুক্ত নয়। পরস্পরকে হুমকি-ধমকি ও থমথমে অব্যাহত থাকায় লোকজনের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানাযায়-টেকনাফের হ্নীলা রঙ্গীখালী এলাকার কবির আহমদের পুত্র ও শফিক আহমদ মেম্বারের ভাই বেলাল উদ্দিনকে জুম্মাপাড়া এলাকায়  পেয়ের স্থানীয় আব্দুল মজিদ প্রকাশ ভুলাইয়া বৈদ্যের ছেলে শাহজালাল, ছৈয়দ আলম, ইসমাঈল মাষ্টারের পুত্র মোঃ সোলেমান প্রকাশ দেওয়ান গংসহ মহেশখালী-চকরিয়া থেকে আনা ভাড়াটে সন্তাসীরা মিলে বেলালকে অপহরণ করে প্রাণে মারার জন্য ধাওয়া করে। খবর পেয়ে বেলালের ছোটভাই হুমায়ুন ও জয়নাল তাকে উদ্ধারের জন্য গেলে সামনা-সামনি বেপরোয়া ৪রাউন্ড ছরকা গুলিবর্ষন করে। এতে কবির আহমদের পুত্র হুমায়ুন (১৮),মৃত আশরফ আলীর পুত্র গুরা মিয়া (৩৫), নুরুল ইসলামের পুত্র মোঃ হোছন(২২), নজির আহমদের পুত্র মিজানুর রহমান কালু, মৃত জালাল উদ্দীনের পুত্র নুরুল আলম (২৪), পেঠান আলীর পুত্র মোঃ নুর(৩৫),ফরিদ আহমদের পুত্র সরওয়ার(১৮), রিদুয়ানের শিশু পুত্র রাসেল (৮) ও মৃত মোজার মিয়ার পুত্র ছৈয়দ হোছন আহত হয়েছে। তাদের তাজা রক্তে রাস্তা-ঘাট রঞ্জিত হয়। আহতদের চমেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হলেও তলপেট এবং গোপনাঙ্গে গুলিবিদ্ধ হুমায়ুন ও গুরা মিয়াকে অপারেশন করে বুলেটের ৩০টির মতো অংশ বিশেষ বের করা হয় তবে তাদের অবস্থা এখনো শংকামুক্ত নয়। অন্যরা আপাতত শংকামুক্ত বলে সুত্র জানায়। তবে এ ব্যাপারে ১৬জনকে আসামী করে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। পেশাদার ডাকাত ও মামলাবাজ চক্র এ ঘটনাকে ধামা-চাপা দেওয়ার জন্য নিজের ভাঙ্গা-চোরা বসত-বাড়ি নিজেরাই ভেঙ্গে থানায় পৃথক পৃথক মিথ্যা অভিযোগ দেওয়ার পায়তারা করছে বলেও অভিযোগ করেন। অপরদিকে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বসত-বাড়ি,দোকান-পাট ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন। স্থানীয় আব্দুস সালামের পুত্র আব্দুল হামিদ কাফিয়াও এ চক্রের দালাল হিসেবে বানোয়াট বসত-বাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ দিয়ে বেড়াচেছ। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তদন্ত স্বাপেক্ষে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করবে বলে সচেতনমহল মনে করেন।

এ ঘটনার জেরধরে এলাকায় রোহিঙ্গা ও কুতুবদিয়া মহেশখালীর পেশাদার অস্ত্রবাজ দিয়ে হামলা হুমকিতে লোকজন আতংকের মধ্যে রয়েছে। এলাকায় এখনো থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সম্ভাব্য আরো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT