টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
৪০ টাকার কমে নেই সবজি, লাগামছাড়া পেঁয়াজ-মুরগি ভাসানচর থেকে পালাতে গিয়ে ১৮ রোহিঙ্গা আটক রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ হয়নি: মোমেন টেকনাফ স্থলবন্দরে আসার পথে মিয়ানমারের মালবাহী জাহাজ ডুবিতে কয়েক কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি ব্যাটারিচালিত রিকশা বাদ দিয়ে ‘ইলেকট্রিক মোটরযান’ নীতিমালা টেকনাফ হাসপাতালের পিয়ন ২০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার : সকল শিক্ষার্থীকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভ্যাক্সিনের জন্য নিবন্ধনের নির্দেশ চট্টগ্রামে প্রতি ঘণ্টায় ভাঙছে তিনটি সংসার বাহারছরার কচ্ছপিয়া থেকে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার আইস ও ইয়াবাসহ গোদারবিলের মোঃ উল্লাহ গ্রেপ্তার, পলাতক আসামী আবদুল্লাহ

হ্নীলায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে বের করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১
  • ২৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফ প্রতিনিধি।

টেকনাফ উপজেলার আওতাধীন হ্নীলা ইউনিয়নের অন্তর্গত হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে আশ্রয় নেওয়া লোকদের বের করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ওই শিক্ষক হল মৌলভীবাজারের বাসিন্দা শিক্ষক শমশুদ্দীন। জানা যায়, আজ বিকেল ১টায় একটানা অতিবৃষ্টি হলে প্রশাসনের মাইকিং শুনে বাড়ীতে পানি উঠা লোকজন হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়ার জন্য ছুটে চলে আসে। হঠাৎ কিছু বুঝে উঠতে না উঠতেই ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে বারবার স্কুল ত্যাগ করে চলে যাওয়ার জন্য বলে। পরে অসহায় লোকজন চলে যায়। এ ব্যাপারে অসহায় লোকজন প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছে। ভুক্তভোগী মোঃ শফি ও আছিয়া খাতুন বলেন, আমরা বৃষ্টি বেশী হওয়ায় নিরাপত্তার জন্য পরিবারসহ মিলে এই বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিতে চলে আসছিলাম। কিন্তু প্রধান শিক্ষক আমাদেরকে থাকতে দিলেননা। এ ব্যাপারে আমরা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার ভূমি, ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতা কামনা করছি। অভিযুক্ত হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শমশুদ্দীন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে বললাম কয়েকদিন মানুষ আশ্রয় নেওয়াতে স্কুল একটু অপরিস্কার রয়েছে তাই আপনারা বাসায় গিয়ে মালামাল রেখে আসেন। এছাড়া যাদের ঘর একটু শুকনা আছে ওনারা চলে যান বললেন বলে তিনি প্রতিবেদককে জানান। অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনাটি সত্য। তবে পানিবন্দী হওয়ার কারণে আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে চলে যেতে বলে ওনি বিরাট অন্যায় করেছে। পরে আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা খুলে দিয়ে কয়েকটি পরিবারকে বিদ্যালয়ে স্থান করে দিয়েছি। আর আমি ওই শিক্ষকের কঠিন শাস্তি দাবী করছি।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT